1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

পোশাক কর্মীদের কাজের উন্নত পরিবেশ চায় সিসিসি

বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের কর্মীরা যাতে ন্যায্য মজুরি পায়, তারা যাতে উপযুক্ত পরিবেশে কাজ করতে পারে তার জন্য সোচ্চার ‘ক্লিন ক্লোদস ক্যাম্পেইন’ - সিসিসি৷ ৯ নভেম্বর বার্লিনে আবার প্রচারে নামলো এই জোট৷

default

বাংলাদেশে পোশাক কর্মীদের আন্দোলন (ফাইল ফটো)

সিসিসি হল গার্মেন্টস শিল্প খাতে শ্রমিক ইউনিয়ন ও বেসরকারি সংগঠনগুলোর বৃহত্তম জোট৷ ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডস'এ গঠিত এই জোটের প্রচারাভিযান চালু রয়েছে জার্মানি, ব্রিটেন, ফ্রান্স, স্পেন সুইডেন সহ ইউরোপের ১৪টি দেশে৷ সারা দুনিয়ায় তার আছে আড়াইশোরও বেশি সহযোগী সংগঠনের এক নেটওয়ার্ক৷

বার্লিনে তার সাম্প্রতিক প্রচার কর্মসুচিতে সিসিসি উন্নয়নশীল দেশে গার্মেন্টস কর্মীদের কাজের শর্ত ও পরিবেশ উন্নত করার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নে রাজনৈতিক নিয়মবিধি চালু করার দাবি জানালো৷ তারই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের পোশাকর্মীদের প্রসঙ্গটি তুলেছে দৈনিক ‘ডি টাগেসসাইটুং' - টাৎস৷ পত্রিকা বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট শ্রমিক ইউনিয়ন কর্মীদের উক্তি উদ্ধৃত করে লিখছে যে, পয়লা নভেম্বর থেকে সর্বনিম্ন মজুরি বাড়ার কথা৷ কিন্তু সেই বাড়তি মজুরি কর্মীরা সবাই পাবে বলে আশা করেনা শ্রমিক ইউনিয়ন কর্মীরা৷

জার্মানির ডিসকাউন্টার সুপারমার্কেট লিডল অত্যন্ত সুলভ মূল্যে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক বিক্রি করে৷ এরকম চার প্রস্তুতকারী কোম্পানির মজুরি পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছেন ঢাকার খোরশেদ আলম যিনি কিনা শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে কাজ করেন৷ তাঁর উদ্ধৃতি দিয়ে ‘টাগেসাইটুং' লিখছে: এই চার কোম্পানি এতদিনকার প্রচলিত সর্বনিম্ন মজুরি দিচ্ছে বটে, তবে নিশ্চিত জীবন চালানোর উপযুক্ত মজুরি দিচ্ছেনা৷ সিসিসি'র মতে এই মজুরির অঙ্ক বাংলাদেশে ১০০ ইউরোর সমান৷ শুধু তাই নয়, এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে কাজের সর্বোচ্চ ঘন্টা অতিক্রম করা হচ্ছে, শ্রমিক ইউনিয়ন গঠনের অধিকার সীমিত করা হচ্ছে এবং মাত্রাতিরিক্ত খাটিয়েও ওভারটাইমের টাকা দেয়া হচ্ছেনা৷ হামবুর্গের এক ভোক্তাকেন্দ্র থেকে অভিযোগ ওঠার পর লিডল তার ঘোষিত সমাজমুখিতার মান নিয়ে এক বিজ্ঞাপনী প্রচার বন্ধ করে দেয়৷ সিসিসি'র একজন বিশেষজ্ঞ - গিজেলা বুর্খার্ড - মনে করেন, এবার রাজনীতিকদের নড়েচড়ে বসা উচিত৷ তিনি বলেন: ‘‘ইউরোপে সংশ্লিষ্ট নিয়মবিধির ক্ষেত্রে ফাঁকফোকর রয়েছে৷ এর ফলে এখানে সেইসব কোম্পানির বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে পারছি না আমরা যাদের সরবরাহকারীরা স্থানীয় আইনকানুন মান্য করছেনা৷''

ভাষান্তর: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়