1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

প্রাক-নির্বাচনি সমীক্ষা কতটা নিভর্রযোগ্য?

সোমবার থেকে শুরু হয়েছে ভারতের ষোড়শ সংসদীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ৷ তার আগে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম ভোট-পূর্ব সমীক্ষা করেছে৷ তাতে বিজেপির সংখ্যাগরিষ্ঠতার সম্ভাবনা উঠে এসেছে৷ তবে একা সরকার গড়ার মত অবস্থা থাকবে না৷

বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশে সোমবার ৭ এপ্রিল থেকে প্রথম দফার ভোটপর্ব শুরু হচ্ছে৷ ভোট হবে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় দুটি রাজ্য আসাম ও ত্রিপুরায়৷ আসামে ১৫টি সংসদীয় আসনের মধ্যে প্রথম দফায় ভোট হবে ৫টি আসনে এবং ত্রিপুরার ২টি আসনের মধ্যে একটিতে৷ ভারতীয় সংসদের ৫৪৩টি আসনে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে নয় দফা ভোট পর্বে যোগ দেবেন ৮১ কোটিরও বেশি ভোটদাতা, যারমধ্যে প্রায় ১২ কোটি ভোটার ভোট দেবেন এই প্রথম৷

ভোটের আগাম ফলাফল নিয়ে গোটা দেশে জনমত সমীক্ষায় নেমে পড়েছে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম এবং ভোট বিশেষজ্ঞরা৷ সেইসব সমীক্ষা অনুযায়ী দেশের ৩৫.৭ শতাংশ ভোট পড়বে বিজেপির ঝুলিতে৷ কংগ্রেস সেখানে পাবে ১৯.৯ শতাংশ৷ গ্রামীণ ভারতে বিজেপির ভোট বাড়তে পারে ১০ শতাংশের মত৷ ঐ তালিকার তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে থাকবে যথাক্রমে মায়াবতীর বহুজন সমাজ পার্টি ও কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি৷ তাদের ভোট দেবে ৩.৫ শতাংশ এবং ২.৯ শতাংশ৷ আঞ্চলিক দলগুলির মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেস এবং উত্তরপ্রদেশে শাসক দল সমাজবাদী পার্টিকে সমর্থন করবে ২.১ শতাংশ ভোটার৷

সমীক্ষার পূর্বাভাষ অনুযায়ী বিজেপির দখলে যেতে পারে ২১৫ থেকে ২২৫টি আসন৷ সেখানে কংগ্রেস এককভাবে পেতে পারে ১২১ থেকে ১৩২টি আসন৷ বিভিন্ন সমীক্ষার পূর্বাভাষ এক নয়৷ অন্য একটি সমীক্ষায় বলা হয় বিজেপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট বা এনডিএ পেতে পারে ২৩৪ থেকে ২৪৬টি আসন৷ আর কংগ্রেস ও তার শরিক দলগুলি হাতে আসবে ১২৩টি আসন৷ তৃণমূল কংগ্রেস পেতে পারে ২৩ থেকে ২৯টি আসন, বামফ্রন্ট ১৪ থেকে ২০টি আসন এবং দক্ষিণী রাজ্য তামিলনাড়ুর জয়ললিতার এআইএডিএমকে ১৫ থেকে ২০টি আসন৷

সরকার গঠনে বিজেপি এগিয়ে থাকলেও এককভাবে সরকার গঠন করতে পারবেনা৷ ত্রিশঙ্কু সংসদে বা ভঙ্গুর জনাদেশের ক্ষেত্রে আঞ্চলিক দলগুলির ভূমিকা হবে গুরুত্বপূর্ণ৷ বিজেপি মুখপাত্র প্রকাশ জাভেদকার মনে করেন, বিজেপি একা পাবে ২৫০-এর মত আর শরিক দলগুলি নিয়ে সেটা যাবে ২৯০-এর কাছাকাছি৷ বিজেপি এতটাই আত্মবিশ্বাসী৷ ভোট বিশেষজ্ঞদের মতে, ভেঙে পড়া অর্থনীতি এবং প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণে মধ্যবিত্ত শ্রেণি আকৃষ্ট হবে মোদী শাসনের দিকে৷ কংগ্রেসের তরফে বলা হয়, বিজেপির এই আত্মবিশ্বাসের বেলুন ফেটে যাবে৷ যেমনটা গিয়েছিল ২০০৪ এবং ২০০৯ সালের ভোটে৷ ক্ষমতায় আসবে কংগ্রেস তার পুরানো শরিক দলগুলিকে নিয়ে৷

বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে প্রধানমন্ত্রীর আসনে দেখতে চান দেশের ৪৫.৭ শতাংশ জনতা৷ রাহুল গান্ধীকে দেখতে চান ২১.৩ শতাংশ মানুষ৷ তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে আছেন আম আদমি পার্টির অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং বহুজন সমাজ পার্টির মায়াবতি৷ এবারের মূল নির্বাচনি ইস্যুগুলি হল, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি (৬৫.৫%), দুর্নীতি (৪৫.৫%)৷ সাম্প্রদায়িকতা এবারের নির্বাচনি ইস্যু নয়, জনমত সমীক্ষায় এমনটাই বলা হচ্ছে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়