1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

ফলোয়ার ছাড়া মডেল হয় না

মডেলিং করতে হলে শুধু সুন্দর দেখতে হলে চলবে না, ফেসবুক এবং বিশেষ করে ইনস্টাগ্রামে প্রচুর ফলোয়ার থাকা চাই৷ কী মডেল, এজেন্সি, কী ফ্যাশন লেবেল, সকলেই ঐ ফলোয়ারের সংখ্যা দেখে মডেল বুক করে থাকেন৷

ভিডিও দেখুন 04:17

বেশি ফলোয়ার হলেই কি প্রতিষ্ঠিত মডেল?

প্যারিসে ফ্যাশন ডিজাইনার ইসি মিয়কে-র শো’র ব্যাকস্টেজ – মানে নেপথ্যে৷ আগে মডেলদের এখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হতো, করার কিছুই থাকত না৷ এখন সকলের হাতে মোবাইল, সকলেই পোস্ট করতে ব্যস্ত৷ ফরাসি মডেল আদাম আমুরি-র মতো সকলেই জানেন: ফেসবুক এবং বিশেষ করে ইনস্টাগ্রাম ছাড়া আজকের যুগে মডেল হওয়া যায় না৷

ফলোয়ার থাকলে তবেই বুক করা হয় 

আদাম আমুরি-র ইনস্টাগ্রামে ১১,০০০ এর বেশি ফলোয়ার আছে৷ আমুরি বললেন, ‘‘খুব সক্রিয় থাকতে হবে আর উচ্চমানের সব কন্টেন্ট পোস্ট করতে হবে৷ ভক্তদের সঙ্গে ইন্টারঅ্যাক্ট করাটা খুব জরুরি, তারা কোনো কমেন্ট দিলে, রিঅ্যাক্ট করতে হবে৷ কাউকে অবহেলা করলে চলবে না৷ প্রচুর কাজ!’’

সকলেরই লক্ষ্য হলো, যত বেশি সম্ভব ফ্যান সংগ্রহ করা, কেননা, তার ফলে মার্কেট ভ্যালু, অর্থাৎ বাজারদর বেড়ে যায়৷ আমুরি জানালেন, ‘‘কোনো উপায় নেই: দু'জন মডেল যদি দেখতে এক রকম হয়, কিন্তু এক জনের দশ লাখ ফলোয়ার আর অন্য জনের এক হাজার ফলোয়ার থাকে, তাহলে কাকে বুক করা হবে, তা তো বুঝতেই পারছেন৷’’

ফ্যাশন সাংবাদিক লিজা বুতেলদিয়া শোনালেন, ‘‘আমি একটি ফ্যাশন ম্যাগাজিনের হয়ে কাজ করি, আমাদের অফিসে একটি কাস্টিং এজেন্সিও আছে৷ সোশ্যাল মিডিয়ায় মডেলদের উপস্থিতি কেমন, কাস্টিংয়ে তার একটা বড় ভূমিকা থাকে: কার কতজন ফলোয়ার রয়েছে, প্রভাব আছে, নাকি নেই, ফ্যাশন লেবেলগুলো সেগুলো খুঁটিয়ে যাচাই করে দেখে৷’’

‘এলিট’ বিশ্বের বৃহত্তম মডেল এজেন্সিগুলির অন্যতম৷ ইন্টারনেটে মডেলদের সাফল্য তুলে ধরার জন্য ‘এলিট’ সংস্থা গ্রাহকদের কাছে তাদের মডেলদের ফেসবুক প্রোফাইল পাঠিয়ে থাকে৷ ‘এলিট’-এর প্রধান ভিক মিহাচি বললেন, ‘‘সোশ্যাল নেটওয়ার্কগুলো আসার আগে মডেলরা পত্র-পত্রিকা, আলোকচিত্রী, ফ্যাশন ডিজাইনার, এক কথায় গোটা ফ্যাশন জগৎটার ওপর নির্ভরশীল ছিল৷ এই লোকগুলোই ঠিক করত, তারা মডেলটিকে তাদের জগতে ঢুকতে দেবে কিনা৷ ইতিমধ্যে পরিস্থিতি বদলে গেছে৷ মডেলদের ভাগ্য আজ নিজেদের হাতে আর তাদের সাফল্যের মাত্রা হলো পাবলিক৷’’

ব্রিটেনের স্টিফেন জেমস-এর এ সাফল্য আছে৷ তিনি ‘এলিট’ সংস্থায় চুক্তিবদ্ধ৷ শুধুমাত্র ইনস্টাগ্রামেই তাঁর ফলোয়ারের সংখ্যা ১৮ লাখ৷

উঠতি তারকা

২০ বছর বয়সি নাইজেরীয় ডেভিডসন ওবেনেডো এখনও এতদূর পৌঁছাতে পারেননি৷ ২০১৬ সালের নভেম্বরে তিনি ‘এলিট’ সংস্থার আন্তর্জাতিক মডেল প্রতিযোগিতায় জয়ী হন৷ এ বছর তিনি প্রথমবারের মতো মিলান আর প্যারিসের ফ্যাশন শো-গুলিতে যাচ্ছেন – এমনকি তিনি ভেরসাচের ফ্যাশন শো’র একেবারে প্রথম ও শেষে থাকবেন – একজন নবাগতের জন্য যা বড় সম্মান৷

কিছুদিন হলো ডেভিডসনের একটি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট হয়েছে৷ অবশ্যই সেই অ্যাকাউন্টে কন্টেন্ট দিতে হবে: ব্যক্তিগত ছবি আর মডেল হিসেবে তাঁর ছবির একটা ভালো সংমিশ্রণ হওয়া চাই৷ যেমন এখানে ইসি মিয়কে-র ফ্যাশন শো-তে৷ ডেভিডসন বললেন, ‘‘ইনস্টাগ্রাম আর ফেসবুক হলো কাজের অঙ্গ৷ ওগুলো হলো নিজেকে বেচার পন্থা৷ তুমি নিজে হলে সেই পণ্য৷ দোনাতেল্লা যখন ডেভিডসনকে খোঁজেন, তখন ডেভিডসনকে খুঁজে পাবার সবচেয়ে সহজ দু'টি পথ হলো ডেভিডসনের ফেসবুক আর ডেভিডসনের ইনস্টাগ্রাম৷’’

সোশ্যাল নেটওয়ার্কগুলো আসার পরে মডেলরা স্বনির্ভর হয়ে উঠেছেন, তাদের প্রভাবও বেড়েছে৷ মহিলাদের ক্ষেত্রে সেটা আরো ভালোভাবে বোঝা যায়৷

সুপারমডেল ক্যারা ডিউয়েভিং-এর পাঁচ কোটি ফলোয়ার আছে, কেন্ডাল জেনার-এর আছে দশ কোটি ফলোয়ার৷

পুরুষ মডেলদের তার ধারে-কাছে আসতে এখনো অনেক বাকি৷

কাটিয়া লিয়ের্শ/এসি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

সংশ্লিষ্ট বিষয়