1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

যুক্তরাষ্ট্র

প্রথমেই টিপিপি বাণিজ্য চুক্তি থেকে সরে দাঁড়াবেন ট্রাম্প

‘প্রেসিডেন্ট-ইলেক্ট' ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর নির্বাচনি প্রচার অভিযানেই ঘোষণা করেছিলেন যে, প্রেসিডেন্ট হলে যুক্তরাষ্ট্রকে ট্রান্স-প্যাসিফিক পার্টনারশিপ চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করবেন৷ দৃশ্যত সেটা ফাঁকা হুমকি ছিল না৷

ট্রাম্প এবার একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন, যাতে তিনি বলছেন, ২০১৭ সালের ২০শে জানুয়ারি, অর্থাৎ প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাঁর কর্মকালের প্রথম দিনে তিনি কী কী নির্দেশ দেবেন৷ তার মধ্যে থাকবে টিপিপি বাণিজ্য চুক্তি থেকে পশ্চাদপসারণের বিষয়টিও৷ এটা ঘটবে প্রেসিডেন্সিয়াল এক্সিকিউটিভ অর্ডারের মাধ্যমে৷ ইতিপূর্বে ট্রাম্প বারোটি দেশের এই বাণিজ্য চুক্তিকে যুক্তরাষ্ট্রে চাকুরি বিনষ্ট করার একটি ‘বিপর্যয়' বলে অভিহিত করেছেন৷

ট্রাম্প তাঁর ভিডিও বার্তায় বলেছেন, ‘‘আমি আমার ট্রানজিশন টিমকে সেই সব নির্বাহী পদক্ষেপের একটা তালিকা তৈরি করতে বলেছি, যা আমরা প্রথম দিনেই নিতে পারব৷ বাণিজ্যের ক্ষেত্রে আমি ট্রান্স-প্যাসিফিক পার্টনারশিপ থেকে প্রত্যাহার করার অভিপ্রায়ের নোটিশ দেব৷'' ঐ টিপিপি বাণিজ্য চুক্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘একটি সম্ভাব্য বিপর্যয়' বলে উল্লেখ করেছেন তিনি৷ তিনি জানান, ‘‘তার পরিবর্তে আমরা ন্যায্য, দ্বিপাক্ষিক সব বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদন করব, যা অ্যামেরিকায় চাকরি ও শিল্প ফিরিয়ে আনবে৷''

প্রেসিডেন্ট হিসেবে বারাক ওবামার কর্মকালের একটি বড় কর্মকাণ্ড ছিল এই টিপিপি বাণিজ্য চুক্তি৷ ওবামা চেয়েছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও এশিয়ার দেশগুলির মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরো জোরদার করতে৷ এছাড়া টিপিপির পর ইউরোপীয় দেশগুলির সঙ্গে টিটিআইপি ইত্যাদি উত্তরোত্তর বাণিজ্য চুক্তির পরিকল্পনাও ছিল৷ কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বহু ভোটারের ধারণা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে যে বহু চাকুরি বিদেশে আউটসোর্স করা হচ্ছে, তার জন্য এই সব আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চুক্তিই দায়ী৷

ট্রাম্পের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন  জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে৷ তিনি মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ ছাড়া টিপিপি অর্থহীন হয়ে পড়বে৷ টিপিপি নেতৃবর্গ সপ্তাহান্তে লিমায় মিলিত হন৷ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বাদ দিয়ে টিপিপিকে বলবৎ করার ব্যাপারে সেখানেও কোনো আলোচন হয়নি, বলে আবে জানান৷ অপরদিকে তিনি বলেন যে, চুক্তিটি নিয়ে পুনরায় আলাপ-আলোচনা চালানোর কোনো প্রশ্ন ওঠে না৷

ট্রাম্প তাঁর ভিডিও বার্তায় অভিবাসন নিয়েও মন্তব্য করেছেন৷ ‘‘অভিবাসনের ক্ষেত্রে যেসব ভিসা কর্মসূচির ফলে মার্কিন শ্রমিকরা তাদের চাকুরি হারাচ্ছে, আমি শ্রম মন্ত্রণালয়কে সেই সব ভিসা কর্মসূচি পরীক্ষা করে দেখতে বলব,'' এই হলো ট্রাম্পের ঘোষণা৷

অনুরূপভাবে জ্বালানি শক্তির ক্ষেত্রে পরিবেশগত উদ্বেগ প্রত্যাখ্যান করে ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ফ্র্যাকিং সংক্রান্ত নিয়মাবলীসহ যাবতীয় ‘‘চাকুরি-খাওয়া বাধানিষেধ'' বাতিল করবেন৷

এসি/এসিবি (এএফপি, এপি, ডিপিএ, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়