1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

প্রথম কৃত্রিম জীবন্ত কোষ সৃষ্টিতে সাফল্য পেলেন বিজ্ঞানীরা

প্রথমে তাঁরা একটি ব্যাকটেরিয়ার জেনেটিক সফ্টওয়্যার তৈরী করেন এবং সেটি অন্য এক ব্যাকটেরিয়ার কোষে প্রতিস্থাপন করেন৷ এবং পরে একে একে এই জেনম একটি থেকে আরেকটি ব্যাকটেরিয়ায় প্রতিস্থাপিত করা হয়৷

default

কৃত্রিম কোষ সৃষ্টির গবেষণা অনেকটা এগিয়ে গেল

কৃত্রিম জীবন্ত কোষ সৃষ্টি, ভাবতেই অবাক লাগে তাইনা? হ্যাঁ, ঠিক সেই তাক লাগানো গবেষণাতেই সাফল্য পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীরা৷ তাঁরা বলছেন, বিজ্ঞানের যুগান্তকারী এই সাফল্যের মাধ্যমে ওষুধ এবং জ্বালানি তৈরী ছাড়াও, এই ব্যাকটেরিয়া কোষগুলো গ্রীণহাউস গ্যাসও শুষে নিতে পারবে৷ তবে এই সাফল্যে কৃত্রিম ভাবে গঠিত প্রাণীসত্তার কিছু বিপদও রয়েছে বলে সমালোচকরা ইতোমধ্যেই বলাবলি শুরু করেছেন৷

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যারিল্যান্ড এবং ক্যালিফোর্নিয়ার জে ক্রেইগ ভেন্টার ইন্সটিটিউটের ড. ক্রেইগ ভেন্টার এই গবেষণায়, গবেষক দলের নেতৃত্ব দেন৷ তিনি এবং তাঁর বাইশজন সহযোগী বলছেন, প্রথমে তাঁরা একটি ব্যাকটেরিয়ার জেনেটিক সফ্টওয়্যার তৈরী করেন এবং সেটি অন্য এক ব্যাকটেরিয়ার কোষে প্রতিস্থাপন করেন৷ এবং পরে একে একে এই জেনম একটি থেকে আরেকটি ব্যাকটেরিয়ায় প্রতিস্থাপিত করা হয়৷ সেই ব্যাকটেরিয়ার ডিএনএ আগেই ছিল খালি করে রাখা৷ এখন গবেষকরা এই দুটি প্রক্রিয়াকে এক সঙ্গে করে এটিকে একটি নতুন কৃত্রিম কোষ বলে অভিহিত করছেন৷ যে কোষের রয়েছে কৃত্রিমভাবে সৃষ্টি করা প্রাণের অস্তিত্ব৷ আসল চমকটা এখানেই৷

ড. ভেন্টার বলেন, আমাদের কৃত্রিম ক্রোমোজমগুলোকে এখন আমরা ব্যবহার করতে পারবো৷ একেই আবার পৃথক প্রাণীসত্তার প্রাপক কোষে বসিয়ে দিতেও পারবো৷ তিনি বলেন, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই নতুন সফ্টওয়্যার কোষে যাবে, কোষটি তাকে বুঝতে পারবে আর পরিশেষে এই নতুন জীব প্রজাতিটিকে আলাদা করে জেনেটিক কোডে স্থানান্তর করবে৷ ড. ভেন্টার বলেন, প্রথম বারের মত কোন কৃত্রিম ডিএনএ একটি কোষে সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে৷ এই সৃষ্টি আসলে এক নতুন বিপ্লব৷ এভাবেই লক্ষ লক্ষ ডিএনএ প্রতিস্থাপন করে পূর্ণাঙ্গ প্রাণীও বানানো যাবে কোন একদিন৷ ড. ভেন্টারের দাবি, এ সেই যাত্রারই সূত্রপাত৷

অথচ সমালোচকরা তো কথা বলতে ছাড়বেন না, কারণ এ যে আসলে সেই ‘খোদার ওপর খোদকারী'৷

প্রতিবেদন: ফাহমিদা সুলতানা

সম্পাদনা: সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়

সংশ্লিষ্ট বিষয়