1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাকিস্তান

পালটা ধর্ষণের নির্দেশ দেওয়ায় গাঁয়ের প্রবীণরা গ্রেপ্তার

পাকিস্তানের একটি গ্রামের ‘জিরগা'-র সদস্যরা একটি ধর্ষণের মামলায় পালটা ধর্ষণের রায় দেবার পর যখন সত্যিই সেই পালটা ধর্ষণ ঘটে, তখন পুলিশ এসে হস্তক্ষেপ করে৷

দৃশ্যত সংশ্লিষ্ট পুরুষটির কিশোরী বোনকে ধর্ষণ করেছিল তার এক মামাতো, চাচাতো, খালাতো বা ফুফাতো ভাই৷ কাজেই গ্রামের প্রবীণদের পরিষদ বা জিরগার তরফ থেকে রায় দেওয়া হয় যে, সে তার সেই ভাইয়ের এক কিশোরী বোন – অর্থাৎ তার নিজের আত্মীয়কে ধর্ষণ করে তার বোনের ধর্ষণের বদলা নেবে৷ এই দ্বিতীয়

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ধর্ষণটি বাস্তবিক সংঘটিত হবার পর পুলিশ এসে জিরগার ২০ জন সদস্যকে গ্রেপ্তার করে৷ পুলিশের তরফ থেকে এ খবর জানানো হয় গত বুধবার, যদিও ঘটনাটা ঘটেছে তার এক সপ্তাহ আগে৷

জুলাই মাসের গোড়ায় দ্বিতীয় ধর্ষণকারীর ‘কাজিন' প্রথম ধর্ষণকারীর ১২ বা ১৩ বছর বয়সের বোনকে ধর্ষণ করলে পর দ্বিতীয় ধর্ষণকারী সেই মামলা নিয়ে গ্রামের প্রবীণ পরিষদের কাছে যায়৷ অন্যায়ের প্রতিশোধ বা ক্ষতিপূরণ হিসেবে জিরগা দ্বিতীয় ধর্ষণকারীকে প্রথম ধর্ষণকারীর ১৬ অথবা ১৭ বছর বয়সের বোনকে ধর্ষণের নির্দেশ দেয় – এবং সে সেই নির্দেশ পালনও করে, বলে পুলিশি বিবরণে প্রকাশ৷

‘‘উভয় পক্ষই স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িতে পরস্পরের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেছে'', বলে তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা রশিদ তাহিম এএফপি সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন৷ তাহিম গ্রামীণ পরিষদের ১৪ জন সদস্যের গ্রেপ্তার হওয়ার কথা বলেন এবং জানান যে, প্রথম ধর্ষণকারী, যে ১২ বছরের মেয়েটিকে ধর্ষণ করেছিল, সে এখনও ফেরার৷

পুলিশ প্রধান আহসান ইউনুস এপি সংবাদ সংস্থাকে বলেছেন যে, পুলিশ উভয় সম্ভাব্য ধর্ষণকারীর খোঁজ করছে৷ পুরো ঘটনাটি প্রথম মুলতানের একটি নারী অধিকার কেন্দ্রকে জানানো হয়, জানান ইউনুস৷

পাঞ্জাব প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ জিরগার সদস্যদের গ্রেপ্তার করে সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ আইনে তাদের বিচার করার নির্দেশ দিয়েছেন, বলে মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়৷

ঘটনাটি পাকিস্তানের নারী অধিকার আন্দোলনকারীদের তরফে বিপুল উষ্মা ও প্রতিবাদের সঞ্চার করেছে৷ বিশিষ্ট আইনজাবী আসমা জাহাঙ্গির দায়রা আইন ব্যবস্থার সংস্কার করে জিরগাদের ভূমিকা নির্মূল করার ডাক দিয়েছেন৷ প্রসঙ্গত, জিরগা গোত্রীয় গ্রামীণ পরিষদ পাকিস্তানে আইনগতভাবে অবৈধ৷

এসি/ডিজি (এএফপি, এপি, ডিপিএ)

ভিডিও দেখুন 02:51