1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

পার্সেল বোমার দায় স্বীকার করলো আল-কায়দা সহযোগী

গত সপ্তাহে মার্কিন ঠিকানায় পার্সেল বোমা পাঠানোর দায় স্বীকার করেছে আল-কায়দার ইয়েমন ভিত্তিক সহযোগী গোষ্ঠী৷ শুধু তাই নয়, জঙ্গি গোষ্ঠীর দাবি, সেপ্টেম্বরে ডাক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ইউপিএস এর একটি বিমানও বোমায় উড়িয়ে দেয় তারা৷

default

ফেডেক্স এবং ইউপিএস এর কার্গো বিমান থেকে উদ্ধার হয় পার্সেল বোমা

ওয়েব ফোরামে জঙ্গি গোষ্ঠীর দাবি

একটি জিহাদি ওয়েব ফোরামে এই দাবি জানিয়েছে আরব উপদ্বীপের জঙ্গি গোষ্ঠী একিউএপি৷ ইন্টারনেটে ওয়েবসাইট মনিটরিং সংস্থা এসআইটিই এই জঙ্গি ফোরামের খবর জানিয়েছে৷ সেখানে, একিউএপি গত সপ্তাহের মতো আরো পার্সেল বোমা হামলার হুমকি দিয়েছে৷ বিশেষ করে পশ্চিমা যাত্রীবাহী বিমান ও কার্গো বিমান হবে তাদের হামলার লক্ষ্য৷ শুধু তাই নয়, গত সেপ্টেম্বরে দুবাই বিমানবন্দরের কাছে একটি ইউপিএস বিমানও নাকি তাদের বোমাতেই বিধ্বস্ত হয়৷

এখানে বলা রাখা ভালো, গত সপ্তাহে শিকাগোর ইহুদী ধর্মস্থানের ঠিকানায় দু'টি পার্সেল বোমা পাঠানো হয়৷ কিন্তু লন্ডন এবং দুবাইয়ে পরিবহণ বিমান থেকে সেগুলো উদ্ধার করে নিরাপত্তা বাহিনী৷

Kanzleramt Berlin Paketbombe Flash-Galerie

জার্মান চ্যান্সেলরের দপ্তর থেকেও পার্সেল বোমা উদ্ধার করা হয়

একিউএপি'র দাবির প্রতিক্রিয়া

ওয়াশিংটন আগেই জানিয়েছিল যে, এটি বিশ্বাস করে পার্সেল বোমা, যেগুলো ইয়েমেন থেকে পাঠানো হয়েছিল, সেগুলো তৈরি করেছে সৌদি জঙ্গি ইব্রাহিম হাসান আল-আসিরি, যে কিনা একিউএপি'র সদস্য৷ তবে, জঙ্গি গোষ্ঠীর দাবির পর কোন আনুষ্ঠানিক মন্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি৷ বার্তা সংস্থা রয়টার্স ওয়াশিংটনের এক কর্তার বরাতে জানাচ্ছে, সেপ্টেম্বরে ইউপিএস বিমান বিধ্বস্তের পেছনে একিউএপি জড়িত কিনা তা নিশ্চিত করতে পারছে না মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র৷ তবে গত সপ্তাহে পার্সেল বোমা ষড়যন্ত্রের পেছনে একিউএপি জড়িত থাকার যথেষ্ট ইঙ্গিত রয়েছে৷

ইউপিএস এর মন্তব্য

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইউপিএস এর এক মুখপাত্র স্বীকার করেছেন, সেপ্টেম্বরে বিমানটি দুঘর্টনায় পড়ার আগে পাইলট ককপিটে আগুন এবং ধোঁয়ার কথা জানিয়েছিলেন৷ কিন্তু সেটি জঙ্গি গোষ্ঠীর বোমার কারণে কিনা তা জানাতে সমর্থ নয় ইউপিএস৷

ইউরোপে পার্সেল বোমা আতঙ্ক

ইউরোপের বিভিন্ন সরকার প্রধানের কার্যালয় এবং দূতাবাসে পাঠানো পার্সেল বোমার উৎপত্তি ছিল গ্রিসে৷ এই ঘটনার সঙ্গে দুবাইয়ে বা লন্ডনে আটক বোমার কোন সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি৷ তবে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ পার্সেল বোমা ষড়যন্ত্রের পর পরিবহণ বিমানের ক্ষেত্রে অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিয়েছে৷ ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিবহণ বিষয়ক প্রধান সিম খালাস অবশ্য মাত্রাতিরিক্ত কড়াকড়ির পক্ষে নন৷ কেননা, এতে করে আকাশপথে আমদানি রপ্তানি বাণিজ্যে সমুহ ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে৷ তাই, আতঙ্কে নয়, বরং আনুপাতিকভাবে নিরাপত্তা বাড়ানোর পক্ষে খালাস৷

প্রতিবেদন: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: সুপ্রিয় বন্দোপাধ্যায়

নির্বাচিত প্রতিবেদন