1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

প্রাকৃতিক সম্পদ ভোগের হার তিনগুণ হওয়ার আশঙ্কা

মানুষের প্রাচুর্য ও ভোগ বিলাসের কড়ায়-গণ্ডায় দাম দিচ্ছে প্রকৃতিকে৷ বিলাসিতার মাত্রা যতোটাই বাড়ছে, ততোই দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে প্রকৃতির বিশাল সম্পদের ভাণ্ডার৷ আর এবার প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহারের হারও তিন গুণ বেড়ে যাচ্ছে বিশ্বে৷

Local villagers float past a pile of illegally logged tress in Central Kalimantan, Indonesia. //////>libarp@ausaid.gov.au> . I have looked at your website (ideasforacoolerworld) and I am happy for you to use the photos in an appropriate way.< 29.01.10 credit: AusAID and Josh Estey

সারা বিশ্বের মানুষ বর্তমানে যে হারে প্রাকৃতিক সম্পদ ভোগ করছে চলতি শতকের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে তা তিন গুণ বেড়ে যাবে৷ জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি - ইউএনইপি'র গবেষণা প্রতিবেদনে প্রকাশিত হলো এমন উদ্বেগজনক তথ্য৷ সংখ্যার হিসাবে বলতে গেলে, ২০৫০ সাল নাগাদ প্রতিবছর ১৪০ বিলিয়ন টন খনিজ দ্রব্য, জীবাশ্ম এবং জৈব উপাদান উজাড় করতে থাকবে পৃথিবী নামক এই গ্রহের বাসিন্দারা৷

তবে ভোগ-বিলাসিতা এবং সুখময় জীবন যাপন করতে গিয়ে প্রাকৃতিক সম্পদ উজাড় করার ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছে উন্নত বিশ্বের নাগরিকরা৷ প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, উন্নত দেশের ভোক্তারা বেশ কিছু উন্নয়নশীল দেশের মানুষদের চেয়ে চার গুণ প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার করছে৷ ফলে জনসংখ্যা এবং উন্নয়নের হার বাড়ার সাথে সাথে প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহারের হার এভাবে বাড়তে থাকলে প্রকৃতিও খুব দ্রুত রিক্ত হস্ত হয়ে পড়বে৷ তাই জাতিসংঘের সংস্থাটির সুপারিশ, এই গ্রহের বাসিন্দাদের এখনই শিখতে হবে কীভাবে কম জিনিস নষ্ট করে বেশি উপকার পাওয়া যায়৷ একইসাথে অর্থনৈতিক উন্নতি হলেই সবকিছু মনের সাধ মিটিয়ে ভোগ করা নয়৷ বরং মিতব্যয়ী হতে হবে প্রকৃতির এই অপার দান কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে৷

তাই সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক আখিম স্টাইনার বললেন, ‘‘প্রকৃতির মূল্যবান ভাণ্ডার রক্ষা করতে কার্বন নির্গমন কমানো, সম্পদের দক্ষ ব্যবহার এবং সবুজ অর্থনীতির নীতিতে এগুতে হবে৷'' তবে তাই বলে রাতারাতি পুরনো অভ্যাস পাল্টানো সম্ভব নয়৷ বরং সেজন্য প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহারে আরো সৃষ্টিশীল এবং নতুন নতুন কৌশল গ্রহণ করতে হবে বলে মনে করেন সংস্থাটির অন্যতম গবেষক মার্ক সুইলিং৷

প্রাকৃতিক সম্পদের ভাণ্ডার রক্ষায় সচেষ্ট দেশ হিসেবে প্রতিবেদনটিতে জার্মানি, জাপান, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং চীনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে৷ এছাড়া ২০৫০ সাল নাগাদ প্রাকৃতিক সম্পদ ভোগের মাত্রা সীমিত করতে বেশ কিছু সুপারিশ তুলে ধরল ইউএনইপি৷

প্রতিবেদন: হোসাইন আব্দুল হাই

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক