1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

প্রতিদিন ৫০ কোটি টাকা নেশায় অপচয় হয়ে যায়

ক্ষমতা যতই থাকুক প্রমাণ পেলে কারও রেহাই নেই৷ বলেছেন, অর্থমন্ত্রী৷ দেশে মোট ৫০ লক্ষ মাদকাসক্ত মানুষ রয়েছেন আর নেশায় অপচয় হচ্ছে দিনে ৫০ কোটি টাকা৷ আজকের খবরাখবর৷

default

অর্থমন্ত্রী মুহিত

‘প্রমাণ মিললে কারও রেহাই নেই'- মুহিত

বিডিনিউজ টোয়েন্টি ফোর সহ সবকটি সংবাদপত্রের আজকের শিরোনাম পুঁজিবাজার কেলেংকারির তদন্ত৷ বিডিনিউজ বলছে, পুঁজিবাজারের অস্থিরতার পেছনে কয়েকজন ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেছে এ সংক্রান্ত তদন্ত কমিটি৷ তবে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জানিয়েছেন, এসব নাম এই মুহূর্তে প্রকাশ করা হবে না৷ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এ কথা বলেন৷ মন্ত্রী জানান, স্বল্প সময়ে তদন্ত করতে গিয়ে কমিটি এসব ব্যক্তির বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ নিতে পারেনি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে৷ এ কারণে এই মুহূর্তে নাম প্রকাশ না করে তাদের বিষয়ে আরো তদন্তের সুপারিশ করেছে কমিটি৷ এ সময় একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেন- যাদের নাম এসেছে তারা কি খুবই ক্ষমতাধর? নাম প্রকাশ করলে সমস্যা হবে? জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, "পুঁজিবাজারে অস্থিরতার জন্য কোনো ব্যক্তি দায়ী হয়ে থাকলে তিনি যত ক্ষমতাধরই হোন না কেন, শাস্তি পেতেই হবে৷"

Bangladesch Investoren 2011

অর্ধশতাধিক জড়িত এই কেলেংকারির সঙ্গে

দৈনিক কালের কন্ঠ বলছে একথা৷ ওই ‘প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের সহযোগিতা করতে সংস্থাটি সব ধরনের দুর্নীতিকে অস্বাভাবিকভাবে বৈধতা দিয়েছে৷ এসইসিকে অক্ষম প্রতিষ্ঠান হিসেবে চিহ্নিত করে এর পুনর্গঠনের সুপারিশ করেছে কমিটি৷ একই সঙ্গে প্রতিবেদনে বিভিন্ন সময়ে আলোচিত অর্ধশতাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অনৈতিক তৎপরতার তথ্য-প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে৷'

নেশার পিছনে দৈনিক ৫০ কোটি টাকা ব্যয় হয়ে যাচ্ছে

অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দৈনিক কালের কন্ঠ এই সংবাদটি প্রথম পাতাতেই নিয়ে এসেছে৷ বলা হয়েছে, নেশায় অপচয় দিনে ৫০ কোটি টাকা আর দেশে মোট মাদকসেবীর সংখ্যা ৫০ লাখ৷ প্রতিবেদনটি যথেষ্ট বিস্তারিত তথ্যও দিয়েছে৷ মাদকাসক্তদের সঙ্গে কথা বলে, তাদের জীবনের করুণ পরিণতির ছবিও তুলে ধরা হয়েছে৷ বলা হচ্ছে, রাজধানীসহ সারা দেশে এ রকম অসংখ্য মানুষের সন্ধান মেলে, যাদের আজ নেশায় দিশাহারা অবস্থা৷ তারা শুধু যে নিজেরাই শেষ হচ্ছে তা নয়, ভোগাচ্ছেন পরিবার-পরিজনসহ গোটা সমাজকে৷ অস্বাভাবিক যন্ত্রণাময় জীবনের পাশাপাশি জড়িয়ে পড়ছে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে৷
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও অপরাধের ধরন বিশ্লেষণ করে চমকে যাচ্ছেন৷ তাঁদের বিশ্লেষণে পাওয়া যাচ্ছে, হত্যাকাণ্ড, ইভ টিজিং, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, ধর্ষণসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধের নেপথ্যের কারণ বেশির ভাগ মাদকাসক্তি৷ নেশার টাকা জোগাড় করতেই এসব অপরাধে জড়াচ্ছে তারা৷ ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার বেনজির আহমেদেরও মত, 'মাদকই সব অপরাধের জন্মদাতা৷' মনোরোগ বিশেষজ্ঞরাও বলছেন, মাদক সেবন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হলে অপরাধ অনেকাংশে কমে যাবে৷

সংকলন : সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়

সম্পাদনা : জান্নাতুল ফেরদৌস

সংশ্লিষ্ট বিষয়