1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

সমাজ সংস্কৃতি

পাকিস্তানে রাজনীতিবিদরা রাস্তা ছেড়ে টেলিভিশনে

জনসমাবেশ করলে তালেবানের হামলার আশঙ্কা৷ তবু বসে থাকলে তো হবে না, ১১ই মে যে পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচন! প্রচারের জন্য তাই বিশেষ কৌশল নিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলো৷ কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা ঢালছে টেলিভিশনে!

সাবেক ক্রিকেটার ইমরান খান আর সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ অবশ্য এখনো জনসমাবেশ করছেন৷ তেহরিক-ই-ইনসাফ দলের প্রধান ইমরান প্রতিটি জনসভায় দুর্নীতির নির্মূলের কথা বলছেন৷ মৌলবাদের বিরুদ্ধে অবশ্য ততটা সোচ্চার নন৷ ক্রিকেট ব্যাট দেশ থেকে পিটিয়ে দুর্নীতি দূর করছে – এমন ছবি সম্বলিত দলীয় প্রতীক নিয়ে পাকিস্তান ক্রিকেটের ‘কিং খান' স্বপ্ন দেখছেন নির্বাচিত হয়ে দেশ শাসনের৷ সেই সুযোগ এবারের নির্বাচনেই জনগণ তাঁকে দেবে এমনটি বোধহয় পাকিস্তানকে ক্রিকেট বিশ্বকাপ জেতানো এই সাবেক অধিনায়ক নিজেও আশা করছেন না৷

নির্বাচনে ভালো করার সম্ভাবনা বেশি পাকিস্তান পিপলস পার্টির৷ কিন্তু দলটি সরাসরি নির্বাচনী প্রচারণায় খুব একটা অংশ নিচ্ছে না৷ ২০০৭ সালে তালেবানের হামলায় নিহত হয়েছিলেন দলের নেত্রী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো৷ সুতরাং তালেবান-আতঙ্ক তো দলটির থাকবেই৷

এমন আতঙ্ক থেকেই এবার নির্বাচনী প্রচারে টেলিভিশন চ্যানেলগুলোকে খুব ভালোভাবে কাজে লাগাচ্ছে পাকিস্তানের রাজনৈতিক দলগুলো৷ প্রাইম টাইমে ৪৬০ থেকে ২২০০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত খরচ করছে শুধু বিজ্ঞাপনের পেছনে৷ নেতা-নেত্রীদের ছবি, ভাষণ, ক্ষমতায় গেলে এটা করবো ওটা করবো জাতীয় ঘোষণার পাশাপাশি জাতীয়তাবোধ জাগিয়ে তোলার মতো গানও থাকছে ভোট আহ্বানের বিজ্ঞাপনে৷ এ মুহূর্তে পাকিস্তানের টিভি চ্যানেলগুলো এক অর্থে রাজনৈতিক দলগুলোরই দখলে৷ ১১ জুন পর্যন্ত অন্তত এ অবস্থা চলবে৷

এসিবি/ডিজি (এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন