1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

‘পুবে-তাকাও’ নীতিতে যোগাযোগের পথে ভারত

আসিয়ান দেশগুলির সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা মজবুত করতে মিয়ানমারের গভীর সমুদ্র বন্দর ভারতের কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ৷ কারণ অর্থনৈতিক দিক থেকে উদীয়মান দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলিতে সমুদ্রপথে যাতায়াতের দূরত্ব এবং সময় কম লাগবে৷

মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের যৌথ উদ্যোগে ৮০০ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয়ে মিয়ানমারের দক্ষিণে দাউই গভীর সমুদ্র বন্দরের নির্মাণকার্য শেষ হবে আর কয়েক বছরের মধ্যে৷ তৈরি হয়ে যাবে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল৷ খুলে যাবে যোগাযোগ ও ব্যবসা-বাণিজ্যের বিপুল সম্ভাবনা৷ ভারত সেই সুযোগ হাতছাড়া করতে চায়না৷ ‘পুবে-তাকাও‘ নীতির অঙ্গ হিসেবে ভারত তাই সামিল হয়েছে যোগাযোগ অবকাঠামো নির্মাণে৷ দাউই গভীর সমুদ্র বন্দর তৈরি হয়ে গেলে ভারত পাবে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় যাবার এক বিকল্প সমুদ্রপথ৷ ফলে ভীড়-ব্যস্ত মালাক্কা প্রণালীর ওপর নির্ভরতা কমে যাবে এবং যাতায়াতের সময় ও খরচ দুই-ই বাঁচবে৷

দাউই বন্দর ভারত-মেকং অর্থনৈতিক করিডরের এক অংশ৷ ভারতের কাছে এই অর্থনৈতিক করিডরের গুরুত্ব এই কারণে যে, এখান দিয়ে ভারতের যোগাযোগ বিস্তৃত হবে ভিয়েতনামের হো চিন মিন সিটি, কাম্বোডিয়ার নমপেন এবং থাইল্যান্ডের ব্যাংকক পর্যন্ত৷ দাউই সমুদ্র বন্দরের সঙ্গে দক্ষিণ ভারতের চেন্নাইকে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে ভারতের৷ তাহলে মালাক্কা প্রণালী দিয়ে যাবার দরকার পড়বে না – জানান এক ভারতীয় কর্মকর্তা৷

The Indian Navy has deployed INS Savitri, an offshore Patrol Vessel with a Chetak helicopter and Marine Commandos, for the surveillance of Exclusive Economic Zone of Seychelles and Mauritius from end Nov till early Jan 2010. Savitri will be deployed in close coordination with the ships and aircraft of Seychelles Coast Guard and the Mauritian National Coast Guard. The presence of this ship will help in deterring piracy in these areas. Um gegen Piraten vorzugehen hat die indische Marine die INS Savitri vor den Seychellen und Mauritius zwischen Ende November 2009 bis Anfang Januar 2010 in Position gebracht.

‘পুবে-তাকাও‘ নীতির ফলে যাতায়াতের সময় ও খরচ দুই-ই বাঁচবে

গত বছর মে মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং-এর থাইল্যান্ড সফরকালে দাউই অর্থনৈতিক অঞ্চলে ভারতীয় কোম্পানিগুলির লগ্নির প্রস্তাব দেন থাই সরকার বিশেষ করে সেইসব ক্ষেত্রে, যেখানে ভারতের বিশেষজ্ঞ জ্ঞান রয়েছে৷ যেমন ইস্পাত, বিদ্যুৎ, পেট্রো-কেমিক্যালস, পরিষেবা ইত্যাদি৷ দাউই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়ন কর্পোরেশন থাইল্যান্ড ও মিয়ানমারের যৌথ মালিকানাধীন৷

ভারত, মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের মধ্যে সংযোগকারী ১,৪০০ কিলোমিটার দীর্ঘ ত্রিদেশীয় হাইওয়ে নির্মাণে ভারত সক্রিয়ভাবে যুক্ত৷ এর কাজ শেষ হবে ২০১৬ সালে৷ এই হাইওয়ে যাবে ভারতের মণিপুর রাজ্যের মোরে শহর থেকে মিয়ানমার হয়ে থাইল্যান্ডের সোট পর্যন্ত৷ এই হাইওয়ে দিয়ে যাবে পণ্যবাহী ভারতীয় ট্রাক ও কন্টেনার৷ ঐসব দেশে ভারতে বিনিয়োগ এবং ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়াতে এই হাইওয়ের গুরুত্ব অনস্বীকার্য৷ এই প্রকল্পে আর্থিক ঋণ দেবে এশিয়ান ডেভেলাপমেন্ট ব্যাংক৷

ত্রিদেশীয় হাইওয়ের বেশিরভাগ কাজ প্রায় শেষ, তবে দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের কিছু অংশে সমস্যা দেখা দিয়েছে৷ নির্মীয়মাণ হাইওয়েতে ৭১টি জীর্ণ সেতু রয়েছে৷ সেগুলি সংস্কার এবং উন্নত করার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ড. সিং ২০১২ সালে৷ এছাড়া কালাদান মাল্টি-নোডাল ট্রানজিট ট্রানসপোর্ট প্রোজেক্ট শেষ হবার কথা ২০১৪ সালে৷ কাজ শেষ হলে তা কলকাতা বন্দরকে যুক্ত করবে মিয়ানমারের সিটউই বন্দরের সঙ্গে এবং সিটউই বন্দর যুক্ত হবে নদী ও সড়কপথে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মিজোরামের সঙ্গে৷

আসিয়ানের ১০টি দেশ ব্রুনেই, কাম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, লাওস, মালয়েশিয়া, মিয়ানমার, ফিলিপিনস, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম, যার মিলিত জনসংখ্যা ১৮০ কোটি৷ মোট জিডিপি তিন ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার৷ এই অঞ্চলে প্রভাব বিস্তারে চীনও পিছিয়ে নেই৷ অর্থনৈতিক স্বার্থ ছাড়াও স্ট্র্যাটিজিক ও ভূ-রাজনৈতিক কারণে ঐ অঞ্চলে ভারত ও চীনের ভূমিকা হবে সেয়ানে সেয়ানে কোলাকুলি৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়