1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

প্রোটিনের মাত্রা দেখে কিডনির রোগ শনাক্ত করা যেতে পারে

প্রস্রাবের মধ্যে কী পরিমাণ প্রোটিন আছে তা দেখে একজন চিকিৎসক সহজেই বুঝতে পারবেন রোগীর কিডনির অবস্থা এখন কেমন৷ এমনকি এই প্রোটিনের পরিমাণ দেখে কিডনির সমস্যা থেকেও তাকে রক্ষা করা যেতে পারে৷

default

এভাবে মেশিন দিয়ে নয়, প্রস্রাবে প্রোটিনের মাত্রা দেখেই নাকি কিডনির অবস্থা বোঝা সম্ভব

সম্প্রতি একটি গবেষণায় একথাই বলা হয়েছে৷

আমেরিকান সোসাইটি অফ নেফ্রোলজি'র একটি গবেষণাপত্রে গবেষকরা বলেছেন, যেসব রোগীর মূত্রে প্রোটিন অ্যালবুমিনুরিয়ার পরিমাণ অনেক বেশি আছে তাদের কিডনির রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা ৫ গুণ বেড়ে যায়৷

অ্যামেরিকার বল্টিমোর শহরের জন হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয়ের এই গবেষক দল জানান, পরীক্ষার এই পদ্ধতি সহজ৷ খরচও কম৷ এবং এই পরীক্ষার মাধ্যমে কিডনির কোন ক্ষতি হয়েছে কিনা তা শনাক্ত করা সম্ভব হবে আগেভাগেই৷

দেখা গেছে, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের মধ্যে শতকরা ১.৬ জনই এসেছেন কিডনির সমস্যার চিকিৎসা নিতে৷ কেউ যদি রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে আসেন ও তাঁর শরীরে অন্য কোন অসুবিধা না থাকে তাহলে চিকিৎসার মাধ্যমে তাকে সুস্থ করে তোলা সম্ভব৷ কিন্তু দেখা যায়, বেশিরভাগ রোগী এমন পর্যায়ে আসেন যখন কিডনির সাঙ্ঘাতিক রকমের ক্ষতি হয়ে গেছে৷ রক্ত থেকে দূষিত জিনিসগুলো ফিল্টার করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে কিডনি৷ফলে তখন ডায়ালিসিস ও কিডনি প্রতিস্থাপন করা ছাড়া উপায় থাকেনা৷

ডা.মরগ্যান গ্র্যামস এ গবেষণা দলে কাজ করেছেন৷ তিনি ও তাঁর সহকর্মীরা ১১ হাজার ২০০ রোগীর ওপর পরীক্ষা চালান৷ তাদের মেডিকেল রেকর্ডের ওপর চোখ রাখেন তাঁরা৷ রোগীদের আলবুমিনুরিয়া প্রোটিন পরীক্ষা ছিলো রোগীদের চিকিৎসার একটা অংশ৷ গবেষকরা দেখতে পান যে, স্বল্প মাত্রার আলবুমিনুরিয়া প্রোটিন পাওয়া গেছে যাদের প্রস্রাবে, তাদেরও কিডনির বড় রকমের ক্ষতি হতে পারে৷

অ্যামেরিকান সোসাইটি অফ নেফ্রোলজি বলছে, প্রায় ৩০ মিলিয়ন অ্যামেরিকান অর্থাৎ দেশটির মোট জনসংখ্যার শতকরা ১০ ভাগ মানুষই কিডনির রোগে আক্রান্ত৷ প্রতি বছর ১ লাখেরও বেশি অ্যামেরিকানের কিডনি নষ্ট হয়ে যায়৷ এবং তার মূল কারণ বহুমূত্র রোগ৷ একজন মানুষের কিডনি কতটা ঝুঁকির মধ্যে আছে চিকিৎসকরা প্রোটিনের মাত্রা পরীক্ষা করে তা জানিয়ে দিতে পারবেন৷

প্রতিবেদন: জান্নাতুল ফেরদৌস

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক