1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

‘প্রশাসনের গাফিলতি আর ছুটির দিন দুর্ঘটনার কারণ'

লাঙ্গলবন্দে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অষ্টমীর পুণ্যস্নানের সময় পদদলিত হয়ে সাত নারীসহ ১০ জন পুণ্যার্থী মারা গেছেন৷ এই ঘটনায় সরকার পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে৷

বাংলাদেশের প্রথম সারির গণমাধ্যম ছাড়াও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে সংবাদটি গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে৷

টুইটার ব্যবহারকারী অনেকেও খবরটি শেয়ার করেছেন৷

এদিকে আয়ান সাহা তাঁর ফেসবুক পাতায় এ বিষয়ে বেসরকারি ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের একটি ভিডিও প্রতিবেদন শেয়ার করে লিখেছেন, ‘‘এত মানুষের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে৷ শুক্রবার হওয়ার কারণে অতিরিক্ত মানুষের সমাগম হয়েছিল পুণ্যস্নানে৷ প্রশাসন এজন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়নি৷ তাদের মৃত্যুতে দুঃখ প্রকাশ করছি৷''

তবে আমিনুল ইসলাম গণমাধ্যমে এই ঘটনার কাভারেজ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন৷ ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘‘...এই ঘটনার পর আমি আমাদের গণমাধ্যমের ভূমিকা পর্যবেক্ষণ করছি৷ দেখলাম সবচাইতে জনপ্রিয় পত্রিকায় বাম দিকে ছোট করে এই খবর দিয়েছে৷ অন্যান্য পত্রিকায়ও মূল শিরোনাম এটি না৷ এমনকি টেলিভিশনগুলোও কিছুক্ষণ পরপর ব্রেকিং লাইভ দেখাচ্ছে না৷ আমি হলফ করে বলতে পারি, এই রকম একটা ঘটনা যদি সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের কোনো অনুষ্ঠানে হতো, তাহলে সব সংবাদমাধ্যমে এটি শিরোনাম হতো৷ ধরেন ইজতেমাতে যদি এমন হতো, তাহলে নিশ্চয়ই দুই দিন ধরে ব্রেকিং চলতো! সাথে আমাদের ফেসবুকাররাও কেঁদে চোখের জল ভাসাতো৷ আমরা আসলে হিন্দু-মুসলিম রয়ে গেলাম৷ মানুষ হতে পারলাম না৷''

সৈয়দ ফাইয়াজ আহমেদ লিখেছেন, ‘‘মানুষের পায়ের তলায় চাপা পড়ে মানুষ মরাটা যেন আধুনিককালের ভবিতব্য, রুপক৷ হজে গিয়ে, তীর্থে গিয়ে, রিলিফের কিংবা যাকাতের কাপড় নিতে গিয়ে, এর বাইরেরও প্রতিনিয়ত কত পদদলন হচ্ছে৷ একেকটা ঘটনা ঘটে আর বিষাদ এসে ছেয়ে বসে৷ লাঙ্গলবন্দের দশটা অচেনা মানুষের পরিণতিতে বিষাদটা আবার একটু গভীর হলো৷ মানুষ মারা গেলে বড্ড কষ্ট লাগে, তা সে যেই হোক, মানুষ, আমার স্বজাতি৷''

সংকলন: অমৃতা পারভেজ

সম্পাদনা: জাহিদুল হক

নির্বাচিত প্রতিবেদন