1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

অন্বেষণ

পারিবারিক ছবি তোলার ত্রিমাত্রিক স্টুডিও

পারিবারিক ছবি বলতে ফ্রেমে বাঁধানো শক্ত কাগজে ছাপা ছবিই সম্ভবত মনে করবেন সবাই৷ কিন্তু এখন এই পারিবারিক ছবির সংজ্ঞা বদলে দিতে চলেছেন দুই জার্মান৷ তাঁরা চালু করেছেন, পারিবারিক ছবি তোলার একটি ত্রিমাত্রিক স্টুডিও৷

প্রতিকৃতিগুলো ১৫ থেকে ৩৫ সেন্টিমিটার লম্বা, তৈরিতে খরচ ২২৫ থেকে ১,৩০০ ইউরো পর্যন্ত৷ এতে নিখুঁতভাবে থাকে সবকিছু৷ জিন্স প্যান্টের ভাঁজ থেকে শুরু করে স্কার্ফের রং অবধি সবকিছু৷ এ ধরনের প্রতিকৃতি তৈরির পদ্ধতি ঠিক করতে এক বছর সময় নিয়েছেন টিমো শ্যাডেল৷ তিনি বলেন, ‘‘মূলত ভবিষ্যতের পারিবারিক ছবির কথা চিন্তা করে এই ধারণা তৈরি করা হয়েছে৷ আমরা ত্রিমাত্রিক ব্যবস্থা যোগ করে আলোকচিত্রের বিচিত্র দুনিয়াকে আরো সমৃদ্ধ করছি৷ এটা এক নতুন দিক৷''

ত্রিমাত্রিক প্রতিকৃতি তৈরির জন্য টিমো শ্যাডেল এবং তাঁর ব্যবসায়িক অংশীদার ক্রিস্টিনা নয়রো বিভিন্ন প্রিন্টিং পদ্ধতি যাচাই করেছেন৷ সব শেষে একটি কার্যকর পন্থা বেছে নিয়েছেন তাঁরা৷ গত বছরের জুন মাসে তাঁরা চালু করেছেন নিজেদের প্রতিষ্ঠান, নাম ‘টুইনকিন্ড৷' এই বিষয়ে তিনি বলেন, ‘‘অতীতে অ্যানিমেশন সেক্টরে কাজ করায় ত্রিমাত্রিক ব্যবস্থা সম্পর্কে ব্যাপক ধারণা রয়েছে আমার৷ আর ত্রিমাত্রিক প্রিন্টার ব্যবহারের সুযোগ আমাকে উৎসাহিত করেছে৷ এরপর আমি বহুরঙা প্রযুক্তির খোঁজ পাই৷ তখন এই আইডিয়া মাথায় আসে৷''

ইউরোম্যাক্স মডারেটর ক্রিস্টিনা স্ট্যার্জ ত্রিমাত্রিক প্রিন্টিং ব্যবস্থা সরেজমিনে দেখতে ‘টুইনকিন্ডে' যান৷ পরিচয় পর্বের পর টিমো শ্যাডেল খদ্দেরের চাহিদা সম্পর্কে জানতে চান এবং কাজের ধরণ সম্পর্কে জানান৷

এরপর শুরু হয় ছবি তোলার কাজ৷ স্ক্যান রুমে রয়েছে একশো ক্যামেরা৷ এগুলো ব্যবহার করে সম্ভাব্য সব অ্যাঙ্গেল থেকে খদ্দেরের ছবি তোলা হয়৷ টিমো শ্যাডেল বলেন, ‘‘আপনি কোন ক্যামেরার দিকে তাকাচ্ছেন, তা গুরুত্বপূর্ণ নয়৷ তবে এই অ্যাঙ্গেলে তাকালে চোখ সুন্দরভাবে খোলা থাকে৷''

ক্যামেরায় তোলা ছবিগুলোকে ত্রিমাত্রিক মডেলের রূপ দেয় বিশেষ সফটওয়্যার৷ এক্ষেত্রে কয়েক ঘণ্টা সময় লাগতে পারে৷ হামবুর্গের ছেলে টিমো শ্যাডেল এই প্রক্রিয়াকে বলেন ‘ডিজিটাল হস্তশিল্প৷' তাঁর লক্ষ্য থাকে ব্যক্তির বিশেষ বৈশিষ্ট্য প্রতিকৃতির মধ্যে ফুটিয়ে তোলার৷

ছবি গড়ার এই প্রক্রিয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে প্রিন্টিং৷ পাউডার বেড থ্রিডি প্রিন্টার মূলত ইন্কজেট প্রিন্টারের মতোই কাজ করে৷ তবে কালির বদলে এতে প্লাস্টিক পাউডার ব্যবহার করা হয়৷

প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর অতিরিক্ত পাউডারগুলো ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ব্যবহার করে সরিয়ে ফেলা হয়৷ আর তখনই বেরিয়ে আসে ছোট ত্রিমাত্রিক প্রতিকৃতি৷

এরপর বার্নিশের মতো এক ধরনের তরলের সামান্য ছোঁয়া প্রতিকৃতির রং এবং খুঁটিনাটি আরো ফুটিয়ে তোলে৷ ব্যবসায়িক অংশীদাররা এখনো পুরো প্রক্রিয়ার আরো উন্নয়নে কাজ করছে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক