1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

ইসরায়েল

পশ্চিম তীরে আরও তিন হাজার বাড়ি তৈরির অনুমোদন

ইসরায়েলের সরকার মঙ্গলবার এই অনুমোদন দেয়৷ ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর এই নিয়ে তৃতীয়বার এমন অনুমোদন দিল ইসরায়েল৷

ইসরায়েলের সরকার মঙ্গলবার এই অনুমোদন দেন৷ ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর এই নিয়ে তৃতীয়বার এমন অনুমোদন দিল ইসরায়েল৷

এর আগে পশ্চিম তীরে আড়াই হাজার ও পূর্ব জেরুসালেমে সাড়ে পাঁচশ বসতি স্থাপনের অনুমোদন দেয়া হয়৷ এই দুই জায়গাকেই ফিলিস্তিনিরা তাদের ভবিষ্যত স্বাধীন রাষ্ট্রের অংশ মনে করে৷ ১৯৬৭ সালে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের সময় এই দু'টি জায়গা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয় ইসরায়েল৷

অবশ্য ফিলিস্তিনের পরিকল্পনার প্রতি আন্তর্জাতিক বিশ্বের বড় একটি অংশের সমর্থন আছে৷ জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ গত ডিসেম্বরে ইসরায়েলের বসতি স্থাপনের সমালোচনা করে একটি রেজুলিউশন পাস করে৷ যুক্তরাষ্ট্র ভোটদান থেকে বিরত থাকায় এটা সম্ভব হয়েছিল৷ দেশটির এমন সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছিল ইসরায়েল৷ ডোনাল্ড ট্রাম্পও সে সময় টুইট করে বলেছিলেন, ২০ জানুয়ারির পর পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে৷ উল্লেখ্য, সেদিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন ট্রাম্প৷

ট্রাম্পের এমন মনোভাবে উৎসাহী হয়ে গত কয়েকদিনে তৃতীয় দফা নতুন বসতি স্থাপনের অনুমোদন দিল ইসরায়েল৷ ট্রাম্প প্রশাসন এখনও এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি৷ অথচ বারাক ওবামা প্রশাসনকে সাম্প্রতিক সময়ে ইসরায়েলের এমন অনুমোদনের সমালোচনা করতে দেখা গিয়েছিল৷

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু যখন ১৫ ফেব্রুয়ারি হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তখন তাঁদের মধ্যে এই বিষয়ে কথা হতে পারে বলে জানা গেছে৷ ইতিমধ্যে, বসতি স্থাপন সমর্থন করেন এমন ব্যক্তিকে ইসরায়েলে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন ট্রাম্প৷ এছাড়া মার্কিন দূতাবাস তেল আভিভ থেকে সরিয়ে জেরুসালেমে নিয়ে যাওয়ারও পরিকল্পনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন৷

শান্ত করার চেষ্টা?

ইসরায়েলের সুপ্রিম কোর্ট সোমবার এক রায়ে পশ্চিম তীরের আমোনায় বসবাসকারীদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে৷ সেখানকার বাড়িঘর ভেঙে ফেলারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে৷ সুপ্রিম কোর্ট মনে করে ফিলিস্তিনিদের জমিতে অবৈধভাবে এই বসতিগুলো স্থাপন করা হয়েছিল৷

সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর আমোনার বাসিন্দাদের এলাকা ছেড়ে যেতে বাধ্য করা হয়৷ এতে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছিলেন ‘আল্ট্রা ন্যাশনালিস্ট' বা উগ্র জাতীয়তাবাদীরা৷ তাঁদের শান্ত করতেই সরকার নতুন বসতি স্থাপনের অনুমোদন দিল বলে মনে করা হচ্ছে৷

উল্লেখ্য, পশ্চিম তীরে প্রায় ১০০টি স্থানে অবৈধভাবে বসতি স্থাপন করা হয়েছে৷ আমোনা ছিল তাদের মধ্যে সবচেয়ে বড়৷ অবশ্য এগুলো অবৈধ হলেও, অর্থাৎ সরকারের অনুমোদন না নিয়ে স্থাপন করা হলেও, প্রশাসন সেগুলো উচ্ছেদের উদ্যোগ নেয় না৷

জেডএইচ/ডিজি (এপি, রয়টার্স)

 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়