ফ্রান্সে অভিবাসনবিরোধীদের ডিঙিয়ে রক্ষণশীলরা এগিয়ে | বিশ্ব | DW | 23.03.2015
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ফ্রান্সে অভিবাসনবিরোধীদের ডিঙিয়ে রক্ষণশীলরা এগিয়ে

ফ্রান্সের নির্বাচনে নিকোলা সারকোজির নেতৃত্বাধীন রক্ষণশীলদের জোট এগিয়ে আছে৷ চরম ডানপন্থি ন্যাশনাল ফ্রন্ট নির্বাচন পূর্ববর্তী জরিপের মতো ভালো করেনি৷ প্রেসিডেন্ট ফ্রঁসোয়া ওলঁদের সমাজতন্ত্রী দলের অবস্থা আরো খারাপ৷

ফ্রান্সকে যাঁরা ইউরোপীয় ইউনিয়নেই দেখতে চান তাঁদের এবং ফ্রান্সে বসবাসরত অভিবাসীদের জন্য সে দেশের স্থানীয় নির্বাচনের প্রথম পর্ব সুখবরই বয়ে এনেছে৷ রোববার অনুষ্ঠিত এ পর্বের ভোটে ক্ষমতাসীন বামপন্থিরা ভালো করতে পারেনি৷ তবে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি সাধন এবং বেকারত্বের হার দ্রুত কমাতে ব্যর্থ ওলঁদ সরকারের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়ার ইঙ্গিত দিলেও জনগণ চরম ডানপন্থিদের পক্ষেও রায় দেয়নি৷ রোববার মোট ৯৮টি প্রশাসনিক অঞ্চলে ভোট হয়েছে৷ তাতে ফ্রান্সের সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলা সারকোজির নেতৃত্বাধীন রক্ষণশীল জোট ৩২ দশমিক ৫ ভাগ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছে৷ তারপরই রয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং অভিবাসবিরোধী চরম ডানপন্থিদের ন্যাশনাল ফ্রন্ট (এফএন), তারা পেয়েছে ২৫ দশমিক ৩৫ ভাগ ভোট৷ ফ্রঁসোয়া ওলঁদের নেতৃত্বাধীন বামপন্থিদের জোট এ পর্বে শতকরা ২২ ভাগ ভোট পেয়েছে৷

Frankreich Paris Departementswahlen Marine Le Pen

ন্যাশনাল ফ্রন্ট (এফএন)-এর নেত্রী নেত্রী মারিঁ লে পেন

নির্বাচনের আগের জনমত জরিপে চরম ডানপন্থিরা বেশ এগিয়ে ছিল৷ জরিপ অনুযায়ী তাদের অন্তত ৩০ ভাগ ভোট পাওয়ার কথা৷ প্রথম পর্বে তার চেয়ে অনেক কম ভোট পেলেও এফএন তাতে হতাশা বা অসন্তোষ প্রকাশ করেনি৷ বরং তাদের নেত্রী মারিঁ লে পেন বলেছেন, ‘‘ন্যাশনাল ফ্রন্টের এমন বিপুল ভোট পাওয়ার মানে হচ্ছে, ফ্রান্সের জনগণ তাদের স্বাধীনতাকে পুনরাবিষ্কার করতে চায়৷ তারা চায়, ফ্রান্সকে যারা হাঁটু গেড়ে বসতে বাধ্য করেছে তাঁদের সরিয়ে নতুন রাজনৈতিক প্রজন্মকে ক্ষমতায় আনতে৷''

নির্বাচনের দ্বিতীয় পর্বের ভোট হবে আগামী ২৯ মার্চ৷ জরিপ অনুযায়ী, সেখানেও এফএন-এর জয় পাওয়ার কথা৷ ফ্রান্সে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হবে ২০১৭ সালে৷ সেই নির্বাচনে এফএন-এর প্রার্থী হতে পারেন মারিঁ লে পেন৷

তবে প্রথম পর্বের নির্বাচন শেষে এফএন-বিরোধীরাই শক্ত অবস্থানে৷ দ্বিতীয় পর্ব শেষে অন্য দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠনের চেষ্টা করবে সারকোজির ইউনিয়ন ফর পপুলার মুভমেন্ট (ইউএমপি)৷ তবে সারকোজি আগেই জানিয়ে দিয়েছেন, স্থানীয় বা জাতীয় কোনো পর্যায়েই এফএন-এর সঙ্গে তাঁরা জোট গড়বেন না৷

এসিবি/জেডএইচ (এপি, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন