1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় তালেবান কমান্ডার গ্রেপ্তার

শীর্ষ এই সামরিক নেতার নাম মোল্লা আব্দুল গনি বারাদার৷ মঙ্গলবার পাকিস্তানি, মার্কিন ও ব্রিটিশ গোয়েন্দারা পাকিস্তানের দক্ষিণে অবস্থিত বন্দর নগরী করাচি থেকে বারাদার’কে গ্রেপ্তার করে বলে জানিয়েছে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম৷

default

বারাদার-এর গ্রেপ্তার পাকিস্তান ও তালেবান জঙ্গিদের সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে

আফগানিস্তানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন ন্যাটো বাহিনীর অভিযান শুরুর পর এই প্রথম, জঙ্গি গোষ্ঠী তালেবান-এর কোনো শীর্ষ পর্যায়ের নেতাকে আটক করা হলো৷ আর এ কাজ, পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই এবং যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-এর যৌথ উদ্যোগের ফলেই সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদপত্র ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস'৷ শুধু তাই নয়, গ্রেপ্তারের পর ইতিমধ্যেই মোল্লা বারাদার'কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে তারা৷ অবশ্য মোল্লা বারাদার-এর মুখ খোলা গেছে কি না - সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কিছু জানায় নি সংবাদপত্রটি৷

তবে আফগানিস্তানে পাকিস্তানের সাবেক রাষ্ট্রদূত ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ রুস্তম শাহ মোহমান্দ জানিয়েছেন, ‘‘জঙ্গি গোষ্ঠী তালোবান-এর জন্য এটা একটা বড় ধাক্কা৷ কারণ, তালেবান কমান্ডে মোল্লা ওমরের পরেই মোল্লা বারাদার-এর স্থান৷ তাছাড়া, বারাদার-এর বহুদিনের অভিজ্ঞতা ছিল৷ তাই তার গ্রেপ্তার তালেবান জঙ্গিদের ওপর একটা প্রভাব তো ফেলবেই৷''

এদিকে, মার্কিন কর্মকর্তারা বারাদার'কে গ্রেপ্তারের খবর জানালেও, তালেবান গোষ্ঠী এ খবর অস্বীকার করেছে৷ অবশ্য পাকিস্তানি তালেবান নেতা বায়তুল্লাহ মেহসুদ ও হেকিমুল্লাহ মেহসুদ বিমান হামলায় মারা যাওয়ার পরও, দলটি তা প্রথমে অস্বীকার করেছিল৷

সে যাই হোক, বারাদার আটক হওয়ার ফলে তালেবান শীর্ষ নেতাদের গ্রেপ্তার করার কাজ ত্বরান্বিত হবে বলে মনে করছেন মার্কিন কর্মকর্তারা৷ স্বাভাবিকভাবেই, মোল্লা ওমরের ডানহাত বলে খ্যাত বারাদার-এর কাছ থেকে তারা ওমরের অবস্থান জানার চেষ্টাও চালিয়ে যাচ্ছেন৷ রুস্তম শাহ মোহমান্দ-এর কথায়, ‘‘রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বারাদার-এর গ্রেপ্তার পাকিস্তান ও তালেবান জঙ্গিদের সম্পর্কের ওপরও একটা প্রভাব ফেলবে৷ ভেঙে দেবে আস্থা৷''

উল্লেখ্য, বর্তমানে আফগানিস্তানের হেলমন্দ প্রদেশে ন্যাটো বাহিনীর ‘অপারেশন মোশতারাক' নামের তালেবান-বিরোধী অভিযানে প্রায় ১৫ হাজার আন্তর্জাতিক ও আফগান সেনা যুক্ত রয়েছে৷ তাদের লক্ষ্য একটাই, বিশ্বের বৃহত্তম আফিম- উৎপাদনকারী দেশ আফগানিস্তান থেকে তালেবান জঙ্গিদের বিতাড়িত করা৷

প্রসঙ্গত, ২০০১ সালের ৯ই সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে টুইন টাওয়ার হামলার আগে, আল-কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেনের সঙ্গেও নাকি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল মোল্লা আব্দুল গনি বারাদার-এর৷

প্রতিবেদক : দেবারতি গুহ

সম্পাদনা : আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

সংশ্লিষ্ট বিষয়