পাকিস্তানে নিরাপত্তা ক্যাম্পে জঙ্গি হামলা | বিশ্ব | DW | 19.05.2010
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

পাকিস্তানে নিরাপত্তা ক্যাম্পে জঙ্গি হামলা

পাকিস্তানে একটি নিরাপত্তা ক্যাম্পে বুধবার হামলা চালিয়েছে জঙ্গিরা৷ তবে এতে নিহত হয়েছে উল্টে তারাই৷ এদিকে, মার্কিন দুই শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলোচনার জন্য এখন পাকিস্তান সফর করছেন৷

default

নিরাপত্তা ক্যাম্পে হামলার পর অবস্থা (ফাইল ছবি)

উত্তরপশ্চিমের ওরাকজাই শহরে হামলার ঘটনাটি ঘটে৷ প্রায় ২০০ জঙ্গি রকেট চালিত গ্রেনেড ও অন্যান্য অস্ত্র নিয়ে হামলা করে একটি নিরাপত্তা ক্যাম্পে৷ তবে প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই ট্যাঙ্ক দিয়ে এর জবাব দেন নিরাপত্তা কর্মীরা৷ ফলে ঘটে যায় সংঘর্ষ৷ আর তাতে কমপক্ষে ৬০ জঙ্গি নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় এক সরকারি কর্মকর্তা৷ অবশ্য মারা যান দুই সেনাসদস্যও৷

বন জঙ্গল আর পাহাড়ে ঘেরা ডোব্বারি এলাকায় অবস্থিত ঐ নিরাপত্তা ক্যাম্পটিতে আজ ভোরে জঙ্গিরা হামলা করে বলে জানিয়েছেন সরকারি কর্মকর্তা নোমান খান৷

উল্লেখ্য, পাকিস্তান থেকে জঙ্গি উচ্ছেদ করতে সরকার সাম্প্রতিক সময়ে ওরাকজাই সহ খাইবার অঞ্চলে অভিযান শুরু করে৷ এর ফলে জঙ্গিরাও মাঝে মাঝে এ ধরণের হামলা চালিয়ে তার জবাব দেয়ার চেষ্টা করে৷ এর আগে পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনী জঙ্গিদের অন্যান্য শক্তিশালী ঘাঁটিতেও অভিযান চালিয়েছিল৷

মূলত যুক্তরাষ্ট্রের চাপেই পাকিস্তান সরকার এ ধরণের অভিযান শুরু করেছিল৷ এখন সেই অভিযান দ্বিগুন করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র৷ আর সেজন্য দেশটির দুই শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা এখন ইসলামাবাদ সফর করছেন৷ এরা হলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেমস জোনস এবং সিআইএ পরিচালক লিয়ন পানেত্তা৷ ইতিমধ্যে তাঁরা আলোচনা করেছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারির সঙ্গে৷ এরপর তাদের বৈঠক করার কথা রয়েছে পাকিস্তানের গোয়েন্দা প্রধান সহ অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে৷

এমাসের ১ তারিখে নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কোয়ারে একটি গাড়িতে যে বোমা পাওয়া গিয়েছিল তার সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে ফয়সাল শাহজাদ নামের এক পাকিস্তানী বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়৷ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় গোয়েন্দারা জানতে পারেন যে, ফয়সাল বোমা বানানোর প্রশিক্ষণ নিতে ওয়াজিরিস্তান গিয়েছিলেন৷ আফগান সীমান্তে অবস্থিত এই অঞ্চলটি আল কায়েদার সদর দপ্তর বলে মনে করে যুক্তরাষ্ট্র৷ এরপর থেকেই মূলত জঙ্গি অভিযান দ্বিগুন করার কথা ভাবতে শুরু করে ওয়াশিংটন৷ হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা বিষয়টিকে এভাবেই ব্যাখ্যা করেন বার্তা সংস্থা এএফপি'র কাছে৷

এদিকে গ্রেফতারের পর শাহজাদকে মঙ্গলবার প্রথমবারের মতো ম্যানহ্যাটানের একটি আদালতে হাজির করা হয়৷

প্রতিবেদন: জাহিদুল হক

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

সংশ্লিষ্ট বিষয়