1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বাংলাদেশ

ফিফার বিরুদ্ধে দাঁড়াচ্ছে বাংলাদেশের শ্রমিক ইউনিয়ন

কাতারে ২০২২ সালের বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রস্তুতিতে শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় প্রভাব খাটাতে ব্যর্থ হওয়ায় ফিফার বিরুদ্ধে মামলায় যোগ দিয়েছে একাধিক বাংলাদেশি শ্রমিক ইউনিয়ন৷ বাংলাদেশি এক শ্রমিকের মামলায় সমর্থন যোগাতে এই উদ্যোগ৷

ফিফার শহর জুরিখে দায়ের করা মামলাটিতে সমর্থন দিচ্ছে নেদারল্যান্ডসের সবচেয়ে বড় শ্রমিক সংগঠন এফএনভি৷ ফিফা যাতে কাতার সরকারকে বিদেশি শ্রমিকদের চাকুরি ছাড়া বা দেশত্যাগের অধিকারসহ ন্যূনতম অধিকার নিশ্চিতে বাধ্য করে, সেজন্য এই মামলা দায়ের করা হয়েছে৷ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালসহ একাধিক সংগঠন দাবি করে আসছে যে, কাতার বিদেশি শ্রমিকদের উপযুক্ত অধিকার নিশ্চিত করছে না৷ বরং শ্রমিকরা বিভিন্নভাবে বঞ্চনার শিকার হচ্ছে৷

‘বাংলাদেশ ফ্রি ট্রেড ইউনিয়ন কংগ্রেসের' সাধারণ সম্পাদক রিপন চৌধুরী ফিফার বিরুদ্ধে করা মামলায় এফএনভি-র সঙ্গে যোগ দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন৷ কাতারে নির্মমভাবে শোষণের শিকার এক বাংলাদেশি শ্রমিকের পক্ষে মামলাটি দায়ের করে এফএনভি৷

ভিডিও দেখুন 01:32

শোষণের শিকার শ্রমিক, কাতার কিংবা ফিফার কাছ থেকে কোন প্রকার ক্ষতিপূরণ না পাওয়ায় মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চৌধুরী৷ তিনি বলেন, ‘‘আমরা বিষয়টি আপোষে মিমাংসার চেষ্টা করেছিলাম৷ কিন্তু আমাদের সব চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় শেষমেষ পিটিশনটি দায়ের করতে হয়েছে৷''

কাতার সরকার অবশ্য সর্বশেষ এই মামলা নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি৷ তবে ইতোপূর্বে তারা শ্রমিকদের শোষণের বিষয়টি অস্বীকার করেছে৷ কিন্তু সেদেশে বিদেশি শ্রমিকদের কাজ করার নিয়ম, যা কাফেলা নামে পরিচিত, অনুসারে বিদেশি শ্রমিকরা তাদের চাকুরিদাতার অনুমতি ছাড়া চাকুরি বদল বা সেদেশত্যাগ করতে পারেন না৷ এই নিয়মে সামান্য পরিবর্তন এনে শ্রমিকদের দেশত্যাগ সহজ করার পরিকল্পনা করছে কাতার৷ তবে সমালোচকরা বলছেন, নিয়মে এ ধরনের পরিবর্তন শ্রমিকদের তেমন একটা কাজে আসবে না৷

উল্লেখ্য, গ্যাসসমৃদ্ধ কাতার বিশ্বকাপের প্রস্তুতির জন্য অবকাঠামোসহ বিভিন্ন খাতে ২০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ করছে৷ এ সব কাজে বাংলাদেশ, ভারত এবং নেপালের কয়েক লাখ শ্রমিককে নিয়োগ দেয়া হয়েছে৷

এআই/ডিজি (রয়টার্স)

শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে ফিফার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের শ্রমিক ইউনিয়নের এ অবস্থান আপনি কি সমর্থন করেন? জানান নীচের ঘরে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়