1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

ফেসবুকে আসে নিন্দা, এমন কী জীবননাশের হুমকিও!

সামাজিক নেটওয়ার্কগুলোর মাধ্যমে লেখা বিভিন্ন ব্যক্তিগত অনুভূতির বিরুদ্ধে নিন্দা এমন কি জীবননাশের হুমকিও আসছে৷ আর এই প্রবণতা সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে এশিয়ার দেশগুলোতে৷

default

সামাজিক নেটওয়ার্ক বলতে এখন বোঝানো হয় ‘ফেসবুক' কিংবা ‘টুইটার'কেই৷ যদিও এই দুটি সাইট ছাড়াও সামাজিক যোগাযোগের নেটওয়ার্ক গড়ার জন্য আরও অনেক সাইট রয়েছে৷ কিন্তু সেগুলো এতো বেশি জনপ্রিয় নয়৷

এক থাই কিশোরী, যার এখনো গাড়ির লাইসেন্স পাওয়ার যোগ্যতাই হয়নি, সে এক অকাজ করে বসেছে সম্প্রতি৷ এই ধনীর দুলারি ব্যাংককের রাস্তায় বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে যাবার সময়, একটি মিনিবাসের সঙ্গে ধাক্কা লাগিয়ে ঘটিয়েছে দুর্ঘটনা৷ তাতে মারা গেছে নয় জন৷ আর এর পরেই সেই কিশোরী ফেসবুকের পাতায় লিখেছে...‘কোন শান্তি নেই৷' আর যায় কোথায়! একে একে তিন লাখ ফেসবুক ব্যবহারকারী সেই পাতায় তাকে নিন্দা জানিয়েছে৷ কেউ কেউ লিখেছে, ‘তুমি কী মানুষ! কী করে বেঁচে আছো?' ইত্যাদি নানা কথা৷ হত্যার হুমকিও পেয়েছে সেই কিশোরী৷

এই তো কয়েক দিন আগের কথা৷ এক চীনা সিনে তারকা জিয়াং জি ঘোষণা করেছিলেন যে, তিনি তাঁর আয়ের একটি অংশ দিয়ে দেবে ২০০৮'এ সিচুয়ান প্রদেশের ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদেরকে৷ জিয়াং জি তাঁর প্রতিশ্রুত অর্থের কিয়দংশ দেবার পর, এ নিয়ে নিন্দার ঝড় ওঠে ইন্টারনেট দুনিয়ায়৷ ফেসবুকের পাতা ভর্তি হয়ে যায় নানা গালমন্দে৷ এদের বেশিরভাগই চীনের নাগরিক, যাঁরা ফেসবুক ব্যবহার করেন বিশেষ প্রক্সি সার্ভারের মাধ্যমে৷ কারণ সেখানে ইন্টারনেটের ওপর কড়া নিয়ন্ত্রণ রয়েছে সে দেশের সরকারের৷

যাই হোক, এ তো মাত্র দুটি ঘটনা৷ প্রতিদিন এশিয়ার বিভিন্ন দেশে সামাজিক ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নিন্দা, কুৎসা এবং সমালোচনার ঝড় উঠছে অহরহ৷ থাইল্যান্ডের ‘থাই ন্যাটিজেন নেটওয়ার্ক' নামের একটি সংগঠনের সমন্বয়ক সুপিন্না কালাংনারং বলছেন, ‘সামাজিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কেউ তাঁর মনের অভিব্যক্তি তাৎক্ষনিকভাবে প্রকাশ করতে পারেন৷ দ্রুত প্রকাশ করতে পারেন তাঁর পরিকল্পনা এবং চিন্তাভাবনার বিষয়গুলো৷ তিনি বলেন, এগুলো ভালো৷ কিন্তু মন্তব্য প্রকাশ অথবা মন্তব্য করার সময় নিজের সীমানা সম্পর্কে একটা স্পষ্ট ধারণা তাঁদের থাকা উচিৎ৷ আর এই সীমানা কখনোই অতিক্রম করাটা উচিৎ নয় বলে মনে করেন সুপিন্না কালাংনারং৷

অন্যদিকে, সামাজিক নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে এহেন কার্যক্রমকে দায়িত্ববোধহীন বলেই মন্তব্য করেন ব্রিটিশ মনোরোগ চিকিৎসক আদ্রিয়ান স্কিনার৷

প্রতিবেদন: সাগর সরওয়ার

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ