1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

ফেসবুক ও অন্যান্য নেটওয়ার্কের ফলে কোটি কোটি টাকা ক্ষতি

ইন্টারনেট ভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমের ফলে লাভের দিকটাই এতোদিন দেখছিলেন সবাই৷ কিন্তু এবার প্রকাশ করা হলো ক্ষতির মাত্রা৷ এসব নেটওয়ার্কের কারণে শুধুমাত্র যুক্তরাজ্যের ক্ষতি হিসাব করা হলো কোটি কোটি টাকা৷

Facebook, popular, online social network, ফেসবুক, টুইটার, ফ্লিকার, ইউটিউব, সাইট, UK, Britain,

ফাইল ছবি

ইন্টারনেট ভিত্তিক সামাজিক নেটওয়ার্কগুলোর ফলে ক্ষতির দিক নিয়ে গবেষণা করেছে ব্রিটিশ সংস্থা মাই জব গ্রুপ৷ ফলাফল প্রকাশ করা হলো বৃহস্পতিবার৷ সমীক্ষা চালানো হয় এক হাজার ব্রিটিশ পেশাজীবীর উপর৷ দেখা গেছে, তাদের ছয় শতাংশই এসব নেটওয়ার্কিং এ ব্যয় করেন প্রতিদিন এক ঘণ্টারও বেশি সময়৷ তা-ও আবার দাপ্তরিক কাজের সময়ে৷ ফলে তাদের কর্মস্থলের আটভাগের এক ভাগ সময় চলে যাচ্ছে এসব নেটওয়ার্কিং এর পেছনে৷

এই হিসাব অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যের মোট তিন কোটি চল্লিশ লাখ কর্মজীবী মানুষের মধ্যে বিশ লাখ জনশক্তিই এই পরিমাণ সময় ব্যয় করছেন নেটওয়ার্কিং করে৷ আর তাতে যুক্তরাজ্যের ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়ায় ১৪ বিলিয়ন পাউন্ড৷ ফলে মাই জব গ্রুপ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক লি ফেয়ারের আশঙ্কা, সারাদেশের প্রতিষ্ঠানসমূহের উৎপাদনের উপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে৷ কেননা ঐ গবেষণায় দেখা গেছে যে, কর্মস্থলে গিয়ে এসব নেটওয়ার্কিং-এর পেছনে সময় ব্যয় করার হার বাড়তেই আছে৷

গবেষকরা বলছেন, ৫৫ শতাংশ ব্রিটিশ পেশাজীবীই নাকি স্বীকার করেছেন যে, কর্মস্থলে এসে তারা এসব নেটওয়ার্কে সময় ব্যয় করেন৷ এসময় তারা ফেসবুক, টুইটার কিংবা অন্য কোন সাইটে গিয়ে নিজেদের প্রোফাইল হাল-নাগাদ করা, ছবি কিংবা ভিডিও জুড়ে দেওয়া কিংবা বন্ধুর সাথে চ্যাট করেও থাকেন৷ তবে এর নেতিবাচক প্রভাব থাকলেও অনেকে মনে করেন এসব নেটওয়ার্কিং তাদের কর্মদক্ষতা বাড়িয়েছে৷ তাদের ১৪ শতাংশ মনে করেন এতে তাদের উৎপাদনশীলতা কমেছে৷

তবে ১০ শতাংশের মত পুরো উল্টো৷ তারা বলছেন, এসব সামাজিক নেটওয়ার্ক তাদেরকে করেছে আরো বেশি উৎপাদনশীল৷ শুধু তাই নয়, কর্মস্থলে এসব সাইটে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে মত ৬৮ শতাংশের৷ মাত্র এক তৃতীয়াংশ পেশাজীবী মনে করেন, দাপ্তরিক কাজের সময় ফেসবুক, টুইটার, ফ্লিকার কিংবা ইউটিউবের মতো সাইটগুলোতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকা উচিত৷

প্রতিবেদন: হোসাইন আব্দুল হাই

সম্পাদনা: রিয়াজুল ইসলাম

নির্বাচিত প্রতিবেদন