1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

প্রথম রাউন্ডে এগিয়ে গেলেন ম্যার্কেল

জার্মানির অন্যতম জনবিরল এক রাজ্যের নির্বাচন যে আন্তর্জাতিক মঞ্চেও নজর কাড়তে পারে, এমনটা ভাবা কঠিন৷ কিন্তু সারলান্ড রাজ্যে চ্যান্সেলর ম্যার্কেলের সিডিইউ দলের জয়কে আগামী দিনের সংকেত হিসেবে দেখছেন অনেক পর্যবেক্ষক৷

ব্রেক্সিট এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জয়ের পর অনেকেই জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলকে ‘লিডার অফ দ্য ফ্রি ওয়ার্লড' বা পশ্চিমা বিশ্বের মুক্ত গণতান্ত্রিক জগতের সবচেয়ে শক্তিশালী নেতা এবং আশার আলো হিসেবে দেখছেন৷ ফ্রান্সে আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে চরম দক্ষিণপন্থি শিবিরের শক্তিশালী অবস্থানের প্রেক্ষাপটে ম্যার্কেলের গুরুত্ব আরও বেড়ে যাচ্ছে৷ সেই ম্যার্কেল আগামী সেপ্টেম্বর মাসে জার্মানিতে সাধারণ নির্বাচনের পরেও ক্ষমতায় থাকতে পারবেন কিনা, তার উত্তর শুধু জার্মানি নয়, গোটা বিশ্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ৷

পরপর ৩ বার তিনি সহজেই সরকার গড়তে পেরেছেন৷ কিন্তু এবার তাঁর প্রতিপক্ষ জনমত সমীক্ষায় বেশ এগিয়ে গেছেন৷ সামাজিক গণতান্ত্রিক দল এসপিডি-র চ্যান্সেলর পদপ্রার্থী মার্টিন শুলৎস ম্যার্কেলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারেন৷ সেপ্টেম্বরের সাধারণ নির্বাচনের আগে বেশ কয়েকটি রাজ্যের নির্বাচন দুই শিবিরের শক্তির রসায়ন স্থির করে দেবে বলে অনেকে মনে করছেন৷ সারলান্ড রাজ্যের নির্বাচনে সিডিইউ দল ১-০ গোলে এগিয়ে যাওয়ায় আপাতত স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারলেন ম্যার্কেল৷ প্রতিদ্বন্দ্বী শুলৎস পরাজয় মেনে নিয়ে সিডিইউ দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন৷

সাধারণ নির্বাচন পর্যন্ত ম্যার্কেলের শিবির এই সাফল্য ধরে রাখতে পারবে কিনা, তা নিশ্চিত নয়৷ বিশেষ করে জার্মানির সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য নর্থরাইন ওয়েস্টফেলিয়া রাজ্যে আগামী মে মাসের নির্বাচনে এসপিডি দলের জয়ের সম্ভাবনা এখনো উজ্জ্বল৷ সাধারণ নির্বাচনে জোটের সমীকরণের উপর আগামী সরকার গড়ার চাবিকাঠি নির্ভর করে৷ এখনো পর্যন্ত বিতর্কিত বাম দল ‘ডি লিংকে' অচ্ছুৎ হয়ে ছিল৷ ফেডারেল স্তরে এসপিডি দল তাদের সঙ্গে জোট গড়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়ে এসেছে৷ এবার সেই ছুৎমার্গ ত্যাগ করলে বার্লিনে এসপিডি ও সবুজ দলের সঙ্গে বামেরা যোগ দিলে সরকার গড়ার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারে৷ তবে ভোটাররা এমন সম্ভাব্য জোট কীভাবে দেখবেন, তা বলা কঠিন৷

এসবি/এসিবি (এএফপি, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়