1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

প্রতিবন্ধীদের মনে আশা জাগাচ্ছে ‘আবারো হাঁটা’

শারীরিক প্রতিবন্ধী বা পক্ষাঘাতগ্রস্ত জন্য এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা৷ তৈরি করেছেন রোবটচালিত পা যা পরিচালনা করা যাবে মস্তিষ্কের তরঙ্গের মাধ্যমে৷ বিজ্ঞানীদের এই উদ্ভাবন ইতোমধ্যে সাড়া জাগিয়েছে৷

default

‘ওয়াক এগেইন' প্রকল্পের একটি ছবি

হুইলচেয়ার ছাড়া তাদের জীবন এতকাল প্রায় অচল ছিল৷ তবে মিগুয়েল নিকোলেলিসের এক প্রকল্প পরিস্থিতি বদলে দিচ্ছে৷ প্রকল্পের নাম ‘ওয়াক এগেইন' বা ‘আবারো হাঁটা'৷ এমনকি বিশ্বকাপের উদ্ভোধনীতে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল এই প্রকল্প৷ রোবটচালিত নকল পা ব্যবহার করে বলে শট নিয়েছিলেন এক পক্ষাঘাতগ্রস্ত ব্যক্তি৷

এই রোবট পা প্রতিবন্ধীদের আবারো হাঁটতে সহায়তা করছে৷ আর এটি পরিচালিত হয় মস্তিষ্ক থেকে পাওয়া তরঙ্গের ভিত্তিতে৷ নকল পায়ের নাম: বিআরএ সান্তোস ডুমমোন্ড ১৷

এমন পা তৈরিতে সতের মাস কাজ করেছেন বিজ্ঞানীরা৷ তবে গবেষণা শুরু হয়েছিল বহু আগে৷ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গবেষকরা একত্রে কাজ করেছেন৷ ‘ওয়াক এগেইন' প্রকল্পের মিগুয়েল নিকোলেলিস এই বিষয়ে বলেন, ‘‘এটা এক সম্মিলিত উদ্যোগ৷ গত ৩০ বছর প্রাণীদের দিয়ে এ বিষয়ে গবেষণা করা হয়েছে৷ সেই গবেষণা থেকে প্রাপ্ত জ্ঞান আমরা গত চার বছর ক্লিনিক্যাল টেস্টে কাজে লাগিয়েছি৷ আমরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গবেষকদের সঙ্গে কাজ করেছি: জার্মানি, সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স, ব্রাজিল...মোট ২৫টি দেশ৷''

প্রতিবন্ধী ব্যক্তি বা ব্যবহারকারীর মাথায় থাকা ক্যাপের মাধ্যমে মস্তিষ্কের তরঙ্গ রোবট চালিত নকল পায়ে পৌঁছায়৷ ইলেকট্রিক সিগন্যাল এভাবে চার্ট তৈরি করে৷ প্রক্রিয়াটি জটিল৷

নিকোলেলিস বলেন, ‘‘নকল পায়ের উপরের অংশে রয়েছে ককপিট৷ আর রোগীর মাথায় থাকা ক্যাপ মস্তিষ্কের কার্যকলাপের দিকে নজর রাখে৷ মস্তিষ্ক মোটর সংক্রান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নিলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এমপ্লিফায়ারে লিপিবদ্ধ হয়৷ আর সিগন্যাল শনাক্ত করা গেলে নকল পায়ের সঙ্গে যুক্ত কম্পিউটার সেটি পর্যালোচনা করে এবং ব্যবহারকারীর ইচ্ছা বোঝার চেষ্টা করে৷

তিনি বলেন, ‘‘উদাহরণস্বরুপ হাঁটা কিংবা শ্যুটের কথা বলা যায়৷ রোগীর সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে রোবটটি নিতম্ব, হাঁটু এবং পায়ের গতিবিধি নির্ধারণ করে৷ নকল পায়ের বিভিন্ন অংশ সম্মিলিতভাবে পদক্ষেপ নেয়, ঠিক যেমনটা ব্যবহারকারী চান৷''

তবে নিরাপদে হাঁটতে হলে ব্যবহারকারীকে মাটির স্পর্শও অনুভব করতে হবে৷ বিজ্ঞানীরাও বিষয়টি বিবেচনায় রেখেছেন৷ এজন্য তারা কৃত্রিম চামড়া তৈরি করেছেন৷ এই চামড়ায় বিশেষ সেন্সর বসানো রয়েছে যা চাপ, তাপমাত্রা এবং গতি শনাক্তে সক্ষম৷ রোবটচালিত কৃত্রিম পায়ের তলায় তা যুক্ত আছে৷

মনে হতে পারে হলিউড সিনেমা থেকে বোধহয় এমন প্রকল্পের উদ্ভব৷ বিজ্ঞান আর ব্রাজিলের জন্য এটি আরেক সম্ভাবনা৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক