1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি ইউরোপ

পারমাণবিক বর্জ্যের উপরে যাদের বাস

জার্মানিতে পারমাণবিক বর্জ্য কোথায় ফেলা হবে বা সংরক্ষণ করা হবে, তা নিয়ে এখন রীতিমতো সংসদীয় কমিশন বসছে৷ নিম্ন স্যাক্সনি রাজ্যের আসে’তে ঐ ধরনের একটি পারমাণবিক বর্জ্য ফেলার জায়গা আছে৷ সেটি পরিষ্কার করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে৷

Bildinfo: Blick über die Atommülllager Asse in Niedersachsen mit dem kleinen Dorf Remlingen im Hintergrund. Atommülllager Asse in Niedersachsen DW/ Andre Leslie, 14.05.2013

Atommülllager Asse in Niedersachsen

জার্মানিতে পারমাণবিক বর্জ্য কোথায় ফেলা হবে বা সংরক্ষণ করা হবে, তা নিয়ে এখন রীতিমতো সংসদীয় কমিশন বসছে৷ নিম্ন স্যাক্সনি রাজ্যের আসে'তে ঐ ধরনের একটি পারমাণবিক বর্জ্য ফেলার জায়গা আছে৷ সেটি পরিষ্কার করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে আইন করে৷

পারমাণবিক বর্জ্য রাখা হয় পুরু টিনের ড্রামের মতো ব্যারেলে করে, কেননা তেজস্ক্রিয়তা ছড়ানোর বিপদ থাকে৷ আসে'র বর্জ্যের আধার থেকে এক লাখ ছাব্বিশ হাজার এ'ধরনের ব্যারেল সরাতে হবে: এই হলো আইনের নির্দেশ৷

Bildinfo: Heike Wiegel, Mitglied im Verein aufpASSEn e.V (eine Bürgerinitiative gegen der Atommülllager Asse) steht vor ihrem Haus in Remlingen, Niedersachsen. Atommülllager Asse in Niedersachsen DW/ Andre Leslie, 14.05.2013

আসে'র ঐ জায়গার কাছেই হলো রেমলিংগেন শহর, তারই বাসিন্দা হাইকে ভিগেল

আসে'র ঐ জায়গার কাছেই হলো রেমলিংগেন শহর৷ তারই বাসিন্দা হাইকে ভিগেল৷ এখানেই ত্রিশ বছরের বেশি সময় ধরে বাস করছেন হাইকে৷ কৃষিজীবীর গৃহিণী হাইকে বললেন, এখানকার পানি নিয়ে তাঁর কোনো চিন্তা নেই: ‘‘ও নিয়ে তো আর সর্বক্ষণ ভাবা যায় না৷''

আসেতে ঐ পারমাণবিক আধার থাকার একটি ফল হলো, পারমাণবিক বর্জ্য সম্পর্কে সেখানকার বাসিন্দাদের সচেতনতা৷ আসে'র আধার এর বিরুদ্ধে নানা ধরনের প্রতিবাদ আন্দোলনে সংশ্লিষ্ট ছিলেন তারা৷ এবার আইন বলছে, আসে থেকে পারমাণবিক বর্জ্য সরাতে হবে৷ আসে'র আন্দোলনকারীরা নিশ্চিত করতে চান যে, অতীতের ভুলভ্রান্তির যেন পুনরাবৃত্তি না ঘটে৷ হাইকে বলেন: ‘‘এরকম একটা পুরনো, অস্থিতিশীল লবনের খনিতে পারমাণবিক বর্জ্য ফেলা৷ শেষের দিকে শুধুমাত্র ব্যারেলগুলো এনে এখানে ফেলা হতো৷''

মাটির নীচে পারমাণবিক বর্জ্য

হাইকে যেখানে থাকেন, সেখান থেকে মাইল খানেক দূরে মাথায় খনিশ্রমিকদের হেলমেট পরে কর্মীরা বেরচ্ছেন একটি লিফ্ট থেকে৷ পরনে তাদের ওভারল, পিঠে অক্সিজেনের ট্যাংক৷ ১৯৬৪ সাল অবধি আসে ছিল একটি লবনের খনি৷ তার কিছু পরে জার্মান সরকার খনিটি কিনে নিয়ে সেখানে হাল্কা থেকে মাঝারি তেজস্ক্রিয়তার পারমাণবিক বর্জ্য ফেলতে শুরু করেন৷ এ' কাজ চলে প্রায় এক দশক ধরে৷ বর্জ্য আসতো সরাসরি পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলি থেকে, ব্যারেলে করে৷ তারপর লবনের খনির ফাঁকা হলগুলিতে ব্যারেলগুলি রাখা হতো৷

আসে'তে পারমাণবিক বর্জ্য আনা কেন বন্ধ করা হল, সে'ও এক অদ্ভুত কাহিনি৷ জার্মানিতে পারমাণবিক বর্জ্য রাখার নিয়মকানুন পাল্টে যায়, তৈরি হয় নতুন আইন৷ কাজেই আসে বন্ধ করে দিতে হয়৷ কিন্তু আসেতে মাটির নীচে এখনও হাজার হাজার ব্যারেল পারমাণবিক বর্জ্য জমা করা আছে৷

পানি থেকে বিপদ

মুশকিল এই যে, বহু ব্যারেল কি অবস্থায় আছে, সেগুলোয় মরচে ধরেছে কিনা, ব্যারেলগুলো লিক করছে কিনা, এ'সব কিছুই জানা নেই৷ তাই ৫০ বছর পরে নতুন করে ড্রিলিং করে ব্যারেলগুলোর অবস্থা জানার প্রচেষ্টা চলেছে৷

ARCHIV: Faesser mit leicht radioaktivem Atommuell werden in Remlingen (Kreis Wolfenbuettel) im ehemaligen Bergwerk und heutigen Atommuell-Endlager in eine Einlagerungskammer gekippt (Foto undatiert). Am Mittwoch (12.12.12) findet in Berlin eine Pressekonferenz zur fraktionsuebergreifend erarbeiteten Lex Asse statt. Der im frueheren Salzbergwerk Asse lagernde Atommuell soll schneller aus der maroden Schachtanlage geholt werden. In den vom frueheren Betreiber verschlossenen Kammern des vom Einstuerzen und Volllaufen bedrohten Bergwerks lagern rund 126.000 Faesser mit schwach und mittelradioaktivem Muell. Mit diesem Gesetz wollen wir eine parallele Vorgehensweise erreichen, dass wir also nicht mehr warten muessen, bis die Rueckholung bestaetigt ist, hatte Bundesumweltminister Peter Altmaier (CDU) bei seinem Besuch in der Asse-Region am 23. November angekuendigt. Unter anderem sollten durch die sogenannte Lex Asse kuenftig verfahrensrechtliche Regelungen gelockert werden. (zu dapd-Text) Foto: Helmholtz Zentrum Muenchen/dapd.

এখান থেকে পারমাণবিক বর্জ্য সরানোর কাজ শুরু হতে আরো বিশ বছর সময় পার হয়ে যেতে পারে

ওদিকে গোটা খনিটার অবস্থাই অস্থিতিশীল হতে পারে৷ ১৯৮৮ সাল যাবৎ ভূগর্ভস্থ পানি চুঁইয়ে খনিতে ঢুকছে৷ কাজেই আসে থেকে ব্যারেলগুলো সরানোর জন্য নতুন, আরো বেশি স্থিতিশীল শ্যাফ্ট বা লিফ্ট চলাচলের গর্ত খোঁড়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে৷ পানি থেকে আসল আশঙ্কা হল, গোটা খনিটাই ডুবে যেতে পারে এবং পানির চাপে পারমাণবিক বর্জ্য মাটির উপর ভেসে উঠতে পারে৷ যার ফলে স্থানীয় পানি সরবরাহ তেজস্ক্রিয়তা দূষিত হতে পারে৷

কিন্তু আসে পানিতে ডুবে যাবার আশঙ্কা বাস্তবিক হলেও, আসন্ন নয়৷ তাই এখান থেকে পারমাণবিক বর্জ্য সরানোর কাজ শুরু হতে আরো বিশ বছর সময় পার হয়ে যেতে পারে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন