1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ফ্রান্সে জঙ্গি হামলার আতঙ্ক কাটছেই না

প্রায় পাঁচ মাস ধরে নতুন সন্ত্রাসী হামলার আতঙ্কের মাঝে বাস করছে ফ্রান্সের মানুষ৷ সারা দেশে চলছে জরুরি অবস্থা৷ ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, ইউরো ২০১৬ শেষ না হওয়া পর্যন্ত জরুরি অবস্থা বলবৎ থাকবে৷

কে জিতবে এবারের ইউরোপিয়ান ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ? ফুটবল যাঁরা ভালোবাসেন, তাঁদের মনে এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে৷ ইউরো ২০১৬ শুরু হতে আর যে বেশি দেরি নেই! আগামী ১০ জুন থেকে ফ্রান্সে শুরু হবে এ আসর৷ চলবে এক মাস৷ আসর শুরুর আগের এই সময়টায় স্বাভাবিকভাবেই চলছে নানা ধরণের আলোচনা, বিশ্লেষণ৷ বিশ্লেষকদের কেউ কেউ এবারের ইউরো জয়ের সম্ভাবনায় বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন জার্মানির চেয়েও এগিয়ে রাখছেন স্বাগতিক ফ্রান্সকে৷

তবে ফ্রান্স সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় ভাবনা এখন নিরাপত্তা৷ ২০১৫ সালের নভেম্বরে প্যারিসে যে বর্বরোচিত সন্ত্রাসী হামলা হয়েছিল তারপর থেকে জননিরাপত্তা বিধানই সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ৷ ইউরো-২০১৬ চলার সময় চ্যালেঞ্জটা আরো কঠিন হবে৷ তাই ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী আগেভাগেই জানিয়ে দিয়েছেন, ২৪টি দেশের ফুটবল দল এবং অগুনতি ফুটবলামোদীর নিরাপত্তা দেয়ার জন্য সম্ভব সব রকমের চেষ্টাই তাঁরা করবেন৷ সে কারণে তাঁর সরকার নভেম্বর থেকে চলে আসা জরুরি অবস্থা ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ শেষ না হওয়া পর্যন্ত বজায় রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি৷

অথচ জরুরি অবস্থা তুলে নেয়ার জন্য ফ্রান্স সরকারের ওপর চাপ ছিল৷ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলে আসছে, এতদিন ধরে জরুরি অবস্থা জারি থাকায় ফ্রান্সের সব মানুষেরই মানবাধিকার চরমভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে৷ ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী মানুয়েল ভালস জানিয়েছেন তাঁর সরকারের কাছে মানুষের জীবনের নিরাপত্তাই সবচেয়ে বড় ব্যাপার, অন্য কিছু নয়৷ তাঁর ভাষায়, ‘‘জরুরি অবস্থা স্থায়ী কোনো ব্যবস্থা নয়৷

তবে (ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের মতো) এমন একটি বড় আয়োজনের আগে আমরা কোনো ঝুঁকি নিতে পারি না৷ এ কারণেই আমরা জরুরি অবস্থা আরো কিছুদিন জারি রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি৷''

ইউরো ২০১৬-তে ২৪টি দেশ অংশ নেবে৷ মোট ৫১টি ম্যাচ হবে এ আসরে৷ উদ্বোধনী এবং ফাইনাল ম্যাচটি হবে প্যারিসের জাতীয় স্টেডিয়াম স্টাড দ্য ফ্রঁস-এ৷ গত নভেম্বরে এই স্টেডিয়ামেই সবচেয়ে বড় হামলাটি চালিয়েছিল আইএস জঙ্গিরা৷ প্যারিসের সে হামলায় নিহত হয়েছিল ১৩০ জন, আহত হয়েছিল অনেক মানুষ৷

এসিবি/ডিজি (রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়