1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

পিলখানা বিদ্রোহের দুই বছর পূর্তি, ন্যায়বিচারের দাবি

দুই বছর আগের এই দিনে ঢাকার পিলখানায় বিদ্রোহী বিডিআর জওয়ানরা হত্যা করে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাকে৷ শ্রদ্ধাভরে জাতি আজ স্মরণ করছে তাদের৷ দিনের নিহত সেনা কর্মকর্তাদের স্বজনরা শ্রদ্ধা জানাতে এসে চাইলেন ন্যায়বিচার৷

default

২০০৯ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি৷ পিলখানায় বিডিআর সদর দফতরে দরবার চলাকালে বিদ্রোহ করে বিডিআর জওয়ানরা৷ হামলা চালায় তাদেরই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ওপর৷ বিদ্রোহী জওয়ানরা একে একে হত্যা করে মেধাবী ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাকে৷ সেই দিনের সেই নৃশংসতা জাতির জন্য এক কলঙ্কিত অধ্যায়৷

দুই বছর পর বনানীর কবরস্থানে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন সেদিনের নিহত সেনা কর্মকর্তাদের স্বজনরা৷ দাবি করেন সুবিচার৷

শুক্রবার বনানীর কবরস্থানে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এডভোকেট সাহারা খাতুন৷ শ্রদ্ধা জানানো হয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান ও বিরোধী দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়ার পক্ষে৷ বিডিআর সদর দফতরে আয়োজন করা হয় দোয়া মাহফিলের৷ সেখানে অংশ নিয়ে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির কথা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী৷

শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের স্মরণে শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটিতে বঙ্গবন্ধু নাগরিক সংহতি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য এডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন অভিযোগ করেছেন, তারেক রহমান ও ভারতীয় মাফিয়া ডন দাউদ ইব্রাহীমের যোগসাজশে পিলখানা হত্যাযজ্ঞ হয়েছে৷ নৃশংস এ হত্যাযজ্ঞের আগে দুবাইয়ে তারেক রহমান ও দাউদ ইব্রাহীম বৈঠক করে৷ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঠিক নেতৃত্ব বিপর্যয়ের হাত থেকে দেশ ও গণতন্ত্রকে রক্ষা করেছে বলে মনে করেন তিনি৷

এদিকে শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘পিলখানা হত্যাকাণ্ডের দুই বছর – অরক্ষিত সীমান্ত ও বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব' শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, বিডিআর বিদ্রোহে সেনা কর্মকর্তাদের হত্যায় জড়িতদের নাম প্রকাশ হলে সরকারের প্রকৃত চেহারা বেরিয়ে আসবে৷ কারণে গত দুই বছরেও সরকার এ নৃশংস ঘটনার তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করেনি৷

প্রতিবেদন: সমীর কুমার দে, ঢাকা

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন