1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি ইউরোপ

পোশাক তৈরিতে রাসায়নিকের ব্যবহার কমছে

পোশাক তৈরিতে প্রস্তুতকারকরা আগে যে পরিমাণ রাসায়নিক ব্যবহার করতেন, দৃশ্যত এখন আর তা করছেন না, বলে জানিয়েছে গ্রিনপিস পরিবেশ সংগঠন৷

বিশ্বখ্যাত ফ্যাশন হাউসরাও আছে ঐ দলে: সারা বিশ্বের নদীগুলোকে বিষাক্ত রাসায়নিকের নালায় পরিণত করার পিছনে তাদের অবদানও কম নয়৷ কিন্তু বহুদিনের আন্দোলনে দৃশ্যত কিছুটা কাজ হয়েছে: বহু ফ্যাশন চেইন তাদের টি-শার্ট বা প্যান্টে রাসায়নিকের অবশিষ্ট কমানোর জন্য উৎপাদনকারীদের উপর চাপ দিচ্ছে – এ কথা জানিয়েছে ‘গ্রিনপিস'

সেই উৎপাদনকারীদের অধিকাংশের বাস বিদেশে৷ সেখানে কিন্তু এই অংশত ক্যানসার সৃষ্টিকারী রাসায়নিকগুলি নির্বিচারে নদীর জলে গিয়ে পড়ছে৷ আবার ‘গার্মেন্টস' হয়ে শো'রুমে পৌঁছনোর পরেও, ক্রেতা সেই পরিধেয় বস্ত্র ধোয়ার সময়েও তা থেকে রাসায়নিকের অবশিষ্ট বেরতে পারে৷

কেউ বাদ নেই

২০১২ সালের গ্রীষ্মে গ্রিনপিস ২৯টি দেশ থেকে আসা ১৪১টি জামাকাপড় ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করায়৷

Greenpeace Logo

রাসায়নিকের ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে বলে মনে করছে গ্রিনপিস

তার মধ্যে ছিল জিনস, প্যান্ট, ড্রেস, টি-শার্ট ও আন্ডারওয়্যার৷ যে সব ফ্যাশন হাউসের এই সব পণ্য, তারা বস্তুত বিশ্বখ্যাত: আর্মানি, বেনেটন, সিঅ্যান্ডএ, ক্যালভিন ক্লাইন, ডিজেল, এস্প্রি, গ্যাপ, এইচঅ্যান্ডএম, জ্যাকঅ্যান্ডজোনস, লিভাইজ, ম্যাঙ্গো, মিটার্সবনউয়ি, ওনলি, টমি হিলফিগার, ভেরো মোডা, ভিক্টোরিয়া'স সিক্রেট এবং জারা৷

প্রত্যেকটি বস্ত্রে রাসায়নিক পাওয়া না গেলেও, প্রতিটি কোম্পানির পণ্যেই রাসায়নিক পাওয়া গিয়েছে – জানিয়েছে গ্রিনপিস৷ তার মধ্যে একটি, যার নাম অ্যালকুইলফেনল এথক্সিলেট বা অ্যাপিও নদী-নালায় পড়লে মাছেদের পক্ষে বিপজ্জনক একটি পদার্থ সৃষ্টি করে – এবং এই তথ্যটি অন্তত বিগত ৩০ বছর যাবৎ সর্বজনবিদিত৷ কাজেই ক্ষতিটা শুধু মানুষের স্বাস্থ্যের জন্যই নয়, পরিবেশের জন্যও বটে৷

এছাড়া এসব রাসায়নিক মূলত সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয়ভাবে প্রয়োগ করা হয়৷ এবং সেই প্রয়োগ ঘটে দূরদেশে, যেখানে বড় বড় আন্তর্জাতিক ফ্যাশন হাউসগুলির নজর কিংবা নজরদারি, দু'টোর কোনোটাই খুব কার্যকরিভাবে পৌঁছয় না৷ বিশেষ করে এইচঅ্যান্ডএম কিংবা জারা-র মতো ফাস্ট ফ্যাশন সংস্থাগুলির নীতিই হল কয়েক সপ্তাহের মধ্যে নতুন ট্রেন্ড থেকে নতুন ফ্যাশন বানিয়ে ফেলা৷ ঐ স্বল্পসময়ের মধ্যে কোথায়, পৃথিবীর কোন প্রান্তে কোন সাপ্লায়ার কোন রাসায়নিক ব্যবহার করছে, তার হিসেব রাখা সম্ভব নয়৷

আসলে সাপ্লায়ারের এই ভয়টা থাকা চাই যে, সে তার কনট্র্যাক্ট হারাতে পারে৷ মোটরগাড়ি শিল্পে গাড়ির সিটের কভার ইত্যাদিতে রাসায়নিক নিয়ে ঠিক এরকম একটি পরিস্থিতির উদ্ভাবন হয়েছিল৷ ফোর্ড গাড়ির সিট কভারে ঐ অ্যাপিও পাওয়া যায়৷ ফোর্ড তারপর সাপ্লায়ারদের হুমকি দিয়ে অ্যাপিও-র ব্যবহার বন্ধ করে৷

এবার বাকি বিশ্বেও ঠিক ঐ পন্থা অবলম্বন করা হোক, এই হলো গ্রিনপিসের বক্তব্য৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন