1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

প্রফেসর ইউনূসকে নিয়ে সরব জার্মান বার্তা মাধ্যম

গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ড. মুহাম্মদ ইউনূস’কে সরিয়ে দেয়ার উদ্যোগের সমালোচনায় সোচ্চার জার্মানির বার্তা মহল৷ বিভিন্ন দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকা অনলাইনে চটজলদি হাইকোর্টে প্রফেসর ইউনূসের রিট আবেদনের খবরও প্রকাশ করেছে৷

default

আদালতে প্রবেশের সময় ড. মূহাম্মদ ইউনূস

‘‘অপসারণের মুখে দ্য হোলি ম্যান'' - মিউনিখ থেকে প্রকাশিত দৈনিক স্যুদডয়চে সাইটুং এই শিরোনামের আওতায় লিখছে: ‘‘নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী এবং ক্ষুদ্র ঋণ-এর জনক মুহাম্মদ ইউনূস তাঁর দেশবাসীর কাছে এক আদর্শ পুরুষ হিসেবে নন্দিত হয়েছেন৷ এবার তাঁকে গ্রামীণ ব্যাংকের নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা হচ্ছে৷''

ইউনূস'এর ক্ষুদ্রঋণ সংক্রান্ত ধ্যানধারণা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ার কথা উল্লেখ করে পত্রিকা লিখছে: ‘‘প্রবলভাবে আত্মবিশ্বাসী, সদা হাস্যমুখ এই ছোটখাটো মানুষটি জোর দিয়ে বলে এসেছেন যে, বিশ্বের দারিদ্র্যকে মিউজিয়ামে নির্বাসিত করার মত ক্ষমতা ধরে ক্ষুদ্রঋণ৷ করে তুলতে পারে তাকে প্রদর্শনের জিনিস, সত্যিকারের জীবনে যার কোন স্থান থাকবে না৷ ... ২০০৬ সালে দরিদ্রতম মানুষদের ক্ষুদ্রঋণ দেয়ার উদ্যোগের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করা হয়৷ ইউনূস বাংলাদেশে এবং একই সাথে বিশ্বের বাকি অংশে এক পূণ্যাত্মা হিসেবে নন্দিত হয়েছেন৷''

Mikrokredite Mali: Rückzahlung

আফ্রিকার মালি’তে ক্ষুদ্রঋণ

অধ্যাপক ইউনূসকে তাঁর প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংকের শীর্ষ পদ থেকে সরিয়ে দেয়ার সরকারি উদ্যোগের পিছনে কারণটা রাজনৈতিক বলে মনে করে দৈনিক স্যুদডয়চে সাইটুং৷ পত্রিকার মতে, ২০০৭ সালে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই-এর লক্ষ্য নিয়ে নাগরিক শক্তি দল গঠন করে তিনি রাজনৈতিক মহলের বিরাগভাজন হন৷

বার্লিন থেকে প্রকাশিত দৈনিক টাগেসসাইটুং - টাৎস'ও মনে করে যে ইউনূস'কে গ্রামীণ ব্যাংক থেকে সরিয়ে দেয়ার যে উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার, তার কারণ রাজনৈতিক৷ ক্ষুদ্রঋণ প্রসারের ক্ষেত্রে তাঁর যুগান্তকারী ভূমিকার কথা উল্লেখ করে পত্রিকা লিখছে: ‘‘ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংক সেই সব মানুষের কাছে ক্ষুদ্রঋণকে জনপ্রিয় করে তুলেছেন যারা একসময় ঋণ পাওয়ার যোগ্য বলেই বিবেচিত হতো না৷ আজ বাংলাদেশে গ্রামীণ ব্যাংকের গ্রহীতার সংখ্যা ৮০ লাখেরও বেশি এবং তার ৯৭ শতাংশই নারী৷ ২০০৬ সালে ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে পান নোবেল শান্তি পুরস্কার৷''

Genossenschaftlich organisierte Kaffeplantagen

দক্ষিণ আমেরিকার পেরু’তে ক্ষুদ্রঋণ

টাগেসসাইটুং আরো লিখছে: ‘‘ইউনূস ও গ্রামীণ আজও পশ্চিমের উন্নয়ন সাহায্য মহলে দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াই-এর এক ব্রহ্মাস্ত্র বলে প্রশংসিত৷ তাদের আছে প্রভাবশালী বন্ধুরা৷ আয়ারল্যান্ডের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট মেরি রবিনসনের নেতৃত্বে গঠিত হয় ‘‘ফ্রেন্ডস অফ গ্রামীণ'' গোষ্ঠী৷ বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রেসিডেন্ট জেমস ওলফেনজনও তার সঙ্গে যুক্ত৷ তাঁরা মনে করেন, ইউনূস ও গ্রামীণ এক ‘তথ্য বিকৃতি অভিযান'এর শিকার৷''

প্রতিবেদন: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন