1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

ফালুজা অভিযানে বেসামরিক বাসিন্দারা বিপন্ন

অভিযানের তৃতীয় দিনেও ইরাকি সেনাবাহিনী গোলাবর্ষণ অব্যাহত রেখেছে৷ আশিটিরও বেশি পরিবার ফালুজা থেকে পালাতে পেরেছে বলে খবর৷ বাকি পঞ্চাশ হাজার বাসিন্দার জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ৷

২০ মে যাবৎ ফালুজা ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করছেন মানুষজন, কিন্তু ‘দায়েশ' বা আইএস এখনও কারফিউ জারি করে চলেছে, এছাড়া চারদিকে স্নাইপার, বলে প্রকাশ৷ কিছু নারী ও শিশু এভাবে প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানিয়েছে ইউএনএইচসিআর৷

ইরাক অথবা সিরিয়ার অন্য যে কোনো শহরের চেয়ে বেশিদিন আইএস-এর হাতে রয়েছে রাজধানী বাগদাদের মাত্র ৫০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত সুন্নি অধ্যুষিত শহর ফালুজা৷ ২০১৪ সালের গোড়ায় আইএস ফালুজা দখল করে৷ গত বছর থেকেই ইরাকি সেনাবাহিনী শহরটিকে ঘিরে রেখেছে; মাঝেমধ্যে গোলাবর্ষণ করছে ও শহরটি পুনর্দখল করার চেষ্টা চলেছে৷

এবার দৃশ্যত ইরাক সরকার ফালুজাকে মুক্ত করতে বদ্ধপরিকর৷ তাই ‘ব্রেক টেররিজম' নাম দিয়ে এই ‘গ্রাউন্ড অপারেশন' শুরু করা হয়েছে৷ গত রবি বার ইরাকি সৈন্যদের ফালুজার উপকণ্ঠ থেকে ‘সেলফি' তুলতে ও পাঠাতে দেখা যায়৷

সোমবার ইরাকের প্রধানমন্ত্রী ফালুজা অভিযান শুরু হওয়ার কথা ঘোষণা করেন৷

মঙ্গলবারও ইরাকি সেনাবাহিনী গোলাবর্ষণ অব্যাহত রাখে৷

মঙ্গলবারই কুর্দি-আরব সেনাবাহিনী সিরিয়ার রাকা প্রদেশে তথাকথিত ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে একটি বড় আকারের অভিযান শুরু করে৷ ‘সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেস' এদিন রাকা সিটি-র বিরুদ্ধে তাদের এ পর্যন্ত বৃহত্তম অভিযানের কথা ঘোষণা করেছে৷ এসডিএফ-এর এই যোদ্ধারা নাকি আংশিকভাবে মার্কিন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও মার্কিন অস্ত্রসজ্জিত৷ এছাড়া মার্কিন জঙ্গি বিমান অভিযানে এয়ার সাপোর্ট দেবে বলেও প্রকাশ৷

অপরদিকে ফালুজা অভিযানে ইরাকি সেনাবাহিনী ছাড়াও হাশেদ আল-শাবি নামধারী একটি আধা সামরিক সংগঠনের যোদ্ধারা বিশেষভাবে সক্রিয়৷ এই সংগঠনে তেহরান-সমর্থিত শিয়া সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলির প্রাধান্যই বেশি৷ কাজেই একদিকে সুন্নি আইএস, অন্যদিকে শিয়া ও কুর্দি – এভাবেই দু'টি পৃথক রণাঙ্গণে গুরুতর চাপের মুখে পড়েছে ইসলামিক স্টেট৷

এসি/এসিবি (রয়টার্স, এপি, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়