1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

ফ্যাশন তরঙ্গ

‘ভোগ' এমন একটি ফ্যাশন ম্যাগাজিন, যা ২২টি ভাষায় মাসে মোট তিন কোটি বার বিক্রি হয়৷ এখন চলেছে ব্রিটিশ ‘ভোগ'-এর একশ' বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে লন্ডনের ন্যাশনাল পোর্ট্রেট গ্যালারিতে একটি প্রদর্শনী৷

লন্ডনের ন্যাশনাল পোর্ট্রেট গ্যালারিতে ভোগ ম্যাগাজিনের গত একশ' বছরের ইতিহাস নিয়ে একটি প্রদর্শনী চলছে৷ মহিলাদের ফ্যাশন ও জীবনধারার এক চটুল, চলমান কাহিনি৷

‘ভোগ ১০০' প্রদর্শনীর কিউরেটর রবিন মুইর বলেন, ‘‘‘ভোগ' তো শুধু জামাকাপড় নিয়ে নয়, ‘ভোগ' হলো মানুষজনকে নিয়ে; যিনি ছবিটা তুলছেন, যার ছবি তোলা হচ্ছে, এদের নিয়ে৷ এডোয়ার্ড স্ট্রাইকেন, সেসিল বিটন, ম্যান রে, লি মিলার, এরউইন ব্লুমেনফেল্ড, আর্ভিং পেন, ‘ভোগ'-এর বড় বড় নামগুলো মডার্ন ফটোগ্রাফির বড় বড় নাম৷ এরা বিংশ শতাব্দীর আলোকচিত্র শিল্পকে গড়ে দিয়েছেন৷ কাজেই প্রদর্শনীটা দেখলে আপনার মনে হবে, বিংশ শতাব্দীর ফটোগ্রাফি কোথায় পৌঁছেছিল – থ্যাংকস টু ‘ভোগ'!''

এখানে যে সব ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে, তাদের কয়েকটিকে ‘ঐতিহাসিক' বললেও ভুল বলা হবে না৷ যেমন মার্কিন আলোকচিত্র শিল্পী ম্যান রে-র প্রখ্যাত করসেট-পরিহিতা নারীর ছবি৷ কিছু ছবি যুগ বদলানোর আভাস দিচ্ছে৷

‘ভোগ’-এর একশ বছর পূর্তিতে প্রদর্শনী

‘ভোগ’-এর একশ বছর পূর্তিতে প্রদর্শনী

১৯৯০ সালে জার্মানির পেটার লিন্ডব্যার্গ ‘ভোগ' ম্যাগাজিনের হয়ে প্রথম প্রজন্মের সুপার মডেলদের ছবি তোলেন৷ তিন বছর পরে ব্রিটিশ ফটোগ্রাফার করিন ডে তরুণ কেট মস-কে নিয়ে ছবি তোলেন, যা গ্রাঞ্জ ফ্যাশনের কথা মনে করিয়ে দেয়৷ পরের কয়েক বছর এই গ্রাঞ্জ ফ্যাশনই চালু ছিল দুনিয়ার ফ্যাশন মেট্রোপোলিসগুলোতে৷

মেইনস্ট্রিম হলেও মনে রাখার মতো

জোসেফিন কলিন্স পেশায় ফ্যাশন জার্নালিস্ট; পড়ান লন্ডনের কলেজ অফ ফ্যাশন-এ৷ চার দশকের বেশি সময় ধরে ‘ভোগ'-এর পাঠিকা তিনি৷ জোসেফিন বলেন, ‘‘‘ভোগ' একটা মেইনস্ট্রিম ম্যাগাজিন হলেও, যা কিছু ঘটছে, তার একটা ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করে৷ প্রতিমাসে যা-হোক একটা ইস্যু বের না করে, ওরা সত্যিই ভালো কিছু দেবার চেষ্টা করে৷ সেভাবেই ওরা ওদের মনে রাখার মতো ছবিগুলো বের করতে পেরেছে বলে আমার ধারণা৷ সেটা ওদের কোয়ালিটি আর প্রোডাকশন দেখলে বোঝা যায়৷''

লন্ডনের প্রদর্শনীটি দিয়ে ব্রিটিশ ‘ভোগ' ম্যাগাজিনের একশো বছর পূর্তি উদযাপন করা হচ্ছে – যদিও আসলে ‘ভোগ' ম্যাগাজিনটি জন্ম নেয় ১৮৯২ সালে নিউ ইয়র্ক শহরে৷ মার্কিন প্রকাশক কন্ডে মন্টরোজ ন্যাস্ট পত্রিকাটি কেনেন ১৯০৯ সালে – শুরু হয় ‘ভোগ'-এর বিশ্বব্যাপী জয়যাত্রা৷

‘ভোগ' আজ বিশ্বের ২১টি দেশে প্রকাশিত হয় – তার মধ্যে আছে চীন, ভারত ও রাশিয়া৷ একটিমাত্র ব্যতিক্রম ছাড়া সর্বত্রই পত্রিকাটির দায়িত্বে থাকেন একজন নারী৷ জোসেফিন কলিন্স জানালেন, ‘‘‘ভোগ' সারা পৃথিবীতে বিক্রি হয় একই লোগো দিয়ে, একই কোয়ালিটি-তে৷ বিশ্বের যে কোনো জায়গায় ‘ভোগ' দেখলেই চিনতে পারা যায়৷ গোড়া থেকেই এর পেছনে রয়েছে নিউ ইয়র্কের কড়া নিয়ন্ত্রণ৷ ওরা প্রথম থেকেই ‘ভোগ' ব্র্যান্ডটি সম্পর্কে খুব সচেতন৷''

‘দ্য সেপ্টেম্বর ইস্যু' নামের ২০০৯ সালে করা একটি তথ্যচিত্র থেকে ‘ভোগ' ম্যাগাজিন কিভাবে তৈরি হয়, তা জানা যায়৷ ফিল্মটি তথ্যচিত্র হলেও বিপুল সাড়া পাওয়ায় প্রধান সম্পাদিকা অ্যানা উইনটুর তারকা হয়ে ওঠেন৷

লন্ডনের ন্যাশনাল পোর্ট্রেট গ্যালারিতে ব্রিটিশ ‘ভোগ' ম্যাগাজিনের একশ' বছর পূর্তি সংক্রান্ত প্রদর্শনী চলবে মে মাসের শেষ পর্যন্ত৷

সব মিলিয়ে ‘ভোগ' ম্যাগাজিনের মাসিক বিক্রি তিন কোটি! অর্থাৎ ‘ভোগ' হলো বিশ্বের এক নম্বর ফ্যাশন ম্যাগাজিন৷ ফটো, পণ্য কিংবা মডেল, সর্বক্ষেত্রেই ‘ভোগ' যে জীবনধারাটি তুলে ধরছে, তা মহিলাদের বিশেষভাবে প্রিয়: লাক্সারি ও লাইফস্টাইল৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

সংশ্লিষ্ট বিষয়