1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

ফিফা-র কাছে ক্ষতিপূরণ চাইতে পারে অস্ট্রেলিয়া

কাতারকে বিশ্বকাপের আয়োজক করার পেছনে দুর্নীতি কাজ করেছে – এই অভিযোগে অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী অস্ট্রেলিয়া প্রস্তুতির ব্যয় দাবি করার কথা ভাবছে এখন৷ এতে ভবিষ্যতে বড় আকারের প্রতিযোগিতা আয়োজনের ক্ষেত্রেও পরিবর্তন আসতে পারে৷

default

ফিফা প্রেসিডেন্ট সেপ ব্লাটার (ফাইল ফটো)

প্রতি চার বছর পর পর বিশ্বকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা আয়োজনের সুযোগ পায় একটি দেশ৷ কিন্তু সেই দৌড়ে অংশ নেয় আরও অনেক দেশ, শেষ পর্যন্ত যাদের হার মানতে হয়৷ এই প্রচেষ্টার জন্যও অনেক অর্থ ব্যয় হয়৷ যেমন ২০২২ সালের বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রতিযোগিতায় শামিল হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া৷ ব্যয় করেছিল ৩ কোটি ৭৭ লক্ষ মার্কিন ডলার৷ সে যাত্রায় বাকিদের পেছনে ফেলে কাতার বিশ্বকাপ আয়োজনের বরাত পায়৷

কিন্তু এবার চরম দুর্নীতির অভিযোগে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে কাতার ও ফিফা কর্তৃপক্ষ৷ এমনকি শেষ পর্যন্ত কাতারের কাছ থেকে এই সুযোগ কেড়ে নেওয়া হতে পারে – এমন সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না৷ এই অবস্থায় অস্ট্রেলিয়া ক্ষতিপূরণ দাবি করার বিষয়ে ভাবছে৷ সে দেশের ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি ফ্র্যাংক লোউয়ি সরাসরি ফিফা-র কাছে এই অর্থ ফেরত চেয়েছেন৷

WM-Gastgeber 2018 und 2022

২০২২ বিশ্বকাপের আয়োজক হিসেবে কাতারের নাম ঘোষণা করছেন ফিফা প্রেসিডেন্ট সেপ ব্লাটার (ফাইল ফটো)

ক্রীড়ামন্ত্রী পিটার ডাটন অবশ্য বলেছেন, বিশ্বকাপ আয়োজনের বরাত পাওয়ার দৌড়ে ২০১০ সালে যে অর্থ ব্যয় করা হয়েছিল, তার অন্তত কিছু অংশ ফেরত পাওয়ার চেষ্টা করার বিষয়ে ভাবনা-চিন্তা চলছে৷ তবে ফিফা-র নিরপেক্ষ তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে৷

বিশ্বকাপ ফুটবলের মতো বিশাল আকারের প্রতিযোগিতা আয়োজনের বিষয়ে একটা মৌলিক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে৷ ব্রাজিলে বিশ্বকাপের আসর শেষ হলে বিতর্কটি আরও দানা বাঁধবে বলে মনে করা হচ্ছে৷ আয়োজক শহরে অবকাঠামোর অভাবনীয় উন্নয়নের সম্ভাবনাকে সামনে রেখে অনেক দেশ এই দায়িত্ব নিতে এতকাল এগিয়ে এসেছে৷ কিন্তু ব্যাপক দুর্নীতি, স্বজন-পোষণ ও পেশাদারিত্বের অভাব এমন উদ্যোগের উপর বার বার কালো ছায়া ফেলছে৷ ফলে এই উন্নয়ন মডেলের ঝুঁকি ও সীমা নিয়ে বিতর্ক দানা বাঁধছে৷ তাছাড়া সাধারণ মানুষও একটি প্রতিযোগিতার পেছনে এত বেশি অর্থ ঢালার বিষয়টি ভালো চোখে দেখছে না৷ ব্রাজিলে যেমন ব্যাপক বিক্ষোভ ও ধর্মঘট দেখা যাচ্ছে৷ নেতিবাচক ভাবমূর্তির ভয়ে এই অবস্থায় স্পনসররাও পিছু হটতে শুরু করেছে৷

এসবি/ডিজি (ডিপিএ, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়