1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

খেলাধুলা

ফিফা জাতিবাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে

রীতিমতো আইন-কানুন করে৷ মাঠে জাতিবাদী মন্তব্য, গালিগালাজ ইত্যাদি দেখার জন্য রেফারি আছেন৷ এবার স্ট্যান্ডেও বাড়তি কর্মকর্তা রাখা হবে জাতিবাদের ঘটনার উপর নজর রাখার জন্য৷ সেই সঙ্গে থাকবে তিন পর্যায়ে শাস্তির ব্যবস্থা৷

ফুটবল ক্লাব মানে তার প্লেয়াররা এবং কর্মকর্তারা – কিন্তু সেই সঙ্গে থাকে সাপোর্টাররা, স্টেডিয়ামে ও স্টেডিয়ামের বাইরে৷ অধিকাংশ জাতিবাদের ঘটনা ঘটে থাকে এই উচ্ছৃঙ্খল সমর্থকদের কারণে৷ সমর্থকরা বিপক্ষের কৃষ্ণাঙ্গ খেলোয়াড়কে কলা দেখাচ্ছে কিংবা বানরের ডাক ডাকছে, এ ধরনের ঘটনা এই সভ্য ইউরোপের খেলার মাঠেই ঘটেছে এবং ঘটে থাকে৷ সেই সঙ্গে থাকে জাতিবাদী ধ্বনি, শালুতে লেখা মন্তব্য ইত্যাদি৷ এ জন্য বিভিন্ন ক্লাবকে দণ্ডও দিতে হয়েছে৷

বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা ফুটবলের সঙ্গে জাতিবাদের এই অশুভ গাঁটছড়া যে কবে পড়ল, তা বলা শক্ত৷ কিন্তু ধীরে ধীরে তা এমন একটা পর্যায়ে পৌঁছেছে অথবা পৌঁছাতে চলেছে যে, ফিফার সক্রিয় না হয়ে উপায় নেই৷ সোমবার ফিফার বিবৃতিতে তাই স্ট্যান্ডে অতিরিক্ত কর্মকর্তা রাখার কথা বলা হয়েছে, যারা ‘‘সম্ভাব্য বৈষম্যমূলক ঘটনার'' উপর নজর রাখবেন৷ এর ফলে রেফারির উপর চাপ কমবে৷ অন্যদিকে, এই স্টেডিয়াম কর্মকর্তারা ফিফার শৃঙ্খলামূলক কমিটির কাছে রিপোর্টও পেশ করতে পারবেন৷

Kevin Prince Boateng AC Mailand Fußballspieler

এসি মিলানের কেভিন-প্রিন্স বোয়াটেং এ বছর জাতিবাদী গালিগালাজের শিকার হয়েছেন

প্রস্তাবটা দেওয়া হয় ফিফার জাতিবাদ প্রতিরোধী টাস্ক ফোর্সের উদ্বোধনী অধিবেশনে৷ টাস্ক ফোর্স এ-ও প্রস্তাব দেয় যে, প্রাথমিক অথবা ছোটখাট অপরাধের জন্য হাল্কা শাস্তি দেওয়া হবে: যেমন ক্লাবকে দর্শক ছাড়াই একটি ম্যাচ খেলতে হবে; কিংবা হয়ত একটা ফাইন কিংবা ওয়ার্নিং দিয়েই প্রথম যাত্রায় মাপ করে দেওয়া যেতে পারে৷ গুরুতর ঘটনা কিংবা বারংবার একই ঘটনা ঘটলে পয়েন্ট কেটে নেওয়া হতে পারে; কিংবা প্রতিযোগিতা থেকে বাদ দেওয়া হতে পারে; এমনকি রেলিগেশন, অর্থাৎ এক ডিভিশন নামিয়ে দেওয়াও সম্ভব৷ এ মাসের শেষে মরিশাসে ফিফার সম্মেলনে এ সব প্রস্তাব পেশ করা হবে৷

ইউরোপীয় ফুটবলের গভর্নিং বডি উয়েফা চার বছর আগেই এ ধরনের নীতিমালা প্রকাশ করেছে৷ সেখানে যে তিন ধাপের প্রতিক্রিয়ার কথা বলা হয়েছে, তা-তে রেফারির উপর গুরুদায়িত্ব এসে পড়ে৷ ম্যাচ চলাকালীন কোনো জাতিবৈষম্যমূলক ঘটনা ঘটলে, রেফারিকে খেলা থামিয়ে মাইকে ঘোষণা দিতে হবে৷ দ্বিতীয় পর্যায়ে রেফারি নির্দ্দিষ্ট সময়ের জন্য ম্যাচ স্থগিত রাখতে পারবেন৷ তৃতীয় পর্যায়ে রেফারি ম্যাচ পুরোপুরি বাতিল করতে পারবেন৷

সৌভাগ্যবশত, ইউরোপীয় ক্লাব কম্পিটিশনে এ যাবৎ এই নীতিমালা প্রয়োগ করার কোনো প্রয়োজন পড়েনি৷ তবে উয়েফা এই মার্চ মাসেও বলেছে, কোনো রেফারি যদি তা প্রয়োগ করার প্রয়োজন দেখেন, তবে তাঁর প্রতি উয়েফার পূর্ণ সমর্থন থাকবে৷

ফিফার জাতিবাদ প্রতিরোধী টাস্ক ফোর্সে এসি মিলানের কেভিন-প্রিন্স বোয়াটেং ও নেদারল্যান্ডসের এজেড আল্কমারের জোজি আল্টিডোরকে রাখা হয়েছে৷ এই দু'জন খেলোয়াড়ই এ বছর মাঠে খেলতে নেমে জাতিবাদী গালিগালাজের শিকার হয়েছেন৷ দু'জনের কেউই অবশ্য সোমবার জুরিখের মিটিং-এ অংশ নিতে পারেননি – পেশাগত কারণে৷

এসি/ডিজি (রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন