1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

‘পাখির ডানায় লেখা বাংলা ভাষার মান'

শুক্রবার একুশে ফেব্রুয়ারি৷ বাংলাদেশসহ পৃথিবীর অনেক জায়গাতেই এ দিনে শ্রদ্ধা জানানো হবে '৫২-র ভাষা আন্দোলনের শহিদদের৷ তাই ব্লগওয়াচে থাকছে এ দিবস উপলক্ষ্যে কিছু লেখা৷

সামহয়্যার ইন ব্লগে শুভজিৎ শুভ তুলে দিয়েছেন এমন এক গান, যে গান প্রতিবছর ফেব্রুয়ারির ২১তম দিনে প্রায় সব বাঙালির মুখে মুখে ফেরে৷ এমন দিনে আব্দুল গাফফার চৌধুরীর লেখা এবং শহীদ আলতাফ মাহমুদের সুর করা গানের কথা যাঁরা পুরোপুরি মনে করতে চাইবেন তাঁদের মন ভালো করে দেবে শুভর এই পোস্ট

একই ব্লগে আমিনুল ইসলাম মামুন লিখেছেন বাংলা ভাষা নিয়ে ছোট্ট একটি ছড়া৷ ছড়ার শিরোনাম, ‘‘সব পাখিরই ডানায় লেখা''

ছড়াটি এমন:

‘‘সব পাখিরই ডানায় লেখা

আমার বর্ণমালা

সে বর্ণতে ভরা আমার

মায়ের হাতের বালা৷

সে বর্ণটা মিশে আছে

পাখির গানের সুরে

সেই সুরেলা কণ্ঠ পাবে

চিন ও অচিনপুরে৷

যখন যেথায় যাবে তুমি

শুনবে পাখির গান

মায়ের বালায় পাখির গানে

বাংলা ভাষার মান৷''

Language Movement Day, Bangladesh

‘যখন যেথায় যাবে তুমি/শুনবে পাখির গান/মায়ের বালায় পাখির গানে/ বাংলা ভাষার মান'

মোহাম্মদ নাসেরের লেখার বিষয়ও বাংলা ভাষা৷ সামহয়্যার ইন ব্লগে তাঁর লেখার শিরোনাম, ‘‘উন্নয়ন, মাতৃভাষা ও সত্যেন বসু''

এটি মূলত একটি প্রবন্ধ৷ প্রবন্ধের শুরুতে মোহাম্মদ নাসের লিখেছেন, ‘‘২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার পর, এই প্রথম ২১ ফেব্ররুয়ারিকে সামনে রেখে পাঠকবৃন্দের মাঝে নিজের মত প্রকাশ করতে চাই৷ উন্নয়ন, মাতৃভাষা ও সত্যেন বসু প্রবন্ধটি লেখার উপযুক্ত সময় আর কি হতে পারে? (১৯৯৯ সালে ‘শিখা অনির্বাণ' প্রকাশিত)৷'' অর্থাৎ, প্রবন্ধটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৫ বছর আগে৷ তবে বাংলাদেশে এখনো সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালু হয়নি৷ মোহাম্মদ নাসের বক্তব্যের সঙ্গে অনেকে একমত না-ও হতে পারেন, তবে তাঁর এ লেখা যে এখনো প্রাসঙ্গিক তা তো মানতেই হবে৷

Language Movement Day, Bangladesh

‘বুর্জোয়াদের স্থানে উঠে আসতে হবে মেহনতি ও তাদের মিত্রদের‘

উপসংহারে মোহাম্মদ নাসের লিখেছেন, ‘‘পাঠকদের উপহার দিতে চাই হুমায়ুন আজাদের এক চমৎকার উক্তি: আমার অনুসন্ধান একটি ভয়াবহ সত্য উপহার দিয়েছে, সেটা হচ্ছে এভাবে যদি এগোতে থাকে বাংলাদেশ; তাহলে বিশ ও একুশ শতকের অনেক দশকে বাংলা ভাষা ও তার শোষিত মিত্রদের, সাধারণ মানুষের প্রতিষ্ঠার কোনো সম্ভাবনা নেই৷ বাংলার শোষিত শ্রেণি, প্রগতিশীলতা ও বাংলা ভাষা একই সূত্রে গ্রথিত: এ তিনের প্রতিষ্ঠা ঘটবে একই দিনে৷ এর আগে শক্তির প্রতারিত উৎসরা শাসক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে পাবে শুধু চমৎকার বাক্য, সময়োপযোগী স্তুতি, স্নিগ্ধ প্রতারণা ও মাঝে মাঝে প্রচণ্ড উৎপীড়ন৷'' (প্রাগুক্ত ভূমিকা) অর্থাৎ, জাপানে যেমন বুর্জোয়াদের পৃষ্ঠাপোষকতায় ও সত্যেন বসুদের মতো ব্যক্তিদের মেধায়-ভালবাসায় ভাষার মুক্তি ঘটেছে, বাংলাদেশে তেমনভাবে ঘটবে না; এখানে বুর্জোয়াদের স্থানে উঠে আসতে হবে মেহনতি ও তাদের মিত্রদের, অনেকটা চীনের মতো, অন্ধকার যতই গাঢ় হোক৷''

সংকলন: আশীষ চক্রবর্ত্তী

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়