1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

ফ্রান্সে সন্তানের জন্য বাবাকেও ছুটি নিতে হবে

ফরাসিরা নিজের দেশকে মনে করেন মানবাধিকারের জন্মভূমি৷ সেখানে নারীর অধিকার খর্ব হওয়া একেবারে নতুন কিছু নয়৷ কর্মক্ষেত্রে পুরুষকে আরো ছুটি দিয়ে নারীর অগ্রগতি ত্বরান্বিত করার মাধ্যমে একটা জায়গায় বড় পরিবর্তন আনতে চায় সরকার৷

Schoolteacher Monique Revel (R) and teacher assistant Audrey Bras (L) take care of two-year-old children at a kindergarten in Firmi, central southern France, on January 14, 2013. French government is expected to announce in the coming days schooling for toddlers (children less than three years). AFP PHOTO / ERIC CABANIS (Photo credit should read ERIC CABANIS/AFP/Getty Images)

Kindergarten in Frankreich

এ লক্ষ্যে সন্তান লালন-পালনের জন্য বাবা যাতে আরো বেশি করে ছুটি নেন, সে ব্যবস্থা করা হবে৷ ফ্রান্সের নারী অধিকার বিষয়ক মন্ত্রী নাজাত ভালো-বেলকাসেম জানিয়েছেন, শিগগিরই তিনি মন্ত্রীপরিষদে এমন এক বিল উত্থাপন করবেন যা পাশ হলে ভবিষ্যতে পুরুষরা সন্তান লালন-পালনের ভার তাঁদের স্ত্রী বা পার্টনারের ওপর ছেড়ে নিশ্চিন্তে অফিস করতে পারবেননা৷ সন্তানকে দেখাশোনা করতে মায়ের মতো ছুটি নিতে হবে বাবাকেও৷ ফলে মায়েরা তখনও কাজে গিয়ে আয় করার সুযোগ পাবেন৷

Frankreich will Wunsch nach drei Kindern fördern

সন্তান লালন-পালনের দায়িত্ব কি শুধু নারীদের?

দেখা গেছে, সন্তানকে বেশি সময় দিতে গিয়ে ফ্রান্সের মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় অনেক কম আয় করেন৷ চাকুরিজীবীদের মধ্যে নারীদের মোট আয় তাই মাত্র ২৭ শতাংশ, বাকি ৭৩ শতাংশই পুরুষদের৷ আর্থিক ও উন্নয়ন সহযোগিতা সংস্থা ওইসিডি-র বাকি ৩৩টি দেশের আর কোনোটিতে নারী-পুরুষের আয়ের ব্যবধান এতটা নয়৷ ফরাসি সরকার মনে করছে, পুরুষরা সন্তান লালন-পালনে সময় দেয়ার জন্য আরো বেশি ছুটি নিলে সন্তানের মা সেই সময় উপার্জন করে ২৭ আর ৭৩-এর ব্যবধান অনেক কমিয়ে আনতে পারবেন৷

এছাড়া, উচ্চপদে মেয়েদের তুলে আনাতেও অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা বিলটি ভালো ভূমিকা রাখতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে৷ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রার্থী তালিকায় নারীদের নাম আরো বাড়বে বলেও আশা করা হচ্ছে৷ এসব পরিবর্তন আশা করার কারণ আছে৷ সন্তান লালন-পালনের জন্য ফ্রান্সের মাত্র ৩ শতাংশ পুরুষ ছুটি নেন৷ ২০০৭ সালে জার্মানিও ছিল একই অবস্থায়৷ তারপর ফ্রান্স আজ যা ভাবছে, তা করেই অবস্থা অনেকটা বদলে ফেলেছে জার্মানি৷ জার্মানি পারলে ফ্রান্স পারবেনা কেন?

এসিবি/ডিজি (রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়