1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

‘পোপ ফ্রান্সিস সৌদি বাদশাহর চেয়ে বেশি মুসলিম'

চলমান শরণার্থী সংকটের ক্ষেত্রে পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলির নিষ্ক্রিয় ভূমিকার বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে৷ বিশেষ করে জার্মানি ও অস্ট্রিয়ার মতো দেশের মানবিক আচরণ আরব দেশগুলির উপর চাপ সৃষ্টি করছে৷

একদিকে ‘খ্রিষ্টান' ইউরোপের একের পর এক দেশের প্রশাসন ও মানুষ সিরিয়া সহ বিভিন্ন দেশের ‘মুসলিম' শরণার্থীদের আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাচ্ছে৷ এমনকি স্বয়ং পোপ ইউরোপের খ্রিষ্টানদের শরণার্থীদের আশ্রয় দেবার আহ্বান জানাচ্ছেন৷ অন্যদিকে ‘মুসলিম' পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলি শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়া তো দূরে থাক, তাদের পরিস্থিতি সম্পর্কে চরম উদাসীনতা দেখিয়ে চলেছে৷ ফলে বিষয়টি নিয়ে সংবাদ মাধ্যম ও সোশাল মিডিয়া সোচ্চার হয়ে উঠেছে৷ #arabconscience ‬নামের একটি হ্যাশট্যাগও চালু হয়েছে৷

টিম গেনার এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন শেয়ার করে প্রশ্ন তুলেছেন, উপসাগরীয় দেশগুলি কোথায়?

উপসাগরীয় অঞ্চলের আরব রাষ্ট্রগুলির নেতিবাচক ভূমিকার নিন্দায় সুর মিলিয়েছেন মার্ক ম্যাক৷

শরণার্থী সংকটের বিষয়ে পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলির সরকার নির্বিকার থাকলেও সেখানকার অনেক মানুষ লজ্জা বোধ করছেন – এমন একটি প্রতিবেদন শেয়ার করেছেন জেমস গ্রিড৷

খালিদ লতিফ মনে করেন, পোপ ফ্রান্সিস তাঁর সাম্প্রতিক ভূমিকার কারণে সৌদি আরবের বাদশাহর থেকেও বেশি ‘মুসলিম'৷

এক টুইটার ব্যবহারকারী ক্ষোভ উগরে দিয়ে লিখেছেন, সৌদি আরব ও উপসাগরীয় দেশগুলির নেতারা এমন মুসলিম, যাদের উপর ইসলামের বিন্দুমাত্র প্রভাব নেই৷

দিনুক্ষি কীর্তিসিংহে লিখেছেন, ‘‘তোমার ধর্ম তোমাকে এই শিক্ষা দিয়েছে? প্রয়োজনে মুসলিম ভাইকে সাহায্য করবে না?''

শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে সাবরিনা মালিক পাকিস্তান, মিশর, তুরস্ক ও লেবাননের মতো মুসলিম দেশের ইতিবাচক ভূমিকার উল্লেখ করে উপসাগরীয় দেশগুলির ধর্মীয় দায়িত্বের প্রশ্ন তুলেছেন৷

কারেন সুগার এ প্রসঙ্গে মনে করিয়ে দিয়েছেন, সৌদি আরব আপাতত অ্যামেরিকার সঙ্গে ১০০ কোটি ডলারের অস্ত্র কিনতে ব্যস্ত৷

সংকলন: সঞ্জীব বর্মন

সম্পাদনা: জাহিদুল হক

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়