পোপ-এর ‘প্যাস্টোরাল’ চিঠি প্রকাশ হবে শনিবার | বিশ্ব | DW | 19.03.2010
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

পোপ-এর ‘প্যাস্টোরাল’ চিঠি প্রকাশ হবে শনিবার

আয়ারল্যান্ডে ক্যাথলিক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলিতে শিশু-কিশোরদের যৌন নিপীড়নের অসংখ্য ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পোপ ষোড়শ বেনেডিক্ট একটি ‘প্যাস্টোরাল’ চিঠি লিখেছেন৷ তবে সেই চিঠির বিষয়বস্তু শনিবার জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে৷

default

শিশুদের সঙ্গে পোপ ষোড়শ বেনেডিক্ট

জার্মানিতেও বিষয়টিকে কেন্দ্র করে নানা তৎপরতা দেখা যাচ্ছে৷

শিশু-কিশোরদের উপর যৌন নিগ্রহের একের পর এক অভিযোগের মুখে আয়ারল্যান্ড ও জার্মানির মত দেশের ক্যাথলিক ধর্মীয় সংগঠনগুলি এই মুহূর্তে নাজেহাল অবস্থায় রয়েছে৷ শুরুতেই যদি ধর্মীয় নেতারা এমন অপরাধের তীব্র নিন্দা করে, দোষীদের শাস্তির ব্যবস্থা করে এবং ভবিষ্যতে এমন জঘন্য অপরাধের ঘটনা যাতে না ঘটে, তা নিশ্চিত করার সদিচ্ছা দেখাতেন, তাহলে হয়ত সমাজে এমন তীব্র ক্ষোভ দেখা যেত না৷ এর বদলে তাঁরা বিচ্ছিন্নভাবে পরিস্থিতির জটিলতা অনুযায়ী কিছু পদক্ষেপের কথা বলছেন বা পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ঘোষণা করছেন৷ ফলে প্রতিষ্ঠান হিসেবে ক্যাথলিক ধর্মের পক্ষ থেকে কোন সার্বিক স্পষ্ট ও দৃঢ় অবস্থান এখনো দেখা যাচ্ছে না৷

এরই মধ্যে পোপ ষোড়শ বেনেডিক্ট শুক্রবার আয়ারল্যান্ডের ক্যাথলিক নেতাদের উদ্দেশ্যে তাঁর বহু প্রতীক্ষিত ‘প্যাস্টোরাল' চিঠিটি লিখে পাঠিয়েছেন৷ চিঠির বিষয়বস্তু সম্পর্কে এখনো কেউ কিছু জানে না৷ শনিবার সেটি প্রকাশ করা হবে৷ তবে ইতিমধ্যেই ধরে নেওয়া হচ্ছে, যে পোপ যৌন নিগ্রহের ঘটনার নিন্দার সঙ্গে সঙ্গে এবিষয়ে আয়ারল্যান্ডের ক্যাথলিক গির্জার আচরণবিধিও স্থির করে দিয়েছেন৷

জার্মানির ঘটনা সম্পর্কে জার্মান পোপ অবশ্য এখনো নীরব রয়েছেন৷ তবে তার আগেই জার্মানির বিশপরা তড়িঘড়ি করে একের পর এক পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছেন৷ বৃহস্পতিবারই বাভেরিয়ার বিশপরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ এলেই তা সরাসরি পুলিশের কাছে জানানো হবে৷ সম্ভবত গোটা জার্মানিতেই বিশপরা সর্বত্র এমন নিয়ম চালু করবেন৷

এই সব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পোপ ষোড়শ বেনেডিক্টের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে অনেক মহলে হতাশা বা ক্ষোভ দেখা যাচ্ছে৷ অবস্থান নিতে অযথা বিলম্ব করা বা যতটা দৃঢ়তার সঙ্গে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত ছিল, তা তিনি করছেন না বলে সমালোচনা শোনা যাচ্ছে৷ এমনকি যারা ক্যাথলিক ধর্মীয় প্রতিনিধিদের বিকৃত লালসার শিকার হয়েছেন, তাদের কাছে পোপের সরাসরি ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত বলেও কেউ কেউ মনে করছেন৷ সুইজারল্যান্ডের বিক্ষুব্ধ ক্যাথলিক নেতা হান্স ক্যুং বর্তমান পোপ'এর গত প্রায় ৩ দশকের ভূমিকার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেছেন, যে ইয়োজেফ রাৎসিঙার যে সব পদে আসীন ছিলেন, তার দায়িত্ব তিনি মোটেই সৎভাবে পালন করেন নি৷ যৌন নিগ্রহের অভিযোগের তদন্ত করার বদলে তিনি ঘটনাগুলিকে গোপন রেখে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে গেছেন৷

প্রতিবেদক: সঞ্জীব বর্মন

সম্পাদনা: আরাফাতুল ইসলাম

সংশ্লিষ্ট বিষয়