1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

পূর্ব ইউরোপে বাড়ছে এইচআইভি সংক্রমণ

আফ্রিকার তরুণরা এইচ আই ভি প্রতিরোধে এক বৈপ্লবিক ভূমিকা রাখছে৷ আর এই তথ্য জানিয়েছে জাতিসংঘের এইডস কর্মসূচি৷ অন্যদিকে ইউরোপে নতুন এইচআইভি সংক্রমণ বাড়ছে৷

default

যথেষ্ট সচেতনতা থাকলেও ইউরোপে এইডস ছড়িয়ে পড়ছে

নিরাপদ যৌন সম্পর্ক এবং যৌনসঙ্গীর সংখ্যা কম রেখে আফ্রিকার তরুণরা এইচআইভি এইডস প্রতিরোধে এক বৈপ্লবিক ভূমিকা রাখছে৷ আগামী সপ্তাহে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় এইচআইভি এইডস সম্মেলনের প্রাক্কালে এই নতুন তথ্য জানিয়েছে জাতিসংঘের এইডস কর্মসূচি৷ নতুন এক জরিপে দেখা গেছে, বিশ্বের সর্বত্রই মানুষ রোগ ব্যাধি নিয়ে উদ্বেগের ক্ষেত্রে এইডসকে তালিকার শীর্ষে রেখেছে৷

জরিপে অংশ নেন প্রায় ১২ হাজার প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ৷ জরিপের ফল অনুযায়ী, এইডস মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ার ৩০ বছরে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোর মধ্যে এইডসের সর্বোচ্চ স্থান অব্যাহত রয়েছে৷ ইউএনএইডস-এর নির্বাহী পরিচালক মিশেল সিডিবে বলেছেন, যারা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তাদের প্রায় অর্ধেকই ২০১৫ সালের মধ্যে এইচআইভি সংক্রমণ বন্ধ হয়ে যাবে বলে আশা করছেন৷ তিনি বলেন, ''জরিপে যারা অংশ নিয়েছেন তাদের প্রায় অর্ধেকই বলেছেন, এইডস প্রতিরোধে অর্থসংস্থানের অভাব একটা বাধা৷ এবং শতকরা প্রায় ৭০ ভাগেরও বেশি মানুষ বলেছেন, এইচ আই ভি প্রতিরোধেই সব অর্থ ও উদ্যোগ নিয়োগ করা উচিত৷ এ থেকে বোঝা যায় এইডস-এর নতুন সংক্রমণ ঠেকানোর বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে৷''

Aids in Südafrika

এইচ আই ভি আফ্রিকায় ছড়িয়ে পড়লেও বেশ কিছু সাফল্যের দৃষ্টান্তও রয়েছে

জরিপে দেখা গেছে, প্রতি তিন জনের একজন মনে করেন, এ পর্যন্ত নেয়া ব্যবস্থায় এইডস রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতাই সবচেয়ে বড় সাফল্যের সূচক৷ তার পরেই রয়েছে এইচআইভি প্রতিরোধ কর্মসূচি বাস্তবায়ন এইডস-এর প্রসার রোধক ওষুধপত্র বের করা৷

মিশেল সিডিবে বলেন, প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সবচেয়ে বেশি এইডস আক্রান্ত ১৫টি দেশে, তরুণদের মধ্যে এইচআইভি সংক্রমণ শতকরা ২৫ ভাগ হ্রাস পেয়েছে৷ তার মধ্যে রয়েছে বতসোয়ানা, আইভরি কোস্ট, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, মালাউই এবং জিম্বাবোয়ে৷

আফ্রিকার কিছু অংশে সংক্রমণের হার কমানোর ক্ষেত্রে অগ্রগতি হলেও পূর্ব ইউরোপ আর মধ্য এশিয়ায় নতুন এইচআইভি সংক্রমণের হার বাড়ছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে৷

প্রতিবেদন: ফাহমিদা সুলতানা

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

সংশ্লিষ্ট বিষয়