1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

‘পাবনায় প্রশাসনের মনোবল ভেঙে যাবে’

‘পাবনার ডিসি এসপিকে প্রত্যাহার করলে প্রশাসনের মনোবল ভেঙে দেবে৷ আর এতে সন্ত্রাসীরা উৎসাহিত হলে প্রশাসনের পক্ষে দায়িত্ব পালন কঠিন হয়ে পড়বে৷’

default

এই মত দিয়ে সাবেক শীর্ষ আমলারা বলেছেন, যদি জেলা প্রশাসন অদক্ষ হয়, তাহলে কেন্দ্রীয় প্রশাসনও অদক্ষ৷ কারণ তারা ১০ দিন পর সক্রিয় হয়েছেন৷

পাবনা জেলা প্রশাসনের ৩য় এবং ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের নিয়োগ পরীক্ষা ভণ্ডুল ও কর্মকর্তাদের লাঞ্ছিত করার মধ্য দিয়ে ঘটনার শুরু৷ এরপর যুবলীগ নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা, আদালতে আত্মসমর্পণ এবং চার্জশিট দাখিল৷ পাশাপাশি চলে ডিসি এসপিকে প্রত্যাহারের দাবি এবং সুশীল সমাজের সঙ্গে প্রশাসনের মত বিনিময়৷

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচটি ইমামের পাবনা সফরের পর ঘটনা নাটকীয় মোড় নেয়৷ প্রত্যাহার করা হয় পাবনার ডিসি, এসপি, এ্যাডিশনাল এসপি এবং সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে৷ প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার ভাষায়, তারাও দায়ী৷ কারণ সরকারের সঠিক প্রতিনিধিত্ব করতে পারেননি তারা৷

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এবং প্রশাসনের সাবেক শীর্ষ আমলা এম হাফিজউদ্দিন খান বলেন, তাদের বদলি করায় প্রশাসনের মনোবল ভেঙে যাবে৷ এমনিতেই প্রশাসনের অবস্থা খারাপ, এই ঘটনায় তা স্থবির হয়ে যেতে পারে৷ তিনি বলেন, জেলা প্রশাসক ঘটনার পর সুশীল সমাজের সঙ্গে মত বিনিময় করে কোন ভুল করেনি৷

আরেক জন সাবেক উপদেষ্টা ড. আকবর আলী খান বলেন, আইন শৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের কাছে যদি সরকার আত্মসমর্পণ করে, তাহলে তা হবে ভয়াবহ৷ তিনি বলেন, জেলা প্রশাসন অদক্ষ হলে কেন্দ্রীয় প্রশাসনও একই ভাবে অদক্ষ৷

এই দু‘জন সাবেক উপদেষ্টা জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনেরও সদস্য ছিলেন৷ তারা জানান, প্রশাসনিক সংস্কারে এ পর্যন্ত ১৮টি কমিশন এবং কমিটি গঠন হয়েছে৷ কিন্তু স্বাধীন, নিরপেক্ষ এবং জবাবদিহিতামূলক প্রশাসনের কাজ আদতে এগোয়নি৷ এ কারণে রাজনৈতিক চাপের কাছে প্রশাসন বরাবরের মত এখনো অসহায়৷

প্রতিবেদন: হারুন উর রশীদ স্বপন, ঢাকা

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

সংশ্লিষ্ট বিষয়