1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

ফুটবলার যখন কমিক বই হিরো

সুপারম্যান, স্পাইডারম্যান, অরণ্যদেব বা ম্যানড্রেক নয় – আইভরি কোস্টের ফুটবলার দিদিয়ে দ্রগবা এখন আর শুধু সাধারণ জীবনে নয়, একেবারে কমিক বইয়ের হিরো হয়ে উঠেছেন৷ শিশু-কিশোরদের প্রেরণা যোগাবে এই ফুটবল তারকার জীবনকাহিনি৷

default

আইভরি কোস্টের দ্রগবা

হাঁটতে শিখেছিলেন মাত্র ছয় মাস বয়সে৷ পাঁচ বছরেই পরিবারকে পেছনে ফেলে বিদেশে চলে যেতে হয়েছিল৷ প্রেম পর্বেও দেরি হয় নি৷ মাত্র ১৭ বছর বয়সে বিয়েও করেছিলেন প্রেমিকাকে৷ সেই বিয়ে অবশ্য টেকেনি৷ শুধু ব্যক্তিজীবনে এমন কিছু উল্লেখযোগ্য ঘটনা অবশ্য কাউকে খ্যাতির শিখরে নিয়ে যেতে পারে না৷ আফ্রিকার দরিদ্র পরিবার থেকে বিশ্ব ফুটবলের প্রথম সারিতে আসার সাফল্যই দিদিয়ে দ্রগবাকে বাকিদের থেকে আলাদা করে রেখেছে৷ সেই কাহিনি এবার ফুটে উঠছে কমিক বইয়ে৷ ফ্রান্সের একটি প্রকাশনা সংস্থা ‘টিটো থেকে দ্রগবা' নামের বইটি বাজারে আনছে৷ তার আগেই ব্রিটেনের জন্য ইংরাজি সংস্করণের পরিকল্পনাও হয়ে গেছে৷

Didier Drogba Fußballspieler Archivbild 2007

আফ্রিকার দ্রগবা

আইভরি কোস্টের রাজধানী আবিদজান থেকে দ্রগবার যাত্রা শুরু৷ ১৯৭৮ সালে সেখানকার এক দরিদ্র পরিবারে জন্ম৷ ছোটবেলায় ডাকনাম রাখা হয়েছিলো ‘টিটো'৷ পাঁচ বছর বয়সে মামা মিশেল গোবার সঙ্গে ফ্রান্সে চলে যান তিনি৷ মিশেল তখনই পেশাদার ফুটবলার ছিলেন৷ টিটো-র বাবা-মা ভেবেছিলেন, ফ্রান্সে গেলে ছেলে হয়ত কিছু করে দেখাতে পারবে৷ কিন্তু সমস্যা হলো, মামা বার বার ক্লাব বদলানোর ফলে ছোট্ট টিটো কোনো এক জায়গায় থিতু হয়ে বসতে পারছিল না৷ তবে তার যখন বয়স ১৩, তখন বাবা-মাও ফ্রান্সে চলে আসেন৷ স্থানীয় একটি ফুটবল ক্লাবে খেলাও শুরু হয়৷ তারপরের ঘটনা তো ইতিহাস৷

দ্রগবার কাহিনি কিশোরদের অনুপ্রেরণা যোগাতে পারে, তাদের স্বপ্ন দেখার সাহস দিতে পারে – এমনটাই এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য৷ দ্রগবা নিজে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ফুটবল খেলে অনেক মানুষের সঙ্গে তাঁর আলাপ হয়েছে, ইউনিসেফ-এর দূত হয়ে উঠেছেন৷

কমিক বই বিক্রি করে যে অর্থ সংগ্রহ হবে, তার একটা অংশ যাবে ‘দিদিয়ে দ্রগবা ফাউন্ডেশন'-এর কাজে৷ আফ্রিকায় স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সংক্রান্ত অনেক প্রকল্পের সঙ্গে তিনি এভাবে যুক্ত আছেন৷

এসবি/ডিজি (এএফপি, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন