1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

পোশাক কারখানা পরিদর্শন নিয়ে বিভ্রান্তি

বাংলাদেশের পোশাক কারখানা পরিদর্শন নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে৷ এই বিতর্ক দুই ক্রেতা গ্রুপের মধ্যে৷ আর তাদের বিতর্কে বিপাকে পড়েছে বাংলাদেশের পোশাক কারখানার মালিকরা৷

তাঁরা বলছেন, দুটি ক্রেতা গ্রুপের মধ্যে সমন্বয় না থাকায় একই কারখানা একাধিকবার পরিদর্শন করা হচ্ছে৷ বিজিএমইএ বলছে, বিদেশি ক্রেতাদের দুটি জোটের মধ্যে সমন্বয়হীনতার ফলে একই কারখানা দু'পক্ষ থেকেই পরিদর্শনের ফলে মালিকেরা বিভ্রান্ত হচ্ছেন৷ বিষয়টি অ্যালায়েন্স স্বীকার করলেও ইউরোপীয় ক্রেতাদের জোট অ্যাকর্ড বলছে তালিকা ও মানদণ্ড মেনেই কাজ করছেন তাঁরা৷

রানা প্লাজা বিপর্যয়ের পর দেশের ৩,৫০০ পোশাক কারখানা পরিদর্শনের উদ্যোগ নেয়া হয়৷ এর মধ্যে ১,৫০০ ইউরোপীয় জোট অ্যাকর্ড এবং ৬০০ পোশাক কারখানা অ্যামেরিকান জোট অ্যালায়েন্সের তালিকায়৷ বাকি কারখানাগুলো পরিদর্শন করার কথা সরকারের৷

তবে ক্রেতাদের দুপক্ষ থেকেই একই কারখানা একাধিকবার পরিদর্শনের নজির রয়েছে৷ জানা গেছে মোট ৩০০ কারখানা দুইবার করে পরিদর্শন করা হয়েছে৷ উদাহরণ হিসেবে বলা যায় আশুলিয়ার জিরানি বাজারে বডিস্ট্রেচ কারখানা পরিদর্শন করে অ্যাকর্ড৷ এর আগেই এটি পরিদর্শন করে অ্যালায়েন্স-মনোনীত কোম্পানি ব্যুরো ভেরিটাস৷ অ্যাকর্ড বলছে, সঠিক মানদণ্ড তৈরি হবার আগেই বিদেশি ক্রেতাদের পক্ষ থেকে একবার কারখানাটি পরিদর্শন করা হয়৷ মানদণ্ড তৈরির পর তালিকায় থাকায় তাই কারখানাটিতে আবারও যায় অ্যাকর্ড৷

ইউরোপীয় ক্রেতাদের জোট অ্যাকর্ড বলছে তারা তাদের এরই মধ্যে ১,০৭৫টি কারখানা পরিদর্শন করেছে৷ তারা পরিদর্শন করা কারাখানার মধ্যে কিছু কারখানা আবারো পরিদর্শন করতে চায়৷ তারা বলছে, তাদের আরো কিছু বিষয় দেখার আছে৷ এখনো তাদের উদ্বেগের যে বিষয়গুলো আছে সে সব ব্যাপারে তারা পুরোপুরি নিশ্চিত হতে চান৷ আর মানদণ্ড ঠিক করার আগেই এককভাবে ক্রেতারা যে সব কারখানা পরিদর্শন করেছে সেগুলোও পরিদর্শন করা প্রয়োজন৷

তবে অ্যামেরিকান জোট অ্যালায়েন্স বলছে, তারা এ পর্যন্ত তাদের তালিকায় থাকা ৬০০ কারখানার পরিদর্শন শেষ করেছে এবং তাদের নতুন করে কারখানা পরিদর্শনের দরকার নেই৷ তাদের পরিদর্শনের পদ্ধতি নিয়ে অ্যাকর্ড যে প্রশ্ন তুলেছে, তা তারা মানতে নারাজ৷

বিজিএমইএ-র সহ সভাপতি শহীদুল আযিম জানান, দুই গ্রুপের মধ্যে পোশাক কারখানা পরিদর্শন নিয়ে এই সমন্বয়হীনতা এবং বিতর্কের কারণে বাংলাদেশের পোশাক কারখানার মালিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন৷ এতে কারখানার উৎপাদন যেমন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে তেমনি নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন খরচও বেড়ে যাচ্ছে৷ তিনি বলেন, এটা বিভ্রান্তিও সৃষ্টি করছে৷ তাই তিনি ক্রেতাদের দু'টি গ্রুপকে সমন্বয় করে কাজ করার অনুরোধ করেছেন৷

উল্লেখ্য এখন পর্যন্ত ১,৬০০ পোশাক কারখানা পরিদর্শন করে ২১টি বন্ধের সুপারিশ করেছে অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্স৷ ২১টি কারখানাই বন্ধ করে দেয়া হয়েছে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়