1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

‘‘প্রথম ছবি তোলা সাংবাদিকই শুধু সন্দেহভাজন হবে কেন?''

প্রায় এক মাস আগে সিলেটে খুন হয়েছিলেন মুক্তমনা ব্লগের ব্লগার অনন্ত বিজয় দাস৷ এই ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসাবে সিলেটের এক আলোকচিত্র সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করে সাত দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)৷

বাংলাদেশে ডয়চে ভেলের কন্টেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ইদ্রিস আলী (২৪) ‘সবুজ সিলেট' পত্রিকার আলোকচিত্রী৷ পাশাপাশি দৈনিক সংবাদেও কাজ করেন তিনি৷

সিআইডি-র বিশেষ সুপার আব্দুল্লাহেল বাকি বিডিনিউজকে জানান, ‘‘সন্দেহভাজন হিসাবে ইদ্রিসকে আটক করা হয়েছে৷ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হত্যাকাণ্ডের তথ্য পাওয়া যাবে বলে আমাদের ধারণা৷ এ কারণে তাঁকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে৷''

সিলেট গণজাগরণ মঞ্চের সংগঠক অনন্ত হত্যা মামলায় আলোকচিত্র সাংবাদিককে গ্রেপ্তারের খবরটি ফেসবুক পাতায় শেয়ার করেছে গণজাগরণ মঞ্চ

এই মামলায় একজনের গ্রেপ্তার হওয়ার খবরে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সুশান্ত দাশগুপ্ত৷ নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে তিনি নিজেকে আওয়ামী লীগের একজন সামাজিক মাধ্যম অ্যাক্টিভিস্ট হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন৷

মুনাজির হুসেইন সৈয়দ নামে এক টুইটার ব্যবহারকারী একটি গণমাধ্যমের খবর শেয়ার করেছেন৷ প্রতিবেদনটিতে একটি ছবি প্রকাশ করে দাবি করা হয়, ঐ ছবির সূত্রেই আলোকচিত্র সাংবাদিককে আটক করা হয়েছে৷

এদিকে, আলোকচিত্র সাংবাদিকের গ্রেপ্তার হওয়ার খবরে ফেসবুকে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সহিদুজ্জামান পাপলু ৷ নিজের পরিচয় হিসেবে তিনি নিজেকে ছাত্র ইউনিয়নের সিলেট জেলা সংসদের সভাপতি বলে উল্লেখ করেছেন৷ পাপলু লিখেছেন, ‘‘... কচ্ছপ গতির প্রশাসন খুনি খুঁজে বের করার একটা অবলম্বন পেয়েছে৷ কিন্তু এটাই কি চূড়ান্ত কোনো কিছু৷ যদি আগামীতে ছবি তোলার অপরাধে সকল সাংবাদিককে প্রথম সন্দেহভাজন ধরে নেয়া হয়৷ এটাও একটা বড় প্রশ্ন৷''

সিলেট শহরে শিবিরের ছেলেদের পদচারণা বাড়ছে দাবি করে পাপলু বলেন, ‘‘বাইকে, রিক্সায়, গাড়িতে, বাড়িতে, বাজারে সব জায়গায় এখন তাদের পাওয়া যায়৷ অনন্ত হত্যার পর আমার দেখা মিনিমাম চারদিন তাদের আমার পেছনে বা সামনে সন্দেহভাজন চলাফেরা দেখতে পেয়েছি৷ কিন্তু এরা প্রত্যেকেই এখন বিভিন্ন নৃশংস কর্মকাণ্ডের জন্য কারাগারে থাকার কথা৷ কিন্তু এখানে ব্যতিক্রম৷ খালি একটা পয়েন্ট ধরে তো এগোলে হবে না৷ প্রথম ছবি তোলা সাংবাদিকই শুধু সন্দেহভাজন হবে কেন? এলাকার মৌলবাদি গোষ্ঠীর অনেকেই না কেন?'' তবে অন্তত একজনকে গ্রেপ্তার করায় প্রশাসনকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন তিনি৷

কামরুল আহসান ফটোগ্রাফার গ্রেপ্তারের খবরটি ফেসবুকে শেয়ার করে লিখেছেন, ‘‘আঁতাত তাত্ত্বিকদের উদর এত সহজে পূর্তি হচ্ছে না নিশ্চিত৷ আশা করি ঘটনার সাথে জড়িত সবাই ধরা পড়বে৷''

একজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও তাঁর বিচারকার্য সম্পাদন নিয়ে যেন কিছুটা সন্দেহ প্রকাশ করলেন আতাহার বাদশা৷ কেননা ফেসবুকে শেয়ার হওয়া এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদনের নীচে তাঁর মন্তব্য ছিল এরকম, ‘‘এ সরকার উদ্যোগহীন...তাই বিচারকার্যের আশা ক্ষীণ৷''

সংকলন: জাহিদুল হক

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়