1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

ফুটবলের আদিগুরু কারা ছিলেন?

১৫০ বছর আগে লন্ডনের একটি পাবে বসে মর্লে, দুই অ্যালকক, পেম্বার, ক্যাম্পবেল, স্টুয়ার্ড, ওয়ন এবং টার্নার – এই আটজন ইংরেজ বিশ্বের প্রথম ফুটবল সমিতি প্রতিষ্ঠা করেন৷ সেই সঙ্গে আসে ফুটবলের প্রথম ১৩টি নিয়ম-কানুন৷

দিনটা ছিল ১৯৬৩ সালের ২৬শে অক্টোবর৷ স্থানটা লন্ডনের কোভেন্ট গার্ডেন এলাকার একটি পাব, নাম ফ্রিমেসন্স ট্যাভার্ন৷ সেখানেই আটজন ইংলিশ জেন্টলম্যান একত্রে বসে ইংলিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের জন্ম দেন৷ ১৮৬৩ সালের এফএ মিনিট বুকটি এখনও বজায় আছে৷ তা-তে পাওয়া যাবে এবেনেজার কব মর্লের হাতে লেখা ফুটবলের প্রথম নিয়ম-কানুন৷

মর্লের জন্ম ১৮৩১ সালে, মারা যান ১৯২৪ সালে৷ তাঁর বাকি সাতজন সঙ্গী-সাথিদের মধ্যে জেমস টার্নারের জন্ম-মৃত্যুর সাল-তারিখ অজ্ঞাত, অন্তত এখনো পর্যন্ত৷ বাকিদের সম্পর্কেও যে বিশেষ কিছু জানা আছে, এমন নয়৷ অথচ এফএ প্রতিষ্ঠার সার্ধশতবর্ষ এসে পড়ল৷ তাই এফএ ব্রিটেন এবং সেই সঙ্গে সারা পৃথিবীতে ফুটবলের আদি আট গুরুর জীবিত বংশধরদের খোঁজ চালাচ্ছে৷ ইচ্ছা, ওয়েম্বলেতে ফুটবলের বার্ষিকীতে তাদের এনে উৎসব পালন করা৷

বংশধরদের খুঁজে বার করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ল্যাঙ্কাশায়ারের ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল ইনস্টিটিউটের এক গণসংস্কৃতি বিষয়ক ইতিহাসবিদ জেন ক্লেইটনের নেতৃত্বাধীন একদল গবেষককে৷ ক্লেইটন অক্টোবরের মধ্যে কিছু বংশধরের নামধাম খুঁজে পাওয়া ও তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার ব্যাপারে আশাবাদী৷ আর এই কাজের প্রেরণা? তাঁর বক্তব্য:

‘‘বিভিন্ন বিষয়ে এবং বিভাগে যারা পথিকৃৎ, তাদের সম্বন্ধে তো আমরা কত কিছুই জানি৷ কিন্তু আশ্চর্য, যারা আমাদের বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলাটি উপহার দিয়েছেন, তাদের সম্পর্কে প্রায় কিছুই জানা নেই৷''

যেমন চার্ল্স অ্যালকক, যিনি এফএ কাপ প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করেন৷ এফএ কাপ চালু হয় ১৮৭১-৭২'এর মরশুম থেকে৷ অ্যালকক তাঁর পুরনো স্কুল হ্যারোয় ঐ ধরনের একটা খেলা খেলতেন৷ সেটাই ছিল এফএ কাপের অনুপ্রেরণা৷

মর্লে ছিলেন এফএ-র প্রথম সেক্রেটারি৷ আর্থার পেম্বারের জন্ম ১৮৩৫ সালে, মৃত্যু ১৮৮৬'তে৷ পেশায় ছিলেন ব্যারিস্টার৷ ১৮৬৩ থেকে ১৮৬৭ সাল অবধি তিনিই ছিলেন এফএ-র প্রথম প্রেসিডেন্ট৷ ১৯৬৮ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী হন৷ কিছুদিন নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর হয়ে সাংবাদিকের কাজ করেছেন৷ কিছু কিছু ভ্রমণের বইও লিখেছেন৷ শেষজীবন অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে কাটিয়েছেন৷

এই প্রায় অজ্ঞাত মানুষগুলি ও তাদের কাজের গুরুত্ব বুঝতে গেলে স্মরণ করতে হবে যে, মর্লের স্বহস্তে লেখা ১৮৬৩ সালের সেই ‘মিনিট বুক'-কে আজ সর্বকালের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নথিগুলির মধ্যে ধরা হয়৷ কেননা তা-তে ফুটবলের নিয়মকানুন লিপিবদ্ধ করা আছে৷ ইংল্যান্ড দলের ম্যানেজার রয় হজসন যেমন বলেছেন: ‘‘ফুটবল আমাদের সমাজজীবনের অঙ্গ৷ ১৫০ বছর আগে এই আটজন মানুষের স্বপ্ন ছাড়া তা হয়ত সত্য হতে পারতো না৷''

এসি/ডিজি (রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন