1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

পানির নীচে জাদুঘর আকৃষ্ট করছে মাছদেরও

মেক্সিকোর ক্যারিবিয়ান সমুদ্র সৈকতের কাছে গ্রীষ্মমন্ডলীয় মাছদের সাঁতার কাটতে দেখা যায় সাগরের তলে বিশেষ একটি জায়গায়৷ এখানেই রয়েছে এক অভিনব জাদুঘর৷

default

কে জানত, সাগরের নিচেও সংস্কৃতিমনস্ক প্রাণী রয়েছে!

যেখানে ৪০০টি ভাস্কর্যে নানা মানুষের প্রতিমূর্তি৷ সাগরের পানির নিচে যেন জীবনেরই প্রতিচ্ছবি৷ হাতে হাত ধরে গোল হয়ে দাঁড়িয়ে আছে একদল নারী কিংবা চেয়ারে বসে টেবিলে রাখা টাইপ মেশিনে মনোযোগ দিয়ে টাইপ করে চলেছেন কেউ৷ কোন কোন মূর্তি নগ্ন৷ একটি সন্তানসম্ভবা মহিলার মূর্তি৷ এক বৃদ্ধ মুখ ব্যাদান করে আছে৷ আবার একটি শিশু মাথা তুলে তাকিয়ে আছে যেন সূর্যের দিকে৷ মাছেরা বুঝে উঠতে পারছেনা এরা আদৌ সত্যিকারের মানুষ কিনা৷ মাঝেমাঝে এইসব ভাস্কর্যে ঠোকর মারছে মাছগুলো৷

পানির নিচে অভিনব এই প্রকল্পটি শুরু হয়েছিলো প্রায় দু'বছর আগে৷ ‘কানকুন মেরিন পার্ক' চাইছিল ব্রিটিশ শিল্পী জেসন দ্যক্লেয়ার্স টেইলরের কোনো শিল্পকর্ম পেতে৷ সমুদ্রের নীচে ইনস্টলেশন করার অভিজ্ঞতা আছে তাঁর গ্রেনাডার উপকূলের অদূরে এই ক্যারিবিয়ান সাগরে এবং ইংল্যান্ডেও৷

কানকুন নট্যিকাল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রবার্টো ডিয়াজ বলেন, ‘‘জেসনের শিল্পকর্ম প্রথমে আমি ইন্টারনেটে দেখেছিলাম৷ সেটা আমাকে সত্যিই মুগ্ধ করেছিলো৷''

Malediven Unterwasserabstimmung

মালদ্বীপের মন্ত্রী পরিষদ সাগরের নিচে বৈঠকও করেছিল

জেসন বলেন, ‘‘নান্দনিক দিক থেকে চিন্তা করলে এটা আসলেই অসাধারণ৷ অন্যান্য ভাস্কর্যের চেয়ে একেবারে ভিন্ন আঙ্গিকে এটা করা হচ্ছে৷ কেননা, সমুদ্রের পানির উপরে কখন কতটা আলো পড়ছে তার উপর নির্ভর করে পানির নিচের ভাস্কর্যের রঙ বদলে যাচ্ছে৷ আর এর ধরণও পানির উপরের ভাস্কর্যের চেয়ে আলাদা৷''

জেসন বলেন, ‘‘আমাকে অনেকেই জিজ্ঞাসা করেন, এই কাজ কি শেষ হয়েছে? কিন্তু আমি মনে করিনা, এটা শেষ হয়েছে৷ এটা এই কাজের প্রথম ধাপ মাত্র৷''

ব্রিটিশ শিল্পী জেসন টেইলর এই ভাস্কর্যমালার নাম দিয়েছেন ‘দ্য সাইলেন্ট এভোলিউশন'৷ এ মাসেই ডুবুরিরা শেষ মূর্তিগুলো সমুদ্রের নীচে বসিয়ে দিয়েছেন৷ তার জন্য বোটের ওপর ক্রেন দাঁড় করাতে হয়েছিল৷

প্রতিবেদন: জান্নাতুল ফেরদৌস
সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল ফারূক