1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

ভাইরাল ভিডিও

প্যাঁচা যখন সাঁতার কাটে

অ্যাঁ? একি রূপকথার গপ্পো, না ঈশপের কাহিনি যে, পাখি সাঁতার কাটবে? কিন্তু দিন তিনেক আগে মার্কিন মুলুকে ঠিক তা-ই ঘটেছে৷ প্রথম তিন দিনেই তার ভিডিও দেখেছেন আড়াই লাখ মানুষ...

অ্যারিজোনা আর উটার মাঝে লেক পাওয়েল, অর্থাৎ পাওয়েল হ্রদ এলাকায় হাইকিং করছিলেন একদল হাইকার৷ পায়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন একটি ক্যানিয়ন বা খাড়ি বেয়ে৷ দু' পাশে পাথরের দেয়াল, মাঝখান দিয়ে বয়ে যাচ্ছে জলধারা; খুব বেশি গভীর নয়; হাইকাররা পানিতে পা ডুবিয়ে হেঁটে যেতে পারছিলেন, কিছুটা গেলেই আবার শুকনো ডাঙা পাওয়া যাবে...

ততদূর যেতে হলো না৷ তার আগেই চোখে পড়ল একটি অদ্ভূত প্রাণি সাঁতরাচ্ছে৷ সাঁতরাচ্ছে না ‘উড়ছে' বলা শক্ত৷ বোঝা গেল প্রাণিটি একটি পাখি৷ আরো ঠিক করে বললে একটি গ্রেট হর্নড আউল, অর্থাৎ প্যাঁচা৷ তবে বয়স কম৷ পাখায় এখনো কাঁচাবয়সের পালক দেখা যাচ্ছে৷ আসল কথা হলো, প্যাঁচাটি জলের ওপর পাখা মেলে, ধীরে ধীরে বাতাস কাটার মতো জল কেটে ভেসে চলেছে – মানে সাঁতার দিচ্ছে৷

জীবজগতে সাঁতার দেওয়াটা খুব বড় কথা নয়৷ বাঘ-সিংহ, সারমেয় কিংবা হাতি, সকলেই জলে পড়লে এমনভাবে হাত-পা নাড়ে, যেন শুকনো ডাঙার ওপর দিয়ে যাচ্ছে৷ তাতেই সাঁতারের কাজ হয়৷ মাছরাঙা থেকে শুরু করে সাগরের পাখি, অনেকেই ডুবসাঁতার দিতে পারে৷ সাগরের পাখিরা ওপর থেকে জলে ঝাঁপ খেয়ে মাছ ধরে; পরে জলের তলায় পাখা সাপটে ওপরে উঠে আসে৷ এক কথায় বাতাস বা পানি, মাধ্যম যা-ই হোক না কেন, পাখা ঝাপটালে ভাসা যায়, ওঠা যায়, এগোনো যায়৷ পাখিরা ওসব নিয়ে অত ভাবে না – তাদের তো আর বায়োলজি কিংবা ফিজিক্সের পরীক্ষা দিতে হবে না!

তাই ‘ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক'-এ প্রকাশিত এই ভিডিওটিতে আমাদের ‘নট-সো-গ্রেট' হর্নড আউল খাড়ির জলে পড়ে কী আর করে৷ পাখা ভেজা৷ ওদিকে প্যাঁচারা হলো শুকনো ডাঙার এয়ারোপ্লেন৷ হাইড্রোপ্লেনের মতো তারা জল থেকে আকাশে উঠতে পারে না৷ সেজন্য প্রথমে জল ছেড়ে বেরিয়ে পাখা শুকানো দরকার...

খাড়িটা চওড়া হয়ে খানিকটা বালির চর দেখা দিলে আমাদের প্যাঁচাটিও ঠিক তাই করল৷ একবার শুধু ৩৬০ ডিগ্রি মাথা ঘুরিয়ে যারা ভিডিও তুলছিল, তাদের দেখে নিল৷ ভাবটা এমন ‘‘প্যাঁচাদের সাঁতার কাটতে দেখোনি কখনো? মানুষ যে জলে হাঁটে, আমিও এমনধারা দেখিনি কখনো!''

এসি/এসিবি

নির্বাচিত প্রতিবেদন