1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

প্রথম চুম্বনের ভিডিও দেখলেন ৬ কোটি মানুষ

তাঁরা একে অপরের অপরিচিত৷ বলা যায়, ক্যামেরার সামনেই প্রথমবার দেখা৷ এই অপরিচত মানুষদের একে অপরকে চুমু খেতে বলা হয়৷ শুরুতে জড়তা থাকলেও তাঁরা সেটা ভালোভাবেই করেন৷ ইন্টারনেটে এই ভিডিও ইতিমধ্যে দেখেছেন ৬ কোটি মানুষ৷

চলচ্চিত্র পরিচালক টাটিয়া পিলিয়েভার তৈরি সাড়ে তিন মিনিটের ভিডিওটি ইউটিউবে প্রকাশ হয় ১০ই মার্চ৷ ‘ফার্স্ট কিস' বা ‘প্রথম চুম্বন' শিরোনামের এই আয়োজনে ২০ জন একেবারে অপরিচিত মানুষকে দশটি গ্রুপে ভাগ করে একে অপরকে চুমু দিতে বলা হয়৷ বিভিন্ন বয়সের, এমনকি সমকামী নারী এবং পুরুষরাও এতে অংশ নেন৷ মাত্র এক সপ্তাহে ভিডিওটি ইন্টারনেটে দেখেছেন ৬ কোটি মানুষ৷

তবে এই আয়োজন নিয়ে বিতর্কও শুরু হয়ে গেছে৷ শুরুতে ভিডিওটি নেহাতই সাধারণ মনে হলেও এখন গণমাধ্যম জানাচ্ছে যে, এটা আসলে একটি ‘বিজ্ঞাপন'৷ হাফিংটন পোস্ট জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস ভিত্তিক এক পোশাক নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের জন্য এটা তৈরি করা হয়৷ বিজ্ঞাপনে অংশ নেয়াদের মধ্যে অভিনেতারাও ছিলেন৷

ভিডিওটি তৈরির সঙ্গে সম্পৃক্ত ফ্যাশন ডিজাইনার মেলিসা ককার অবশ্য জানিয়েছেন, বিজ্ঞাপন হলেও এটা আসল এবং চমৎকার৷ ভিডিওতে যাঁরা কাজ করেছেন তাঁরা স্বেচ্ছাসেবী এবং সত্যিকার অর্থেই একে অপরকে চিনতেন না৷ ‘হলিউড গসিপকে' এ কথাই জানিয়েছেন তিনি৷

ককার স্বীকার করেছেন, লস অ্যাঞ্জেলসে অনেক অভিনেতা, অভিনেত্রী বসবাস করেন৷ তাই বিজ্ঞাপনে অংশ নেয়াদের মধ্যে তাঁদের থাকা অস্বাভাবিক নয়৷

তবে বিতর্ক যাই হোক, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে এখনও শেয়ার হচ্ছে এই ‘ফার্স্ট কিস'৷ এ নিয়ে টুইটারেও মন্তব্য করছেন অনেকে৷ এছাড়া ইউটিউবে ভিডিওটি সোমবার পর্যন্ত পছন্দ করেছেন প্রায় তিন লাখ মানুষ৷ অন্যদিকে অপছন্দ ৩০ হাজার জনের৷ এছাড়া এতে মন্তব্য জমা পড়েছে ৩৫ হাজারেরও বেশি৷ আর অধিকাংশ মন্তব্যে ভিডিওটিকে সুন্দর বলা হয়েছে৷

উল্লেখ্য, এর আগে ২০১২ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও তাঁর স্ত্রী মিশেল ওবামার এক আলিঙ্গনের ছবি ফেসবুক, টুইটারে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়ে৷ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দ্বিতীয়বার জয়ের খবর শোনার পর স্ত্রী মিশেলকে জড়িয়ে ধরেন সন্তুষ্ট ওবামা, যা ছিল একেবারে নিখাদ ভালোবাসার আলিঙ্গন৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন