1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি ইউরোপ

ফ্রান্সের বাজেট ঘাটতি নিয়ে ইউরো এলাকায় দুশ্চিন্তা

জার্মানি আগামী বছরই ঋণ নেওয়া বন্ধ করার তোড়জোড় করছে, কিন্তু ফ্রান্স বাজেট ঘাটতির ঊর্ধ্বসীমা শিথিল করার ডাক দিচ্ছে৷ ইউরো এলাকার প্রবৃদ্ধির ধীর গতির পক্ষে-বিপক্ষে শোনা যাচ্ছে নানা যুক্তি৷

জার্মানি আগামী বছরই নতুন করে কোনো ঋণ না নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছে৷ যদিও ইউক্রেনের চলমান সংকটের ফলে সেই পরিকল্পনা নিয়ে দুশ্চিন্তা প্রকাশ করেছেন খোদ জার্মান অর্থমন্ত্রী ভল্ফগাং শয়েবলে৷ এ দিকে ফ্রান্সের নতুন অর্থমন্ত্রী ইউরো এলাকার বাজেট ঘাটতির নিয়ম শিথিল করার পক্ষে সওয়াল করেছেন৷ কিন্তু জার্মান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান এমন প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করে বলেছেন, একক মুদ্রা এলাকার মধ্যে কড়া নিয়ম মেনে না চললে মুদ্রা হিসেবে ইউরো-র বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে৷ ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থ বিষয়ক কমিশনারও ফ্রান্স-কে এ ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দিতে প্রস্তুত নন৷ উল্লেখ্য, সদস্য দেশগুলির বাজেট ঘাটতির ঊর্ধ্বসীমা ৩ শতাংশে বেঁধে দেওয়া আছে৷

আসলে বাজেট ঘাটতি কমাতে বা নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যয় সংকোচ কর্মসূচি নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্ক চলে আসছে৷ মূলত জার্মানির মতো কিছু দেশের চাপে অর্থনীতির দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতাকেই প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে৷ অর্থাৎ ‘স্টিমুলাস প্যাকেজ' বা করের হার কমিয়ে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার পথে যাচ্ছে না ইউরো এলাকা৷

চলতি সপ্তাহের শুরুতে ইউরোপের পুঁজিবাজারে বেশ দরপতন ঘটেছে৷ এই সাময়িক অস্থিরতা সত্ত্বেও সার্বিকভাবে ইউরো এলাকা চাঙ্গা হয়ে উঠছে৷ সোমবার প্রকাশিত এক পূর্বাভাষ অনুযায়ী চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে প্রবৃদ্ধির গড় হার ছিল ০.৪ শতাংশ৷ তবে বছরের বাকি সময় তা সামান্য কিছুটা কমার সম্ভাবনা রয়েছে৷ বেকারত্বের হার কমারও তেমন কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না৷ বিভিন্ন দেশে ব্যয় সংকোচ কর্মসূচির ফলে ক্রেতারা কেনাকাটা কমিয়ে দিয়েছেন৷ কিছু মহলের মতে, এর ফলে প্রবৃদ্ধির ধীর গতি দেখা যাচ্ছে৷

এদিকে ক্রাইমিয়ার পর ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে অস্থিরতার জের ধরে উত্তেজনা বাড়তে পারে, বাজারে এমন আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে৷ অ্যামেরিকা সহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে প্রযুক্তিভিত্তিক কোম্পানিগুলির শেয়ারের দরপতন ঘটার ফলেও বাজার অশান্ত রয়েছে৷ মঙ্গলবার অবশ্য বাজার আবার কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে৷

নতুন প্রধানমন্ত্রী মাটেও রেনসি হাল ধরার পর থেকে ইটালি থেকে ইতিবাচক খবর পাওয়া যাচ্ছে, যদিও আগের সরকারগুলির সংস্কারের সুফল এবার পাওয়া যাচ্ছে৷ ঋণভার কমে ২.৮ শতাংশে নেমে গেছে৷ গ্রিস আবার বন্ড বাজারে প্রবেশ করবে বলে শোনা যাচ্ছিল৷ তবে তাতে কিছুটা বিলম্ব ঘটছে৷ সরকার ধীরে এগোতে চাইছে৷

এসবি / জেডএইচ (এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়