1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

পশ্চিম তীরে বসতি নির্মাণ বন্ধ না রাখার ইঙ্গিত

মার্কিন মধ্যস্থতায় মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ে দ্বিতীয় দফা সরাসরি শান্তি আলোচনা শুরু হচ্ছে মঙ্গলবার৷ ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনি নেতাদের মধ্যকার এই আলোচনায় উপস্থিত থাকবেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিন্টন৷

default

ওয়াশিংটনে নেতানিয়াহু ও আব্বাসের সঙ্গে ক্লিন্টন (ফাইল ফটো)

মূল ইস্যু বসতি নির্মাণ

মিশরের শার্ম আল-শেখে অনুষ্ঠিতব্য আলোচনায় সবার আগেই উঠে আসবে পশ্চিম তীরে বসতি নির্মাণ বন্ধের বিষয়টি৷ ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, বসতি নির্মাণ বন্ধের সময়সীমা বাড়াতে পারবে না ইসরায়েল৷ মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত টোনি ব্লেয়ারকে এই কথা জানিয়েছেন তিনি৷ তবে নেতানিয়াহু ভবিষ্যতে বসতি নির্মাণের পরিধি কমানোর বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন৷ এখানে বলে রাখা ভালো, এই মাসের শেষ নাগাদ ইসরায়েল অধিকৃত পশ্চিম তীরে বসতি নির্মাণ বন্ধ রাখার মেয়াদ শেষ হচ্ছে৷

Flash-Galerie Historische Nahostgespräche Israelische Siedlung im Westjordanland

পশ্চিম তীরের অধিকৃত এলাকায় ইসরায়েলি বসতি

সন্তুষ্ট নন সায়েব এরেকাত

স্বভাবতই নেতানিয়াহুর এই বক্তব্যে সন্তুষ্ট নন ফিলিস্তিনের প্রধান মধ্যস্থতাকারী সায়েব এরেকাত৷ তিনি বলেছেন, বসতি নির্মাণ অব্যাহত রাখার যেকোন সিদ্ধান্ত ‘সমঝোতার চেষ্টা ধ্বংসের' সামিল হবে৷ এই কাজ অব্যাহত রাখলে সরাসরি শান্তি আলোচনা থেকে সরে আসার ঘোষণা আগেই দিয়ে রেখেছেন ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস৷

হিলারির চাপ

হিলারি ক্লিন্টন দুই পক্ষকে কতটা চাপে ফেলতে পারেন, তার ওপর অনেক কিছু নির্ভর করছে৷ মঙ্গলবারের আলোচনা ছাড়াও বুধবার ক্লিন্টন জেরুসালেমে ইসরায়েলি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন৷ বৃহস্পতিবার রামাল্লায় তিনি আলোচনা করবেন ফিলিস্তিনি নেতাদের সঙ্গে৷

নিরাপত্তা, সীমানা ইস্যুতে আলোচনা

ভবিষ্যতে ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা চান নেতানিয়াহু৷ পশ্চিম তীর এবং গাজাকে সঙ্গে নিয়ে যে স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের কথা ভাবা হচ্ছে, তা যেন ইসরায়েলের জন্য হুমকি না হয়৷ আর মাহমুদ আব্বাস চান, ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের সীমানা চূড়ান্ত করতে৷ এটি আরেক জটিল ধাপ৷ কেননা পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতির ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে এই সীমানা ইস্যুর ওপর৷

প্রতিবেদন: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক