1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিজ্ঞান পরিবেশ

পাঁচশ বছরের প্রাচীন কোরান শরিফ আসছে অনলাইনে

পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং বড় কোরান শরিফের মধ্যে একটি সংরক্ষিত আছে যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার লাইব্রেরিতে৷ এই কোরান শরিফ পৃথিবীর যেকোন প্রান্ত থেকে যাতে যেকেউ পড়তে পারেন তারই ব্যবস্থা করা হচ্ছে৷

default

ফাইল ফটো

প্রায় পাঁচশ' বছরের পুরানো এই কোরান শরিফ৷ বিশাল তার আকার৷ আর তাই মুসলমানদের এই মহাগ্রন্থটিকে পাঠের জন্য এদিক সেদিক নেওয়া অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে৷ কিন্তু একজন ফোটোগ্রাফারের কল্যাণে এখন তা সরানোর দরকার হবে না৷ তিনি ঐ কোরান শরিফের প্রতিটি পাতা ডিজিটাইজড করছেন৷ ফলে আর কিছুদিনের মধ্যেই ইন্টারনেটে পাওয়া যাবে এই কোরান শরিফ৷

এই কোরান শরিফের আকার বড় এক ফ্ল্যাট স্ক্রিন টিভির সমান৷ কোনাকুনি প্রায় এক মিটার দীর্ঘ৷ ওজন বায়ান্ন কিলোগ্রাম৷ ইসলাম ধর্মের পণ্ডিত যাঁরা তাঁদের কাছে এটি পৃথিবীর সবচেয়ে সুশোভন কোরান শরিফগুলোর মধ্যে একটি৷ কোরান শরিফটিতে মিশরের শেষ মামলুক সুলতান কানসু আল- ঘুরি'র মোহর অঙ্কিত রয়েছে৷ এই সুলতানের রাজত্বকাল ছিলো ১৫১৬ সাল পর্যন্ত৷ তবে তাঁর নির্দেশেই এটি বের করা হয়েছিল কিনা তা প্রমাণ করা সম্ভব হয়নি৷ কিন্তু ইসলাম বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, তাঁর মত ক্ষমতাবান ও মর্যাদাবান নৃপতির পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া এই মহাগ্রন্থ এত সুন্দর করে বের করা সম্ভব হতোনা৷

পাঁচশ বছরেরও বেশি পুরানো এই কোরান শরিফের পাণ্ডুলিপি ম্যানচেষ্টারের ‘জন রাইল্যান্ড' গ্রন্থাগারে রয়েছে ১৯০১ সাল থেকে৷ আর এই গ্রন্থাগারেরই ফোটোগ্রাফার জেমস রবিনসন প্রায় এক হাজার পাতার এই পাণ্ডুলিপির ছবি ধারণ করে তার ডিজিটাল ভার্সন তৈরি করছেন৷

জেমস রবিনসন ডয়চে ভেলেকে জানিয়েছেন, ‘‘আমাদের গ্রন্থাগারে অনেক সুন্দর সুন্দর পাণ্ডুলিপি রয়েছে৷ কিন্তু আমি বলতে পারি, সবচেয়ে সুন্দর পাণ্ডুলিপিগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম, বিশেষ করে এর বিশাল আকারের জন্য৷'' তিনি বলেন, এর কিছু কিছু পাতায় একেবারে ভাঁজ পড়ে গেছে৷ কিন্তু আমরা আমাদের যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছি এর মূল আদল ঠিক রাখতে৷ তিনি আরও বলেন, কোরানের বাণী পুরোপুরি বোধ্য৷ অনলাইনে এটি সুখপাঠ্য হবে বলেই আমাদের বিশ্বাস৷ আর কোরান শরিফের ডিজিটাল কপি যখন অন লাইনে দেওয়া হবে, পৃথিবীর যেকোনো প্রান্ত থেকেই ইসলাম বিশেষজ্ঞরা সহ যে কেউ এই ধর্মগ্রন্থ পড়তে পারবেন৷

প্রতিবেদন: জান্নাতুল ফেরদৌস

সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক