1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

পুলিশ ও ব্যবসায়ীদের সৎ হতে হবে

রোজার সময় জিনিস-পত্রের দাম বেড়ে যাওয়া বাংলাদেশে সাধারণ একটি ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে৷ তবে ডয়চে ভেলে বাংলার ফেসবুকে বন্ধুরা দাম বাড়ার কারণ এবং সম্ভাব্য সমাধানের প্রস্তাব ও পরামর্শ দিয়েছেন নানাভাবে৷

রোজার সময় জিনিস-পত্রের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে বন্ধু আবদুল্লাহেল ফরিদ জানিয়েছেন, ‘‘রোজার সময় যোগানের চেয়ে চাহিদা খুব বেশি৷ উদাহরণস্বরূপ, মানুষের হয়ত এক মাসে ২ কেজি পেয়াজে চলে, কিন্তু রোজার আগে তারা ১০ কেজি কেনে৷ তেল হয়ত অন্যান্য সময় ৫ লিটার লাগে, কিন্তু রোজার আগে ১৫ লিটার এক সাথে কেনে৷ এভাবে প্রকৃত প্রয়োজনের চেয়ে বেশি কেনার ফলে প্রতিটা পণ্যের অস্বাভাবিক চাহিদা সৃষ্টি হয় আর তাতেই দামটা বেড়ে যায়৷''

পাঠক রায়হান শ্রাবনও তাঁর সাথে একমত৷ তিনি লিখেছেন, ‘‘হ্যাঁ, এটাও একটা বড় কারণ, আমরাও দোষী৷''

মাসুদ হাসানের পরামর্শ, ‘‘সম্ভব হলে যে আইটেমগুলোর দাম বেশি তা এড়িয়ে চলা যেতে পারে৷ বেগুনি, পেঁয়াজু, ছোলা এগুলো না খেলেই হয়!''

এডউইন অধিকারী রোজার মাসে যারা বেশি মুনাফা করবে, তাদের ‘নাস্তিক' বলে মন্তব্য করেছেন৷

আশিক হোসেন রিঙ্কুর মতে, রোজার সময় জিনিস-পত্রের দাম রোধ করতে পুলিশ ও ব্যবসায়ীদের সৎ হতে হবে৷

রোজার মাস মানেই সংযমের মাস৷ তাই জিনিসের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে কে হালদারের পরামর্শ, ‘‘মজাদার খাবার আর ভুড়িভোজ বাদ দিয়ে আমাদের নিত্যদিনের খাবার খেলে এ সব ব্যবসায়ীরা সোজা হয়ে যেতে পারে৷''

বাস্তববাদী পাঠক শ্রাবণ রায়হান বলেন, ‘‘সরকার এ ক্ষেত্রে কিছুই করতে পারে না, কেননা বর্তমান রাজনীতিতে ব্যবসায়ীরাই বেশি৷ আর ব্যাবসা মানেই যে বাড়তি লাভের ধান্দা, এটা সবাই জানে৷ কথা সেই একটাই, শর্ষেতেই ভূত আছে৷ তাই যতই জনগণ যতই লাফঝাপ করুক না কেন কোনো লাভ নাই৷''

জিনিস-পত্রের দাম বাড়ার কারণকে বন্ধু হাসনাত রায়হান কিন্তু সরকারকেই দায়ী করছেন৷ তিনি বলছেন, ‘‘সরকারের মরণ হলে ভালো হয়৷''

মো. হাবিবুর রহমান অবশ্য দাম বাড়ার জন্য সরকারকেই দায়ী করেছে৷ সরকার নাকি এ ব্যাপারে নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছে৷

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন