1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

ভাইরাল ভিডিও

প্লাস্টিকের বোতল থেকে জল খেলো শঙ্খচূড় সাপ!

দক্ষিণ ভারতের কর্ণাটক রাজ্যে খরার প্রকোপে তৃষিত এক বিষধরকে প্লাস্টিকের বোতল থেকে জল খাওয়ানোর দৃশ্য দেখেছেন ২০ কোটি মানুষ, পোস্ট করার দিন দুয়েকের মধ্যে৷

ইংরেজিতে বলে ‘কিং কোবরা', বাংলায় শঙ্কচূড়, সবচেয়ে বড় ও বিযাক্ত গোখরা সাপ৷ বলতে কি, কিং কোবরা বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা বিষধর সর্প, ১৯ ফুট অবধি লম্বা হতে পারে৷ আর একটু পড়াশুনো করলে জানা যাবে যে, শঙ্খচূড় আসলে গোখুরাই নয়, সে একটি  নিজস্ব প্রজাতি, ল্যাটিনে ‘ওফিওফেগাস হানা', গোখুরাদের অনুকরণে ‘নাজা হানা' নয়, যদিও প্রায়ই তা বলা হয়ে থাকে৷

শঙ্খচূড় সাপকে নিয়ে নানা কিংবদন্তি আছে, কিন্তু আসলে সে মানুষের সংসর্গ এড়িয়ে চলে এবং তার স্বভাবও বিশেষ উগ্র নয় – যদি না তাকে উত্যক্ত করা হয়৷ কাজেই কর্ণাটকের কাইগা শহরে এই ১২ ফুট লম্বা শঙ্খচূড়টি কেন ঢুকল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে৷

সারা দুনিয়া যখন গল্পের খোঁজে, তখন বিষধর সাপকে জল খাওয়ানো দৃশ্যের সঙ্গে দক্ষিণ ভারতে আসন্ন গ্রীষ্ম ও চলতি খরার করুণ কাহিনিটা জুড়ে দিতে বেশি সময় লাগেনি৷ আহা রে, তৃষিত শঙ্কচূড় স্রেফ পানির খোঁজে গাঁয়ে ঢুকেছে; দয়ালু গ্রামবাসীরা তাকে জল খাওয়াচ্ছেন – তাও আবার প্লাস্টিকের বোতল থেকে৷

কিন্তু শঙ্কচূড়ের লেজ ধরে রয়েছেন একজন, অন্যদিকে সাপকে যিনি জল খাওয়াচ্ছেন, তাঁর হাতে একটি স্নেক-ক্যাচার বা সাপ ধরার আঁকশিও রয়েছে – আর এঁদের সকলের পরণেই উর্দি৷ পরে বোঝা গেল যে এই সহৃদয় ব্যক্তিরা সরকারি কর্মকর্তা, বনবিভাগের ও পুলিশের৷ গ্রামবাসীরা কিং কোবরার দেখা পাওয়া মাত্র সঠিক জায়গায় খবর দিয়েছেন৷

ভিডিওতে যে সব সরকারি কর্মকর্তাদের দেখা যাচ্ছে, তাদের মধ্যে একজন হলেন সি এন নাইকা, কারওয়ার ফরেস্ট রেঞ্জের ডেপুটি ফরেস্ট অফিসার৷ তিনি পরে ‘দ্য নিউজ মিনিট'-কে বলেন যে, গ্রীষ্মে এ ধরনের ঘটনা প্রায়ই ঘটে থাকে৷ তাছাড়া মার্চ-এপ্রিল হলো ‘মেটিং সিজন', তাই কিছু কোবরা সঙ্গিনীর খোঁজে আবাসিক এলাকাতেও ঢুকে পড়ে৷

শঙ্খচূড় সাপ নিশাচর নয়, দিবাচর বলেই ধরে নেওয়া হয়ে থাকে৷ ভিডিওর শঙ্খচূড়টি দুপুর সাড়ে বারোটা নাগাদ প্রথম দেখতে পাওয়া গিয়েছিল৷ দুপুরের গরমে হয়ত তার সত্যিই তেষ্টা পেয়েছিল – অপরদিকে কোনো কোবরার দেখা পেলে স্থানীয় মানুষজন প্রথমে তাকে পানি দিয়ে থাকেন৷

নয়ত কারওয়ার ফরেস্ট রেঞ্জের ভিতর দিয়ে কালি নদী চলে গিয়েছে এবং কাইগা পাওয়ার প্ল্যান্টের কাছের খালবিলেও প্রচুর জল আছে – জানান নাইকা৷

এসি/ডিজি

নির্বাচিত প্রতিবেদন